নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা জেলার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে আজ বুধবার থেকে পুরানো রুটিনে বার্ষিক পরীক্ষা আবারও শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল ও দুপুরে কুমিল্লা জিলা স্কুল, নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা হলে দেখা গেছে। বিদ্যালয়গুলোর ফটকের সামনে ও আশপাশে কিছুসংখ্যক অভিভাবকদের ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে।
অভিভাবকেরা জানিয়েছেন, গতকাল মঙ্গলবার রাত আটটায় জানতে পারি আন্দোলন স্থগিত করা হয়েছে। বুধবারের পরীক্ষা হবে। এরপর মেয়েকে বলি পড়তে। এভাবে কোমলমতি শিশুদের টেনশনে রেখে বার্ষিক পরীক্ষা দেওয়া কঠিন। ভবিষ্যতে পরীক্ষা চলাকালীন যেন আন্দোলন না করা হয়। সরকারকেও শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি পর্যালোচনা করার দাবি জানাচ্ছি।
গতকাল রাতে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক রেবেকা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বার্ষিক পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষার অনিশ্চয়তায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা যে মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন, তা অনুধাবন করে দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে শিক্ষা কার্যক্রমে ফিওে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার বলেন, বুধবারের সব পরীক্ষা হচ্ছে। গত দুইদিনের স্থগিত পরীক্ষার নতুন রুটিন দেওয়া হবে।
উল্লেখ, শিক্ষককেরা আতকা (হঠাৎ) কর্মবিরতি ঘোষণা করায় বার্ষিক পরীক্ষার মাঝখানে সারাদেশের ৭২৮ টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের লাখ লাখ শিক্ষার্থী বিপাকে পড়ে। কোমলমতি শিক্ষার্থী ,তাদের অভিভাবকেরা উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় পড়ে। পুরো দেশবাসী পরীক্ষা চলাকালীন আন্দোলন নিয়ে মহাবিরক্তি প্রকাশ করে। শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা জিম্মি করে দাবি আদায়ের আন্দোলনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা হয়।
অভিভাবকদের ভাষ্য, পূর্ব ঘোষণা দিয়ে পরীক্ষা বন্ধ করলে শিক্ষার্থীরা হতাশায় পড়তো না। কিন্তু পরীক্ষা হবে কি হবে না . তা নিয়ে দোলাচলে তাদের নির্ঘুম সময় পার করতে হয়। এমন বিপদে শিক্ষার্থীরা সাম্প্রতিক সময়ে আর পড়েনি। শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে গত সোমবার ও গতকাল মঙ্গলবার কোন পরীক্ষা হয়নি।

কুমিল্লা জেলার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে আজ বুধবার থেকে পুরানো রুটিনে বার্ষিক পরীক্ষা আবারও শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল ও দুপুরে কুমিল্লা জিলা স্কুল, নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা হলে দেখা গেছে। বিদ্যালয়গুলোর ফটকের সামনে ও আশপাশে কিছুসংখ্যক অভিভাবকদের ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে।
অভিভাবকেরা জানিয়েছেন, গতকাল মঙ্গলবার রাত আটটায় জানতে পারি আন্দোলন স্থগিত করা হয়েছে। বুধবারের পরীক্ষা হবে। এরপর মেয়েকে বলি পড়তে। এভাবে কোমলমতি শিশুদের টেনশনে রেখে বার্ষিক পরীক্ষা দেওয়া কঠিন। ভবিষ্যতে পরীক্ষা চলাকালীন যেন আন্দোলন না করা হয়। সরকারকেও শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি পর্যালোচনা করার দাবি জানাচ্ছি।
গতকাল রাতে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক রেবেকা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বার্ষিক পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষার অনিশ্চয়তায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা যে মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন, তা অনুধাবন করে দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে শিক্ষা কার্যক্রমে ফিওে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার বলেন, বুধবারের সব পরীক্ষা হচ্ছে। গত দুইদিনের স্থগিত পরীক্ষার নতুন রুটিন দেওয়া হবে।
উল্লেখ, শিক্ষককেরা আতকা (হঠাৎ) কর্মবিরতি ঘোষণা করায় বার্ষিক পরীক্ষার মাঝখানে সারাদেশের ৭২৮ টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের লাখ লাখ শিক্ষার্থী বিপাকে পড়ে। কোমলমতি শিক্ষার্থী ,তাদের অভিভাবকেরা উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় পড়ে। পুরো দেশবাসী পরীক্ষা চলাকালীন আন্দোলন নিয়ে মহাবিরক্তি প্রকাশ করে। শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা জিম্মি করে দাবি আদায়ের আন্দোলনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা হয়।
অভিভাবকদের ভাষ্য, পূর্ব ঘোষণা দিয়ে পরীক্ষা বন্ধ করলে শিক্ষার্থীরা হতাশায় পড়তো না। কিন্তু পরীক্ষা হবে কি হবে না . তা নিয়ে দোলাচলে তাদের নির্ঘুম সময় পার করতে হয়। এমন বিপদে শিক্ষার্থীরা সাম্প্রতিক সময়ে আর পড়েনি। শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে গত সোমবার ও গতকাল মঙ্গলবার কোন পরীক্ষা হয়নি।