কর্মবিরতি স্থগিত করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষকেরা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আজ বুধবার থেকে পুরানো রুটিনে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। আন্দোলনরত শিক্ষকেরা তাঁদের কর্মবিরতি স্থগিত করে বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গতকাল রাতে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক রেবেকা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার বলেন, বুধবারের রুটিনে বুধবারের পরীক্ষা হবে। আগের পরীক্ষার রুটিন পরে দেওয়া হবে। জানানো হবে।
গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার বলেন, আজ থেকে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে। কর্মবিরতি সাময়িক স্থগিত।
শিক্ষকদের হুট করে কর্মবিরতি ঘোষণা করায় বার্ষিক পরীক্ষার মাঝখানে সারাদেশের ৭২৮ টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের লাখ লাখ শিক্ষার্থী বিপাকে পড়ে। কোমলমতি শিক্ষার্থী ,তাদের অভিভাবকেরা উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় পড়ে। পুরো দেশবাসী পরীক্ষা চলাকালীন আন্দোলন নিয়ে মহাবিরক্তি প্রকাশ করে। শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা জিম্মি করে দাবি আদায়ের আন্দোলনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা হয়। অভিভাবকদের ভাষ্য, পূর্ব ঘোষণা দিয়ে পরীক্ষা বন্ধ করলে শিক্ষার্থীরা হতাশায় পড়তো না। কিন্তু পরীক্ষা হবে কি হবে না . তা নিয়ে দোলাচলে তাদের নির্ঘুম সময় পার করতে হয়। এমন বিপদে শিক্ষার্থীরা সাম্প্রতিক সময়ে আর পড়েনি। শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে গত সোমবার ও গতকাল মঙ্গলবার কোন পরীক্ষা হয়নি।

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আজ বুধবার থেকে পুরানো রুটিনে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। আন্দোলনরত শিক্ষকেরা তাঁদের কর্মবিরতি স্থগিত করে বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গতকাল রাতে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক রেবেকা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার বলেন, বুধবারের রুটিনে বুধবারের পরীক্ষা হবে। আগের পরীক্ষার রুটিন পরে দেওয়া হবে। জানানো হবে।
গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার বলেন, আজ থেকে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে। কর্মবিরতি সাময়িক স্থগিত।
শিক্ষকদের হুট করে কর্মবিরতি ঘোষণা করায় বার্ষিক পরীক্ষার মাঝখানে সারাদেশের ৭২৮ টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের লাখ লাখ শিক্ষার্থী বিপাকে পড়ে। কোমলমতি শিক্ষার্থী ,তাদের অভিভাবকেরা উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় পড়ে। পুরো দেশবাসী পরীক্ষা চলাকালীন আন্দোলন নিয়ে মহাবিরক্তি প্রকাশ করে। শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা জিম্মি করে দাবি আদায়ের আন্দোলনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা হয়। অভিভাবকদের ভাষ্য, পূর্ব ঘোষণা দিয়ে পরীক্ষা বন্ধ করলে শিক্ষার্থীরা হতাশায় পড়তো না। কিন্তু পরীক্ষা হবে কি হবে না . তা নিয়ে দোলাচলে তাদের নির্ঘুম সময় পার করতে হয়। এমন বিপদে শিক্ষার্থীরা সাম্প্রতিক সময়ে আর পড়েনি। শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে গত সোমবার ও গতকাল মঙ্গলবার কোন পরীক্ষা হয়নি।