পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা
স্বর্গ রায়

বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজার পুণ্যলগ্ন শুভ মহালয়া আজ শনিবার। আজ থেকেই শারদীয় দুর্গোৎসবের ক্ষণ গণনা শুরু। ভোরের আলো ফুটে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পিতৃপক্ষ শেষে শুরু হয়েছে দেবীপক্ষ। মহালয়া মানেই পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনা।
আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষ তিথিকে বলা হয় ‘দেবীপক্ষ’। এর আগের কৃষ্ণপক্ষকে পিতৃপক্ষ বলা হয়। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, এদিন কৈলাসের শ্বশুরালয় ছেড়ে সন্তানদের নিয়ে পৃথিবীতে আসেন দেবী দুর্গা। তখন থেকেই মণ্ডপে দুর্গাপূজার ক্ষণ গণনা শুরু হয়।
পুরাণমতে, এদিন দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে। এদিন থেকেই দুর্গাপূজার দিন গণনা শুরু হয়। মহালয়া মানেই আর ছয় দিনের প্রতীক্ষা মায়ের পূজার। এই দিনেই দেবীর চক্ষুদান করা হয়।
এদিন অমাবস্যার শুরু এবং পরবর্তী পূর্ণিমায় কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার মধ্য দিয়ে শেষ হয় দেবীপক্ষ। মহালয়ার ছয় দিন পর ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীতে শুরু হয় মূল দুর্গোৎসব।
ষষ্ঠীপূজার মাধ্যমে দুর্গাপূজা শুরু হলেও মূলত আজ থেকেই দুর্গাপূজার আনন্দধ্বনি শোনা যাবে। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে উৎসবের।
মহালয়ার ভোর থেকেই শুরু হয় পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ করা। সনাতন ধর্মে বলা হয়, পিতৃপক্ষে প্রয়াত আত্মারা স্বর্গ থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। মৃত আত্মীয়পরিজন ও পূর্বপুরুষদের আত্মার মঙ্গল কামনা করেন অনেকে। পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে জল-তিল-অন্ন উৎসর্গ করে তর্পণ করা হয়।
ভোরে টেলিভিশন, মোবাইল এবং রেডিওতে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জাদুকরী কণ্ঠে ‘মহিষাসুর মর্দিনী’ ও চণ্ডীপাঠ শোনার মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতিতে পূজার আমেজ শুরু হয়। সাধারণ মানুষের কাছে মহালয়া মানেই ভোরের ঘুম থেকে জেগে ওই সুরেলা বাণী শোনা।
মহালয়া উপলক্ষে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন মন্দিরে আজ ভোর থেকেই শ্রীশ্রী চণ্ডীপাঠসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এছাড়াও কুমিল্লার কাত্যায়নী কালীবাড়ি, রাজরাজেশ্বরী কালী মন্দির, চণ্ডীমুড়া মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, কালীতলা কালী মন্দিরসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভোর থেকেই মহালয়ার ঘট স্থাপন করা হবে।
পূজার এই সূচনার দিনটি সারা দেশে আড়ম্বরের সঙ্গে উদ্যাপিত হবে।

বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজার পুণ্যলগ্ন শুভ মহালয়া আজ শনিবার। আজ থেকেই শারদীয় দুর্গোৎসবের ক্ষণ গণনা শুরু। ভোরের আলো ফুটে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পিতৃপক্ষ শেষে শুরু হয়েছে দেবীপক্ষ। মহালয়া মানেই পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনা।
আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষ তিথিকে বলা হয় ‘দেবীপক্ষ’। এর আগের কৃষ্ণপক্ষকে পিতৃপক্ষ বলা হয়। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, এদিন কৈলাসের শ্বশুরালয় ছেড়ে সন্তানদের নিয়ে পৃথিবীতে আসেন দেবী দুর্গা। তখন থেকেই মণ্ডপে দুর্গাপূজার ক্ষণ গণনা শুরু হয়।
পুরাণমতে, এদিন দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে। এদিন থেকেই দুর্গাপূজার দিন গণনা শুরু হয়। মহালয়া মানেই আর ছয় দিনের প্রতীক্ষা মায়ের পূজার। এই দিনেই দেবীর চক্ষুদান করা হয়।
এদিন অমাবস্যার শুরু এবং পরবর্তী পূর্ণিমায় কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার মধ্য দিয়ে শেষ হয় দেবীপক্ষ। মহালয়ার ছয় দিন পর ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীতে শুরু হয় মূল দুর্গোৎসব।
ষষ্ঠীপূজার মাধ্যমে দুর্গাপূজা শুরু হলেও মূলত আজ থেকেই দুর্গাপূজার আনন্দধ্বনি শোনা যাবে। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে উৎসবের।
মহালয়ার ভোর থেকেই শুরু হয় পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ করা। সনাতন ধর্মে বলা হয়, পিতৃপক্ষে প্রয়াত আত্মারা স্বর্গ থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। মৃত আত্মীয়পরিজন ও পূর্বপুরুষদের আত্মার মঙ্গল কামনা করেন অনেকে। পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে জল-তিল-অন্ন উৎসর্গ করে তর্পণ করা হয়।
ভোরে টেলিভিশন, মোবাইল এবং রেডিওতে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জাদুকরী কণ্ঠে ‘মহিষাসুর মর্দিনী’ ও চণ্ডীপাঠ শোনার মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতিতে পূজার আমেজ শুরু হয়। সাধারণ মানুষের কাছে মহালয়া মানেই ভোরের ঘুম থেকে জেগে ওই সুরেলা বাণী শোনা।
মহালয়া উপলক্ষে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন মন্দিরে আজ ভোর থেকেই শ্রীশ্রী চণ্ডীপাঠসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এছাড়াও কুমিল্লার কাত্যায়নী কালীবাড়ি, রাজরাজেশ্বরী কালী মন্দির, চণ্ডীমুড়া মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, কালীতলা কালী মন্দিরসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভোর থেকেই মহালয়ার ঘট স্থাপন করা হবে।
পূজার এই সূচনার দিনটি সারা দেশে আড়ম্বরের সঙ্গে উদ্যাপিত হবে।