আমার শহর ডেস্ক

আগামী প্রজন্মকে বিশ্বমানের নেতৃত্বে জন্য গড়ে তুলতে কারিকুলামে বড় পরিবর্তন আসছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আজ বুধবার রাজধানীতে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ে ‘হলদে পাখি নীল কমল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে ১৭ মে ময়মনসিংহে ‘প্রাথমিক স্তরের বাংলা ভাষা শিক্ষার দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক বেইজলাইন রিপোর্ট শেয়ারিং’ সভায় প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, যুগোপযোগী, দক্ষতাভিত্তিক ও বাস্তবমুখী নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নে কাজ করছে, যা ২০২৮ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইভিত্তিক শিক্ষা নয়; বরং নেতৃত্ব, নাগরিক দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে বিশ্বমানের নেতৃত্বে গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী প্রজন্মকে দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে এবং সরকার দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিকর মিড-ডে মিল চালুর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নতুন কারিকুলামে শিশুদের শুধু অ্যাকাডেমিক শিক্ষা নয়, বরং বাস্তবজীবনভিত্তিক দক্ষতা শেখানো হবে। শিক্ষার্থীরা শিখবে কীভাবে ভালো নাগরিক হতে হয়, কীভাবে নিজের স্কুল, ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হয় এবং সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করতে হয়। শিশুদের বয়স আনন্দের মাধ্যমে শেখার। তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ বা বড় বড় বই চাপিয়ে দেওয়ার সময় নয়। নতুন কারিকুলাম এমনভাবে সাজানো হবে যাতে শিশুরা গল্প, সৃজনশীলতা ও আনন্দের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজ আমি শুধু গার্ল গাইডসদের মাঝে নেই, আমি আগামী বাংলাদেশের নেতাদের মাঝে আছি। আপনারাই ভবিষ্যতে দেশকে নেতৃত্ব দেবেন। আমরা এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে চাই, যারা শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে।
অনুষ্ঠানে নীলকমল অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, সারা দেশ থেকে মোট ৫৭ জন হলদে পাখি সদস্যকে নীল কমল অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অর্জন দেশের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করবে।
বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার কাজী জেবুন্নেছা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গার্ল গাইডস্ নেতা, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আগামী প্রজন্মকে বিশ্বমানের নেতৃত্বে জন্য গড়ে তুলতে কারিকুলামে বড় পরিবর্তন আসছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আজ বুধবার রাজধানীতে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ে ‘হলদে পাখি নীল কমল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে ১৭ মে ময়মনসিংহে ‘প্রাথমিক স্তরের বাংলা ভাষা শিক্ষার দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক বেইজলাইন রিপোর্ট শেয়ারিং’ সভায় প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, যুগোপযোগী, দক্ষতাভিত্তিক ও বাস্তবমুখী নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নে কাজ করছে, যা ২০২৮ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইভিত্তিক শিক্ষা নয়; বরং নেতৃত্ব, নাগরিক দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে বিশ্বমানের নেতৃত্বে গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী প্রজন্মকে দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে এবং সরকার দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিকর মিড-ডে মিল চালুর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নতুন কারিকুলামে শিশুদের শুধু অ্যাকাডেমিক শিক্ষা নয়, বরং বাস্তবজীবনভিত্তিক দক্ষতা শেখানো হবে। শিক্ষার্থীরা শিখবে কীভাবে ভালো নাগরিক হতে হয়, কীভাবে নিজের স্কুল, ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হয় এবং সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করতে হয়। শিশুদের বয়স আনন্দের মাধ্যমে শেখার। তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ বা বড় বড় বই চাপিয়ে দেওয়ার সময় নয়। নতুন কারিকুলাম এমনভাবে সাজানো হবে যাতে শিশুরা গল্প, সৃজনশীলতা ও আনন্দের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজ আমি শুধু গার্ল গাইডসদের মাঝে নেই, আমি আগামী বাংলাদেশের নেতাদের মাঝে আছি। আপনারাই ভবিষ্যতে দেশকে নেতৃত্ব দেবেন। আমরা এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে চাই, যারা শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে।
অনুষ্ঠানে নীলকমল অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, সারা দেশ থেকে মোট ৫৭ জন হলদে পাখি সদস্যকে নীল কমল অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অর্জন দেশের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করবে।
বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার কাজী জেবুন্নেছা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গার্ল গাইডস্ নেতা, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।