বিএনপির প্রার্থীর তথ্য গোপনের অভিযোগ নিয়ে বাহাস, হট্টগোল
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ থাকবে তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, প্রশাসন মনে হয় বিএনপির দিকে ঝুঁকে গিয়েছে। প্রশাসনের যে দ্বিচারিতামূলক আচরণ, সেটি নিরপেক্ষ সুষ্ঠু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কতটা হতে পারে -সেটি নিয়ে আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছি।
গতকাল শুক্রবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করেন। যাচাই-বাছাইকালে হাসনাত আবদুল্লাহ ও তাঁর আইনজীবী ওই আসনের বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে অন্তত আধাঘণ্টা বাগ্বিতণ্ডা হয় এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদেরকে নিয়মানুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অভিযোগ করতে বলেন। তবে যাচাই-বাছাই শেষে দুইজনেরই মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান।
এ প্রসঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, নির্বাচনে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ থাকবে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। পর্যাপ্ত যুক্তি ও তথ্য থাকার পরেও আমাদের একজন প্রার্থী ব্যাংক ডিফল্টার, তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েও শোধ করেননি। তিনি এই তথ্যটি গোপন করেছেন এবং হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ গোপন করেছেন- এটি ব্যক্তিগত তথ্য গোপনের পর্যায়ে পড়ে। নির্বাচনী বিধিমালয় স্পষ্ট উল্লেখ আছে, যদি কোনো প্রার্থী চাহিদা মোতাবেক তাদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করে-তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে। প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করার পরও সেখানে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ আচরণ করতে পেরেছে তা প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা প্রত্যাশা করি, কিন্তু মনে হয় প্রশাসন বিএনপ'র দিকে ঝুঁকে পড়েছে। সহজ কথা।
তবে যাচাই-বাছাই শেষে হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী দুইজনই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

নির্বাচনে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ থাকবে তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, প্রশাসন মনে হয় বিএনপির দিকে ঝুঁকে গিয়েছে। প্রশাসনের যে দ্বিচারিতামূলক আচরণ, সেটি নিরপেক্ষ সুষ্ঠু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কতটা হতে পারে -সেটি নিয়ে আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছি।
গতকাল শুক্রবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করেন। যাচাই-বাছাইকালে হাসনাত আবদুল্লাহ ও তাঁর আইনজীবী ওই আসনের বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে অন্তত আধাঘণ্টা বাগ্বিতণ্ডা হয় এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদেরকে নিয়মানুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অভিযোগ করতে বলেন। তবে যাচাই-বাছাই শেষে দুইজনেরই মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান।
এ প্রসঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, নির্বাচনে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ থাকবে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। পর্যাপ্ত যুক্তি ও তথ্য থাকার পরেও আমাদের একজন প্রার্থী ব্যাংক ডিফল্টার, তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েও শোধ করেননি। তিনি এই তথ্যটি গোপন করেছেন এবং হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ গোপন করেছেন- এটি ব্যক্তিগত তথ্য গোপনের পর্যায়ে পড়ে। নির্বাচনী বিধিমালয় স্পষ্ট উল্লেখ আছে, যদি কোনো প্রার্থী চাহিদা মোতাবেক তাদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করে-তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে। প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করার পরও সেখানে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ আচরণ করতে পেরেছে তা প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা প্রত্যাশা করি, কিন্তু মনে হয় প্রশাসন বিএনপ'র দিকে ঝুঁকে পড়েছে। সহজ কথা।
তবে যাচাই-বাছাই শেষে হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী দুইজনই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।