আমার শহর ডেস্ক

করোনাভাইরাসের কারণে টানা কয়েক বছর সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। সংকট কাটিয়ে পাঁচ বছর পর এবার পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একই (অভিন্ন) প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের এমন উদ্যোগে নতুন বিপত্তি দেখা দিয়েছে।
অভিন্ন প্রশ্নের কারণে দেশের কোনো একটি এলাকায় ঘূর্ণিঝড়, বন্যা বা অন্য কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুযোর্গ দেখা দিলে সারাদেশে পরীক্ষা স্থগিত রাখতে হতে পারে। এতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, অভিন্ন প্রশ্নপত্র হওয়ায় কোনো এলাকায় বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রাখা হতে পারে। আবার ভিন্ন চিন্তাও আছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি বিবেচনায় তখন সিন্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, কোনো একটা বিভাগে বড় ধরনের ডিজাস্টার আসলে টোটাল পরীক্ষাটাকে পোস্টপন্ড করে অ্যানাদার একটা ডে-তে আবার সারাদেশে পরীক্ষার আয়োজন করা যেতে পারে। এটাকে আমরা বেটার মনে করছি। বিশেষ পরিস্থিতিতে কোনো পরীক্ষার্থীর কেন্দ্রে আসতে দেরি হলে নমনীয়ভাবে দেখারও আহবান জানিয়েছেন তিনি। চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, একজন পরীক্ষার্থী কোনো কারণে বা দুর্ঘটনায় সময়মতো কেন্দ্রে যেতে না পারলে সেটা স্থানীয় প্রশাসন যদি ইচ্ছা করে এবং যৌক্তিক মনে করে; তাহলে তাকে একটু স্পেস দিয়ে পরীক্ষাটা নিতে পারে। এক্ষেত্রে নমনীয় অবস্থান আমাদের রয়েছে। চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার।

করোনাভাইরাসের কারণে টানা কয়েক বছর সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। সংকট কাটিয়ে পাঁচ বছর পর এবার পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একই (অভিন্ন) প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের এমন উদ্যোগে নতুন বিপত্তি দেখা দিয়েছে।
অভিন্ন প্রশ্নের কারণে দেশের কোনো একটি এলাকায় ঘূর্ণিঝড়, বন্যা বা অন্য কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুযোর্গ দেখা দিলে সারাদেশে পরীক্ষা স্থগিত রাখতে হতে পারে। এতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, অভিন্ন প্রশ্নপত্র হওয়ায় কোনো এলাকায় বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রাখা হতে পারে। আবার ভিন্ন চিন্তাও আছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি বিবেচনায় তখন সিন্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, কোনো একটা বিভাগে বড় ধরনের ডিজাস্টার আসলে টোটাল পরীক্ষাটাকে পোস্টপন্ড করে অ্যানাদার একটা ডে-তে আবার সারাদেশে পরীক্ষার আয়োজন করা যেতে পারে। এটাকে আমরা বেটার মনে করছি। বিশেষ পরিস্থিতিতে কোনো পরীক্ষার্থীর কেন্দ্রে আসতে দেরি হলে নমনীয়ভাবে দেখারও আহবান জানিয়েছেন তিনি। চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, একজন পরীক্ষার্থী কোনো কারণে বা দুর্ঘটনায় সময়মতো কেন্দ্রে যেতে না পারলে সেটা স্থানীয় প্রশাসন যদি ইচ্ছা করে এবং যৌক্তিক মনে করে; তাহলে তাকে একটু স্পেস দিয়ে পরীক্ষাটা নিতে পারে। এক্ষেত্রে নমনীয় অবস্থান আমাদের রয়েছে। চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার।