নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা জেলার বিএনপির সাতজন সংসদ সদস্যকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান তাঁদের অনুসারীরা। ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁদের পক্ষে প্রচারণা শুরু হয়েছে। অনেক ভক্ত পছন্দের এমপির মন্ত্রণালয়ের নামও লিখছেন। আবার কেউ কেউ এ নিয়ে বাৎচিতও করছেন।
যাঁদের মন্ত্রী হিসেবে পেতে চান তাঁরা হলেন, কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনে বিএনপির অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির মো. জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস) আসনে মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৮(বরুড়া) আসনে বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মো. আবুল কালাম।
এর মধ্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন আগে জ্বালানী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। কায়কোবাদ এরশাদের শাসনামলে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। মনিরুল হক চৌধুরী হুইপ ছিলেন।
অপর চারজনের মধ্যে জাকারিয়া তাহের সুমন সিনিয়র সংসদ সদস্য। তিনি ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন।
এর বাইরে সাবেক দুইজন সংসদ সদস্যকে মন্ত্রী হিসেবে পেতে চান তাঁদের অনুসারীরা। এর মধ্যে একজন ইতিমধ্যে গুলশান কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন। এছাড়া সংসদ সদস্যের বাইরে কুমিল্লার আরও একজনের নাম আলোচনায় আছে। আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে এমপিদের শপথ অনুষ্ঠান। এরপর মন্ত্রী হওয়ার জন্য ডাক আসবে। বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান হবে। সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে মন্ত্রীদের জন্য গাড়ি প্রস্তুত রয়েছে।
জানতে চাইলে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্ধারণ করবেন কে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, চিফ হুইপ ও হুইপ হবেন। দায়িত্ব দিলে কাজ করব। দেশ ও দলকে শেষ পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত আছি।

কুমিল্লা জেলার বিএনপির সাতজন সংসদ সদস্যকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান তাঁদের অনুসারীরা। ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁদের পক্ষে প্রচারণা শুরু হয়েছে। অনেক ভক্ত পছন্দের এমপির মন্ত্রণালয়ের নামও লিখছেন। আবার কেউ কেউ এ নিয়ে বাৎচিতও করছেন।
যাঁদের মন্ত্রী হিসেবে পেতে চান তাঁরা হলেন, কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনে বিএনপির অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির মো. জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস) আসনে মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৮(বরুড়া) আসনে বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মো. আবুল কালাম।
এর মধ্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন আগে জ্বালানী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। কায়কোবাদ এরশাদের শাসনামলে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। মনিরুল হক চৌধুরী হুইপ ছিলেন।
অপর চারজনের মধ্যে জাকারিয়া তাহের সুমন সিনিয়র সংসদ সদস্য। তিনি ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন।
এর বাইরে সাবেক দুইজন সংসদ সদস্যকে মন্ত্রী হিসেবে পেতে চান তাঁদের অনুসারীরা। এর মধ্যে একজন ইতিমধ্যে গুলশান কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন। এছাড়া সংসদ সদস্যের বাইরে কুমিল্লার আরও একজনের নাম আলোচনায় আছে। আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে এমপিদের শপথ অনুষ্ঠান। এরপর মন্ত্রী হওয়ার জন্য ডাক আসবে। বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান হবে। সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে মন্ত্রীদের জন্য গাড়ি প্রস্তুত রয়েছে।
জানতে চাইলে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্ধারণ করবেন কে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, চিফ হুইপ ও হুইপ হবেন। দায়িত্ব দিলে কাজ করব। দেশ ও দলকে শেষ পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত আছি।