• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> শিক্ষা

ভিক্টোরিয়া কলেজে শ্রেণিকক্ষ সংকট

আবদুল্লাহ আল মারুফ
প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৫, ১২: ৫০
আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২৫, ১২: ৫০
logo

ভিক্টোরিয়া কলেজে শ্রেণিকক্ষ সংকট

আবদুল্লাহ আল মারুফ

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৫, ১২: ৫০
Photo

বাংলাদেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ বর্তমানে শ্রেণিকক্ষ সংকটে ভুগছে। সোয়া শতাব্দী ধরে হাজারো শিক্ষার্থীকে জ্ঞানচর্চার সুযোগ দিয়ে আসা এই কলেজে এখনকার অবকাঠামো শিক্ষার্থীর তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। যে কারণে শ্রেণিকক্ষ সংকটে সেমিনারের বাইরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় ক্লাসের সময় কাটে শিক্ষার্থীদের।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে উচ্চমাধ্যমিক, অনার্স, মাস্টার্স ও ডিগ্রি কোর্স মিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অথচ তাদের জন্য স্থায়ী শ্রেণিকক্ষের সংখ্যা ডিগ্রি শাখায় ৬৫টি ও উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় প্রায় ৪০টি। এই সংখ্যক শ্রেণিকক্ষে একসঙ্গে ২০০-২৫০ জন পর্যন্ত শিক্ষার্থীকে বসতে হচ্ছে। এতে পড়াশোনার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, অধিক ভিড়ের কারণে ক্লাসে মনোযোগ দেওয়া যায় না। করিডরে দাঁড়িয়ে ক্লাস করতে বাধ্য হন। এছাড়াও একটি বড় অংশ ক্লাস করেন বিভাগের সেমিনারে। গরমকালে ঘিঞ্জি শ্রেণিকক্ষে শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যাও তৈরি হয়। নামেমাত্র কয়েকটি পাখা লাগানো থাকলেও সেগুলো এত শিক্ষার্থীর মাঝে তেমন কোন কাজে লাগছে না। বিশেষ করে অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা মনে করেন, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষের অভাবে মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে।

কলেজের বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মনির হোসেন বলেন, আমরা ক্লাস করলে আমাদের জুনিয়ররা দাঁড়িয়ে থাকে। তারা ক্লাস করলে আমরা সেমিনারের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এটা খুবই দু:খজনক।

একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, তৃতীয় তলায় ক্লাস রুমেও ফাটল, কিভাবে ক্লাস করবে শিক্ষার্থীরা!

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আনিকা আক্তার বলেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে বেশি উপস্থিত থাকে। যেদিন বেশি স্টুডেন্ট থাকে সেদিন এক ব্যাচ অপেক্ষা করে আরেক ব্যাচের ক্লাস শেষ হওয়ার জন্য।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল বাশার ভূঁঞা বলেন, শ্রেণিকক্ষ সংকট আমাদের জন্য বড় সমস্যা। আমরা ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাছে নতুন ভবন নির্মাণের আবেদন জানিয়েছি। কিছু প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে, তবে কাজ শুরু হতে সময় লাগছে।

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এ কলেজকে বাঁচাতে হলে জরুরি ভিত্তিতে নতুন একাডেমিক ভবন, আধুনিক ল্যাবরেটরি ও পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করতে হবে। নইলে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন শ্রেণিকক্ষ সংকটের যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছেন। দ্রুত সমাধান না হলে দেশের শিক্ষার মান উন্নয়নের পথে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে এই সংকট।

কলেজ শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক গাজী মুহাম্মদ গোলাম সোহরাব হাসান বলেন, আমরা ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে ক্লাসরুম সংকটের বিষয়টি জানিয়েছি। লিখিত আবেদনও করেছি। তারা আমাদের দ্রুতই বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল বাসার ভূঁঞা বলেন, একাডেমিক ভবনের কারণে আমাদের ছেলে মেয়েরা ক্লাস করতে কষ্ট হচ্ছে। আমরা আবেদন করেছি একাডেমিক ভবনের জন্য। সরকারের কাছে আমরা বিষয়টি নজর দেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।

Thumbnail image

বাংলাদেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ বর্তমানে শ্রেণিকক্ষ সংকটে ভুগছে। সোয়া শতাব্দী ধরে হাজারো শিক্ষার্থীকে জ্ঞানচর্চার সুযোগ দিয়ে আসা এই কলেজে এখনকার অবকাঠামো শিক্ষার্থীর তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। যে কারণে শ্রেণিকক্ষ সংকটে সেমিনারের বাইরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় ক্লাসের সময় কাটে শিক্ষার্থীদের।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে উচ্চমাধ্যমিক, অনার্স, মাস্টার্স ও ডিগ্রি কোর্স মিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অথচ তাদের জন্য স্থায়ী শ্রেণিকক্ষের সংখ্যা ডিগ্রি শাখায় ৬৫টি ও উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় প্রায় ৪০টি। এই সংখ্যক শ্রেণিকক্ষে একসঙ্গে ২০০-২৫০ জন পর্যন্ত শিক্ষার্থীকে বসতে হচ্ছে। এতে পড়াশোনার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, অধিক ভিড়ের কারণে ক্লাসে মনোযোগ দেওয়া যায় না। করিডরে দাঁড়িয়ে ক্লাস করতে বাধ্য হন। এছাড়াও একটি বড় অংশ ক্লাস করেন বিভাগের সেমিনারে। গরমকালে ঘিঞ্জি শ্রেণিকক্ষে শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যাও তৈরি হয়। নামেমাত্র কয়েকটি পাখা লাগানো থাকলেও সেগুলো এত শিক্ষার্থীর মাঝে তেমন কোন কাজে লাগছে না। বিশেষ করে অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা মনে করেন, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষের অভাবে মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে।

কলেজের বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মনির হোসেন বলেন, আমরা ক্লাস করলে আমাদের জুনিয়ররা দাঁড়িয়ে থাকে। তারা ক্লাস করলে আমরা সেমিনারের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এটা খুবই দু:খজনক।

একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, তৃতীয় তলায় ক্লাস রুমেও ফাটল, কিভাবে ক্লাস করবে শিক্ষার্থীরা!

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আনিকা আক্তার বলেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে বেশি উপস্থিত থাকে। যেদিন বেশি স্টুডেন্ট থাকে সেদিন এক ব্যাচ অপেক্ষা করে আরেক ব্যাচের ক্লাস শেষ হওয়ার জন্য।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল বাশার ভূঁঞা বলেন, শ্রেণিকক্ষ সংকট আমাদের জন্য বড় সমস্যা। আমরা ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাছে নতুন ভবন নির্মাণের আবেদন জানিয়েছি। কিছু প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে, তবে কাজ শুরু হতে সময় লাগছে।

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এ কলেজকে বাঁচাতে হলে জরুরি ভিত্তিতে নতুন একাডেমিক ভবন, আধুনিক ল্যাবরেটরি ও পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করতে হবে। নইলে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন শ্রেণিকক্ষ সংকটের যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছেন। দ্রুত সমাধান না হলে দেশের শিক্ষার মান উন্নয়নের পথে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে এই সংকট।

কলেজ শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক গাজী মুহাম্মদ গোলাম সোহরাব হাসান বলেন, আমরা ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে ক্লাসরুম সংকটের বিষয়টি জানিয়েছি। লিখিত আবেদনও করেছি। তারা আমাদের দ্রুতই বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল বাসার ভূঁঞা বলেন, একাডেমিক ভবনের কারণে আমাদের ছেলে মেয়েরা ক্লাস করতে কষ্ট হচ্ছে। আমরা আবেদন করেছি একাডেমিক ভবনের জন্য। সরকারের কাছে আমরা বিষয়টি নজর দেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞানের বাতিঘর : তথ্যমন্ত্রী

২

যেভাবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল জানা যাবে , আগামীকাল ফল প্রকাশ

৩

ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষায় কুমিল্লা বোর্ডে ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

৪

এইচএসসির প্রথম দিনে কুমিল্লা বোর্ডে অনুপস্থিত ১৭৯৫ পরীক্ষার্থী

৫

এসএসসির পর ভর্তি না হওয়ার হার উদ্বেগজনক: শিক্ষামন্ত্রী

সম্পর্কিত

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞানের বাতিঘর : তথ্যমন্ত্রী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞানের বাতিঘর : তথ্যমন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে
যেভাবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল জানা যাবে , আগামীকাল ফল প্রকাশ

যেভাবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল জানা যাবে , আগামীকাল ফল প্রকাশ

১৩ ঘণ্টা আগে
ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষায় কুমিল্লা বোর্ডে ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষায় কুমিল্লা বোর্ডে ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

৫ দিন আগে
এইচএসসির প্রথম দিনে কুমিল্লা বোর্ডে অনুপস্থিত ১৭৯৫ পরীক্ষার্থী

এইচএসসির প্রথম দিনে কুমিল্লা বোর্ডে অনুপস্থিত ১৭৯৫ পরীক্ষার্থী

৯ দিন আগে