• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> জীবনযাপন

রেজাল্ট খারাপ হলে যেভাবে সান্ত্বনা দেবেন

আমার শহর লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৮: ০০
logo

রেজাল্ট খারাপ হলে যেভাবে সান্ত্বনা দেবেন

আমার শহর লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৮: ০০
Photo

আজ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। কারো ফল প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হয়েছে, কেউ হয়তো আশানুরূপ ফল পাননি।

ভালো ফলের আনন্দ যেমন আছে, তেমনি খারাপ ফলের কারণে অনেক শিক্ষার্থীর মনও খারাপ হতে পারে। তবে একটি পরীক্ষার ফলই জীবনের শেষ কথা নয়। জীবনে এগিয়ে যাওয়ার পথ একাধিক, আর একটি ফলাফল দিয়ে কারো মেধা, যোগ্যতা কিংবা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যায় না।

ফল খারাপ মানেই সব শেষ নয়

একসময় পরীক্ষায় খারাপ ফল করলে অনেক শিক্ষার্থীকে নানা ধরনের কথা শুনতে হতো।

কেউ ঠাট্টা করে বলতেন, ফেল করলে রিকশা কিনে দেওয়া হবে, কেউ আবার মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়ার কথা বলতেন। এমন মন্তব্য হয়তো একসময় হাসি-তামাশা হিসেবে করা হতো, কিন্তু তা শিক্ষার্থীর মনে কতটা চাপ তৈরি করতে পারে, সেটিও ভাবা জরুরি। সময় বদলেছে, বদলেছে জীবনের বাস্তবতাও। এখন একটি পরীক্ষার ফল খারাপ হলেই কারো জীবনের পথ বন্ধ হয়ে যায় না।

তাই পুরনো ধ্যানধারণা থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন।

আগে শুনুন, পরে পরামর্শ দিন

ফল খারাপ হলে অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েন। এ সময় তাদের ওপর প্রশ্নের চাপ না বাড়িয়ে মন দিয়ে কথা শুনুন। কেন এমন ফল হলো, কোথায় ভুল হয়েছে—এসব নিয়ে তাৎক্ষণিক জবাবদিহি চাইবেন না। বরং তাকে নিজের অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ দিন।

বলতে পারেন, ‘তোমার মন খারাপ হওয়াটা স্বাভাবিক। একটু সময় নাও, আমরা পরে একসঙ্গে পরবর্তী প্ল্যান ঠিক করব।’

অন্যের সঙ্গে তুলনা নয়

বন্ধু, ভাইবোন কিংবা পরিচিত কারও ভালো ফলের উদাহরণ দিয়ে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। ‘ও পারলে তুমি পারলে না কেন?’—এ ধরনের প্রশ্ন হতাশা আরো বাড়াতে পারে। প্রত্যেকের শেখার ধরন, পরিস্থিতি ও সক্ষমতা আলাদা। তাই তুলনা না করে শিক্ষার্থীর নিজের চেষ্টা ও আগ্রহকে গুরুত্ব দিন।

পরিবারের সমর্থন সবচেয়ে জরুরি

এমন সময়ে মা-বাবা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের কেউ যদি ফল খারাপ হওয়ার কারণে বকাঝকা করেন, অপমান করেন কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় দেখান, তাহলে শিক্ষার্থী আরো একা বোধ করতে পারে। বরং তাকে বোঝাতে হবে, ফল যা-ই হোক, পরিবারের ভালোবাসা ও সমর্থন কমবে না। এখন তার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন কাছের মানুষদের সহযোগিতা ও সাহস।

একটি ফলাফলই ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না

জীবনে সফল হওয়ার জন্য শুধু ভালো জিপিএই একমাত্র শর্ত নয়। পড়াশোনার পাশাপাশি দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, সৃজনশীলতা, পরিশ্রম ও নিজের আগ্রহ অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ারও সুযোগ রয়েছে। কারো হয়তো উচ্চশিক্ষার পথ একটু বদলাতে হবে, কাউকে নতুন করে প্রস্তুতি নিতে হবে। আবার কেউ অন্য কোনো বিষয়ে নিজের আগ্রহ খুঁজে পেতে পারেন। এসবই জীবনের অভিজ্ঞতার অংশ। একটি পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া মানে সামনে আর কোনো সুযোগ নেই, এমন নয়।

এখনই ভবিষ্যৎ নিয়ে চাপ দেবেন না

ফল প্রকাশের দিনই ভর্তি, বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যারিয়ার কিংবা পরবর্তী পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। মন খারাপ কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। এরপর শিক্ষার্থীর আগ্রহ ও পরিস্থিতি বুঝে সম্ভাব্য পথগুলো নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। প্রয়োজনে শিক্ষক বা শিক্ষাসংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

সব শেষে মনে রাখতে হবে, জীবন একটাই; আর এই জীবনে শেখার, ভুল করার এবং নতুন করে শুরু করার অনেক সুযোগ রয়েছে। আজকের ফলাফল হয়তো কারো প্রত্যাশা পূরণ করেনি, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তার সামনে ভালো কিছু অপেক্ষা করছে না। তাই কাছের মানুষদের উচিত দোষারোপ না করে পাশে থাকা, সাহস দেওয়া এবং নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি জোগানো। কারণ ভালো ফলের দিনে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি খারাপ ফলের দিনেও পাশে থাকাটাই প্রকৃত সমর্থন।

Thumbnail image

আজ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। কারো ফল প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হয়েছে, কেউ হয়তো আশানুরূপ ফল পাননি।

ভালো ফলের আনন্দ যেমন আছে, তেমনি খারাপ ফলের কারণে অনেক শিক্ষার্থীর মনও খারাপ হতে পারে। তবে একটি পরীক্ষার ফলই জীবনের শেষ কথা নয়। জীবনে এগিয়ে যাওয়ার পথ একাধিক, আর একটি ফলাফল দিয়ে কারো মেধা, যোগ্যতা কিংবা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যায় না।

ফল খারাপ মানেই সব শেষ নয়

একসময় পরীক্ষায় খারাপ ফল করলে অনেক শিক্ষার্থীকে নানা ধরনের কথা শুনতে হতো।

কেউ ঠাট্টা করে বলতেন, ফেল করলে রিকশা কিনে দেওয়া হবে, কেউ আবার মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়ার কথা বলতেন। এমন মন্তব্য হয়তো একসময় হাসি-তামাশা হিসেবে করা হতো, কিন্তু তা শিক্ষার্থীর মনে কতটা চাপ তৈরি করতে পারে, সেটিও ভাবা জরুরি। সময় বদলেছে, বদলেছে জীবনের বাস্তবতাও। এখন একটি পরীক্ষার ফল খারাপ হলেই কারো জীবনের পথ বন্ধ হয়ে যায় না।

তাই পুরনো ধ্যানধারণা থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন।

আগে শুনুন, পরে পরামর্শ দিন

ফল খারাপ হলে অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েন। এ সময় তাদের ওপর প্রশ্নের চাপ না বাড়িয়ে মন দিয়ে কথা শুনুন। কেন এমন ফল হলো, কোথায় ভুল হয়েছে—এসব নিয়ে তাৎক্ষণিক জবাবদিহি চাইবেন না। বরং তাকে নিজের অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ দিন।

বলতে পারেন, ‘তোমার মন খারাপ হওয়াটা স্বাভাবিক। একটু সময় নাও, আমরা পরে একসঙ্গে পরবর্তী প্ল্যান ঠিক করব।’

অন্যের সঙ্গে তুলনা নয়

বন্ধু, ভাইবোন কিংবা পরিচিত কারও ভালো ফলের উদাহরণ দিয়ে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। ‘ও পারলে তুমি পারলে না কেন?’—এ ধরনের প্রশ্ন হতাশা আরো বাড়াতে পারে। প্রত্যেকের শেখার ধরন, পরিস্থিতি ও সক্ষমতা আলাদা। তাই তুলনা না করে শিক্ষার্থীর নিজের চেষ্টা ও আগ্রহকে গুরুত্ব দিন।

পরিবারের সমর্থন সবচেয়ে জরুরি

এমন সময়ে মা-বাবা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের কেউ যদি ফল খারাপ হওয়ার কারণে বকাঝকা করেন, অপমান করেন কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় দেখান, তাহলে শিক্ষার্থী আরো একা বোধ করতে পারে। বরং তাকে বোঝাতে হবে, ফল যা-ই হোক, পরিবারের ভালোবাসা ও সমর্থন কমবে না। এখন তার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন কাছের মানুষদের সহযোগিতা ও সাহস।

একটি ফলাফলই ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না

জীবনে সফল হওয়ার জন্য শুধু ভালো জিপিএই একমাত্র শর্ত নয়। পড়াশোনার পাশাপাশি দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, সৃজনশীলতা, পরিশ্রম ও নিজের আগ্রহ অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ারও সুযোগ রয়েছে। কারো হয়তো উচ্চশিক্ষার পথ একটু বদলাতে হবে, কাউকে নতুন করে প্রস্তুতি নিতে হবে। আবার কেউ অন্য কোনো বিষয়ে নিজের আগ্রহ খুঁজে পেতে পারেন। এসবই জীবনের অভিজ্ঞতার অংশ। একটি পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া মানে সামনে আর কোনো সুযোগ নেই, এমন নয়।

এখনই ভবিষ্যৎ নিয়ে চাপ দেবেন না

ফল প্রকাশের দিনই ভর্তি, বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যারিয়ার কিংবা পরবর্তী পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। মন খারাপ কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। এরপর শিক্ষার্থীর আগ্রহ ও পরিস্থিতি বুঝে সম্ভাব্য পথগুলো নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। প্রয়োজনে শিক্ষক বা শিক্ষাসংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

সব শেষে মনে রাখতে হবে, জীবন একটাই; আর এই জীবনে শেখার, ভুল করার এবং নতুন করে শুরু করার অনেক সুযোগ রয়েছে। আজকের ফলাফল হয়তো কারো প্রত্যাশা পূরণ করেনি, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তার সামনে ভালো কিছু অপেক্ষা করছে না। তাই কাছের মানুষদের উচিত দোষারোপ না করে পাশে থাকা, সাহস দেওয়া এবং নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি জোগানো। কারণ ভালো ফলের দিনে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি খারাপ ফলের দিনেও পাশে থাকাটাই প্রকৃত সমর্থন।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

রেজাল্ট খারাপ হলে যেভাবে সান্ত্বনা দেবেন

২

যে কারণে কান্নার পরে ভালো হয়ে যায় মন

৩

ঘন ঘন ক্ষুধা লাগা কি কোনো রোগের লক্ষণ? জানুন কারণ

৪

সাময়িক ব্লক করা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ফের চালু করছে মেটা

৫

বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে ফেসবুকে

সম্পর্কিত

যে কারণে কান্নার পরে ভালো হয়ে যায় মন

যে কারণে কান্নার পরে ভালো হয়ে যায় মন

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঘন ঘন ক্ষুধা লাগা কি কোনো রোগের লক্ষণ? জানুন কারণ

ঘন ঘন ক্ষুধা লাগা কি কোনো রোগের লক্ষণ? জানুন কারণ

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাময়িক ব্লক করা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ফের চালু করছে মেটা

সাময়িক ব্লক করা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ফের চালু করছে মেটা

০৭ আগস্ট ২০২৬
বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে ফেসবুকে

বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে ফেসবুকে

১৯ জুন ২০২৬