ক্রীড়া প্রতিবেদক

১৯৮৭ সালের ২৪ জুন মধ্যরাত। ঘুমে কাতর সান্তা ফে শহরের ইতালিয়ানো হাসপাতালের দশ নম্বর রুমে জন্ম লিও। মাত্র ৫ বছর বয়সেই গ্রান্দোলি নামক লোকাল ক্লাবের হয়ে খেলা শুরু করেন মেসি, যার কোচ ছিল তারই বাবা হোর্হে। ৮ বছর বয়সে ঠিকানা হয় স্থানীয় ক্লাব 'নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজ'। সব ঠিকঠাকই চলছিল!
কিন্তু বিধি বাম! মেসির বয়স যখন ১১, তখন তার শরীরে গ্রোথ হরমোনের সমস্যা দেখা দেয়। বড় তো হচ্ছিলেন তিনি, কিন্তু বেড়ে উঠছিলেন না! রিভার প্লেট তখন মেসির দিকে পাখির চোখ করলেও, ব্যয়বহুল এই চিকিৎসার খরচ দিতে নারাজ তারা! তখন পর্দায় হাজির বার্সেলোনার তৎকালীন ক্রীড়া পরিচালক কার্লোস রেক্সাস। এই ভদ্রলোক আমাদের কাছ থেকেই একটা ধন্যবাদ আশা করতেই পারেন! মেসির বাবার সাথে পেপার ন্যাপকিনে করা তার একটি চুক্তিই তো বদলে দিয়েছে আমাদের ফুটবল ধ্যান, জ্ঞান আর ভালোবাসার সংজ্ঞায়ন! কিংবা আরেকটু সাহস করে বলা যায়, পুরো ফুটবল খেলাটাই!
এরপরের গল্পটা শুধুই মায়াজাল বোনার। ন্যু ক্যাম্পের সবুজ ঘাসে বল পায়ে মেসির সেই চিতা বাঘের মতো গতি, ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে চোখের পলকে বল জালে জড়ানো, আর গোল করে দুই হাত উঁচিয়ে আকাশের দিকে তাকানো, এই দৃশ্যগুলো ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরতরে খোদাই হয়ে গেছে।
বার্সেলোনার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমি থেকে উঠে এসে মেসি শুধু ক্লাব ইতিহাসই বদলে দেননি, বদলে দিয়েছেন আধুনিক ফুটবলের সংজ্ঞাও। ড্রিবলিং, গোল করার ক্ষমতা, অসাধারণ পাসিং এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিরল দক্ষতায় তিনি হয়ে ওঠেন ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তি।
নিজের ক্যারিয়ারে তিনি জিতেছেন অসংখ্য শিরোপা, ব্যালন ডি'অর, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, লা লিগা এবং কোপা আমেরিকা। তবে ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের মধ্য দিয়ে পূর্ণতা পায় তার দীর্ঘ ফুটবল যাত্রা। আর্জেন্টিনার স্বপ্ন পূরণ করে তিনি নিজেকে স্থাপন করেন ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ও প্রভাবশালী ফুটবলারদের কাতারে।
মেসির গল্প কেবল ট্রফি আর রেকর্ডের নয়। এটি স্বপ্ন দেখার গল্প, হাল না ছাড়ার গল্প, প্রতিকূলতাকে জয় করার গল্প। রোজারিওর সেই ছোট্ট ছেলেটি আজ বিশ্বের কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা।
জন্মদিনে ফুটবল বিশ্বের পক্ষ থেকে লিওনেল মেসির প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা।
শুভ জন্মদিন, লিওনেল মেসি!
শুভ জন্মদিন, দ্য লিটল বয় ফ্রম রোজারিও!

১৯৮৭ সালের ২৪ জুন মধ্যরাত। ঘুমে কাতর সান্তা ফে শহরের ইতালিয়ানো হাসপাতালের দশ নম্বর রুমে জন্ম লিও। মাত্র ৫ বছর বয়সেই গ্রান্দোলি নামক লোকাল ক্লাবের হয়ে খেলা শুরু করেন মেসি, যার কোচ ছিল তারই বাবা হোর্হে। ৮ বছর বয়সে ঠিকানা হয় স্থানীয় ক্লাব 'নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজ'। সব ঠিকঠাকই চলছিল!
কিন্তু বিধি বাম! মেসির বয়স যখন ১১, তখন তার শরীরে গ্রোথ হরমোনের সমস্যা দেখা দেয়। বড় তো হচ্ছিলেন তিনি, কিন্তু বেড়ে উঠছিলেন না! রিভার প্লেট তখন মেসির দিকে পাখির চোখ করলেও, ব্যয়বহুল এই চিকিৎসার খরচ দিতে নারাজ তারা! তখন পর্দায় হাজির বার্সেলোনার তৎকালীন ক্রীড়া পরিচালক কার্লোস রেক্সাস। এই ভদ্রলোক আমাদের কাছ থেকেই একটা ধন্যবাদ আশা করতেই পারেন! মেসির বাবার সাথে পেপার ন্যাপকিনে করা তার একটি চুক্তিই তো বদলে দিয়েছে আমাদের ফুটবল ধ্যান, জ্ঞান আর ভালোবাসার সংজ্ঞায়ন! কিংবা আরেকটু সাহস করে বলা যায়, পুরো ফুটবল খেলাটাই!
এরপরের গল্পটা শুধুই মায়াজাল বোনার। ন্যু ক্যাম্পের সবুজ ঘাসে বল পায়ে মেসির সেই চিতা বাঘের মতো গতি, ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে চোখের পলকে বল জালে জড়ানো, আর গোল করে দুই হাত উঁচিয়ে আকাশের দিকে তাকানো, এই দৃশ্যগুলো ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরতরে খোদাই হয়ে গেছে।
বার্সেলোনার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমি থেকে উঠে এসে মেসি শুধু ক্লাব ইতিহাসই বদলে দেননি, বদলে দিয়েছেন আধুনিক ফুটবলের সংজ্ঞাও। ড্রিবলিং, গোল করার ক্ষমতা, অসাধারণ পাসিং এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিরল দক্ষতায় তিনি হয়ে ওঠেন ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তি।
নিজের ক্যারিয়ারে তিনি জিতেছেন অসংখ্য শিরোপা, ব্যালন ডি'অর, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, লা লিগা এবং কোপা আমেরিকা। তবে ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের মধ্য দিয়ে পূর্ণতা পায় তার দীর্ঘ ফুটবল যাত্রা। আর্জেন্টিনার স্বপ্ন পূরণ করে তিনি নিজেকে স্থাপন করেন ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ও প্রভাবশালী ফুটবলারদের কাতারে।
মেসির গল্প কেবল ট্রফি আর রেকর্ডের নয়। এটি স্বপ্ন দেখার গল্প, হাল না ছাড়ার গল্প, প্রতিকূলতাকে জয় করার গল্প। রোজারিওর সেই ছোট্ট ছেলেটি আজ বিশ্বের কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা।
জন্মদিনে ফুটবল বিশ্বের পক্ষ থেকে লিওনেল মেসির প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা।
শুভ জন্মদিন, লিওনেল মেসি!
শুভ জন্মদিন, দ্য লিটল বয় ফ্রম রোজারিও!