• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> তথ্য প্রযুক্তি

এবার জীবন বাঁচাবে মেটা এআই

বার্তা যাবে অভিভাবকের ফোনে

আমার শহর লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬, ১৮: ৪৫
logo

এবার জীবন বাঁচাবে মেটা এআই

আমার শহর লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬, ১৮: ৪৫
Photo

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া বা তথ্য খোঁজার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ধীরে ধীরে এটি মানুষের ব্যক্তিগত কথোপকথনেরও অংশ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে অনেক কিশোর-কিশোরী মানসিক চাপ, একাকিত্ব বা ব্যক্তিগত সংকটের সময় এআই চ্যাটবটের সঙ্গে নিজের অনুভূতি ভাগ করে নেয়। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে নতুন একটি ফিচার নিয়ে কাজ করছে মেটা।

প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, যদি কোনো কিশোর বা কিশোরী মেটা এআই-এর সঙ্গে কথোপকথনে আত্মহত্যা, আত্মক্ষতি বা জীবন শেষ করে দেওয়ার মতো গুরুতর বিষয় নিয়ে আলোচনা করে, তাহলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তার অভিভাবকদের সতর্ক করা হতে পারে। তবে এই ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় হবে না।

মেটা জানিয়েছে, এআই নিজে থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে না। সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ কথোপকথন প্রথমে এআই শনাক্ত করবে, এরপর সেটি মানব পর্যালোচকদের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। যথেষ্ট প্রমাণ বা ঝুঁকির ইঙ্গিত মিললেই কেবল অভিভাবকদের কাছে সতর্কবার্তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংস্থার দাবি, এই প্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া নয়; বরং সংকটে থাকা কিশোর-কিশোরীদের দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তার আওতায় আনা। শুধু অভিভাবকদের সতর্ক করাই নয়, আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও কাজ করছে মেটা।

কোনো ব্যবহারকারী যদি তাৎক্ষণিক আত্মহত্যার ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে শক্তিশালী ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তাহলে প্রয়োজন হলে জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাকেও অবহিত করার সুযোগ রাখা হবে। এই নীতিটি শুধু অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না।

প্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রেও যদি এআই-এর সঙ্গে কথোপকথনে তাৎক্ষণিক আত্মহত্যার ঝুঁকির ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তাহলে পরিস্থিতি অনুযায়ী জরুরি সহায়তা সক্রিয় করার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। বর্তমানে এই নিরাপত্তা ফিচার পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। শুরুতে সীমিত কয়েকটি দেশে এটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরীক্ষার ফল সন্তোষজনক হলে ধাপে ধাপে অন্যান্য দেশেও ফিচারটি চালু করা হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে এআই চ্যাটবট মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে।

অনেকেই মানসিক চাপ, উদ্বেগ কিংবা ব্যক্তিগত সমস্যার কথা প্রথমে এআই-এর কাছেই প্রকাশ করছেন। ফলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ব্যবহারকারীদের মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বও বাড়ছে। সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই মেটা এআই-তে এই নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মেটার মতে, প্রযুক্তির উদ্দেশ্য শুধু তথ্য দেওয়া নয়, প্রয়োজনের মুহূর্তে ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই এআই-ভিত্তিক এই নতুন ব্যবস্থা ভবিষ্যতে সংকটাপন্ন ব্যবহারকারীদের দ্রুত সহায়তা পাওয়ার পথ সহজ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Thumbnail image

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া বা তথ্য খোঁজার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ধীরে ধীরে এটি মানুষের ব্যক্তিগত কথোপকথনেরও অংশ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে অনেক কিশোর-কিশোরী মানসিক চাপ, একাকিত্ব বা ব্যক্তিগত সংকটের সময় এআই চ্যাটবটের সঙ্গে নিজের অনুভূতি ভাগ করে নেয়। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে নতুন একটি ফিচার নিয়ে কাজ করছে মেটা।

প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, যদি কোনো কিশোর বা কিশোরী মেটা এআই-এর সঙ্গে কথোপকথনে আত্মহত্যা, আত্মক্ষতি বা জীবন শেষ করে দেওয়ার মতো গুরুতর বিষয় নিয়ে আলোচনা করে, তাহলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তার অভিভাবকদের সতর্ক করা হতে পারে। তবে এই ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় হবে না।

মেটা জানিয়েছে, এআই নিজে থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে না। সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ কথোপকথন প্রথমে এআই শনাক্ত করবে, এরপর সেটি মানব পর্যালোচকদের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। যথেষ্ট প্রমাণ বা ঝুঁকির ইঙ্গিত মিললেই কেবল অভিভাবকদের কাছে সতর্কবার্তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংস্থার দাবি, এই প্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া নয়; বরং সংকটে থাকা কিশোর-কিশোরীদের দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তার আওতায় আনা। শুধু অভিভাবকদের সতর্ক করাই নয়, আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও কাজ করছে মেটা।

কোনো ব্যবহারকারী যদি তাৎক্ষণিক আত্মহত্যার ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে শক্তিশালী ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তাহলে প্রয়োজন হলে জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাকেও অবহিত করার সুযোগ রাখা হবে। এই নীতিটি শুধু অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না।

প্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রেও যদি এআই-এর সঙ্গে কথোপকথনে তাৎক্ষণিক আত্মহত্যার ঝুঁকির ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তাহলে পরিস্থিতি অনুযায়ী জরুরি সহায়তা সক্রিয় করার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। বর্তমানে এই নিরাপত্তা ফিচার পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। শুরুতে সীমিত কয়েকটি দেশে এটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরীক্ষার ফল সন্তোষজনক হলে ধাপে ধাপে অন্যান্য দেশেও ফিচারটি চালু করা হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে এআই চ্যাটবট মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে।

অনেকেই মানসিক চাপ, উদ্বেগ কিংবা ব্যক্তিগত সমস্যার কথা প্রথমে এআই-এর কাছেই প্রকাশ করছেন। ফলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ব্যবহারকারীদের মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বও বাড়ছে। সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই মেটা এআই-তে এই নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মেটার মতে, প্রযুক্তির উদ্দেশ্য শুধু তথ্য দেওয়া নয়, প্রয়োজনের মুহূর্তে ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই এআই-ভিত্তিক এই নতুন ব্যবস্থা ভবিষ্যতে সংকটাপন্ন ব্যবহারকারীদের দ্রুত সহায়তা পাওয়ার পথ সহজ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

এক ফোনেই একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চালাবেন যেভাবে

২

এবার জীবন বাঁচাবে মেটা এআই

সম্পর্কিত

এক ফোনেই একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চালাবেন যেভাবে

এক ফোনেই একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চালাবেন যেভাবে

২৪ জুলাই ২০২৬