উষ্ণ অভিনন্দন
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার ময়নামতি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেছেন অধ্যাপক ডা. মোস্তফা কামাল আজাদ। গত ১ জানুয়ারি ২০২৬ তিনি ওই পদে যোগদান করেছেন। তিনি এই কলেজের অষ্টম অধ্যক্ষ। ২০১১ সালে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়।
মোস্তফা কামাল আজাদ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও রেডিওলজি বিভাগের নামকরা অধ্যাপক । তাঁর বাড়ি কুমিল্লা নগরের মুরাদপুর এলাকায়। ১৯৬৫ সালের ১ জানুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৯ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে এসএসসি, ১৯৮১ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি ও ১৯৮৭ সালে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। ১৯৯১ সালের ১১ ডিসেম্বর তিনি ১০তম বিসিএসে স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগদান করেন। ১৯৯৮ সালে তিনি রেডিওলজির ওপর এমফিল করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের রেডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি বিএমডিসির কাউন্সিলর ছিলেন। চট্রগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। কুমিল্লা নগরের ধর্মসাগরপাড়ের আজাদ আল্ট্রাসনোগ্রাফি তাঁর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। তাঁর স্ত্রী একজন চিকিৎসক। তিন মেয়ের মধ্যে দুইজন চিকিৎসক ও একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
ময়নামতি মেডিকেল কলেজে যোগদান করায় তাঁকে উষ্ণ অভিনন্দন ।

কুমিল্লার ময়নামতি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেছেন অধ্যাপক ডা. মোস্তফা কামাল আজাদ। গত ১ জানুয়ারি ২০২৬ তিনি ওই পদে যোগদান করেছেন। তিনি এই কলেজের অষ্টম অধ্যক্ষ। ২০১১ সালে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়।
মোস্তফা কামাল আজাদ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও রেডিওলজি বিভাগের নামকরা অধ্যাপক । তাঁর বাড়ি কুমিল্লা নগরের মুরাদপুর এলাকায়। ১৯৬৫ সালের ১ জানুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৯ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে এসএসসি, ১৯৮১ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি ও ১৯৮৭ সালে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। ১৯৯১ সালের ১১ ডিসেম্বর তিনি ১০তম বিসিএসে স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগদান করেন। ১৯৯৮ সালে তিনি রেডিওলজির ওপর এমফিল করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের রেডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি বিএমডিসির কাউন্সিলর ছিলেন। চট্রগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। কুমিল্লা নগরের ধর্মসাগরপাড়ের আজাদ আল্ট্রাসনোগ্রাফি তাঁর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। তাঁর স্ত্রী একজন চিকিৎসক। তিন মেয়ের মধ্যে দুইজন চিকিৎসক ও একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
ময়নামতি মেডিকেল কলেজে যোগদান করায় তাঁকে উষ্ণ অভিনন্দন ।