আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক
১১ জুন থেকে ফিফা বিশ্বকাপ শুরু। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ এই টুর্নামেন্টের এক সপ্তাহ আগে ফিফা উইন্ডো রয়েছে। ওই উইন্ডোতে বাংলাদেশ ইউরোপীয় দেশ সান মারিনোর সঙ্গে ৫ জুন একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে।
আজ মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে সান মারিনোতে খেলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। ভেন্যু ও ম্যাচের সময় পরবর্তীতে জানানো হবে। দিন তিনেক আগে গত শনিবার বাফুফেতে জাতীয় দল কমিটির সভা হয়েছিল। সেই সভা শেষে বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান ও জাতীয় দল কমিটির সদস্য আমিরুল ইসলাম বাবু জুন উইন্ডোতে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড এবং মালদ্বীপে প্রীতি ম্যাচ বা টুর্নামেন্ট খেলার আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছিলেন। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইউরোপের দেশ সান মারিনোর সঙ্গে খেলা চূড়ান্ত হয়েছে।
বাফুফের সভায় আলোচনা ও ব্রিফ হয় এক রকম, সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রম হয় অন্য রকম। এটি অবশ্য নতুন কিছু নয়। সান মারিনো ইতালির নিকটবর্তী ছোট এক দেশ। ইউরোপের দেশ হলেও তাদের ফিফা র্যাংকিং ২১১। বর্তমানে ফুটবলে সক্রিয় দেশের মধ্যে সবচেয়ে নিম্ন।
হামজা-জামালদের র্যাঙ্কিং এখন ১৮১তম। ইউরোপে খেলার স্বাদ নিতে গিয়ে ৩০ ধাপ নিচে এবং র্যাঙ্কিংয়ের সবচেয়ে নি¤œ দলের সঙ্গে খেলবে বাংলাদেশ। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল জাতীয় ফুটবল দলের ইউরোপের সফর বা ম্যাচ খেলার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন। ইউরোপ সফরের ব্যয় ও ৩০ ধাপ নিচের দলের বিপক্ষে খেলে র্যাঙ্কিংয়ে প্রভাব কতটুকু কার্যকর হয় সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
বাফুফে প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও ফেসবুক পেজে সান মারিনোর বিপক্ষে খেলাকে ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বাংলাদেশ ফুটবল দলের প্রথম ইউরোপের ম্যাচ হিসেবে। অথচ ২০০০ সালে বাংলাদেশ দল ইংল্যান্ডের লন্ডনে ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলেছিল। সেই দৃষ্টিতে বাংলাদেশের দলের এটাই প্রথম সফর হওয়ার কথা নয়। ইউরোপে প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর নিয়ে খানিকটা তর্ক-বিতর্ক থাকলেও এটা নিশ্চিত যে, ইউরোপিয়ান দেশের বিপক্ষে এটাই বাংলাদেশের প্রথম আনুষ্ঠানিক ম্যাচ হচ্ছে।
১১ জুন থেকে ফিফা বিশ্বকাপ শুরু। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ এই টুর্নামেন্টের এক সপ্তাহ আগে ফিফা উইন্ডো রয়েছে। ওই উইন্ডোতে বাংলাদেশ ইউরোপীয় দেশ সান মারিনোর সঙ্গে ৫ জুন একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে।
আজ মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে সান মারিনোতে খেলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। ভেন্যু ও ম্যাচের সময় পরবর্তীতে জানানো হবে। দিন তিনেক আগে গত শনিবার বাফুফেতে জাতীয় দল কমিটির সভা হয়েছিল। সেই সভা শেষে বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান ও জাতীয় দল কমিটির সদস্য আমিরুল ইসলাম বাবু জুন উইন্ডোতে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড এবং মালদ্বীপে প্রীতি ম্যাচ বা টুর্নামেন্ট খেলার আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছিলেন। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইউরোপের দেশ সান মারিনোর সঙ্গে খেলা চূড়ান্ত হয়েছে।
বাফুফের সভায় আলোচনা ও ব্রিফ হয় এক রকম, সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রম হয় অন্য রকম। এটি অবশ্য নতুন কিছু নয়। সান মারিনো ইতালির নিকটবর্তী ছোট এক দেশ। ইউরোপের দেশ হলেও তাদের ফিফা র্যাংকিং ২১১। বর্তমানে ফুটবলে সক্রিয় দেশের মধ্যে সবচেয়ে নিম্ন।
হামজা-জামালদের র্যাঙ্কিং এখন ১৮১তম। ইউরোপে খেলার স্বাদ নিতে গিয়ে ৩০ ধাপ নিচে এবং র্যাঙ্কিংয়ের সবচেয়ে নি¤œ দলের সঙ্গে খেলবে বাংলাদেশ। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল জাতীয় ফুটবল দলের ইউরোপের সফর বা ম্যাচ খেলার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন। ইউরোপ সফরের ব্যয় ও ৩০ ধাপ নিচের দলের বিপক্ষে খেলে র্যাঙ্কিংয়ে প্রভাব কতটুকু কার্যকর হয় সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
বাফুফে প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও ফেসবুক পেজে সান মারিনোর বিপক্ষে খেলাকে ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বাংলাদেশ ফুটবল দলের প্রথম ইউরোপের ম্যাচ হিসেবে। অথচ ২০০০ সালে বাংলাদেশ দল ইংল্যান্ডের লন্ডনে ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলেছিল। সেই দৃষ্টিতে বাংলাদেশের দলের এটাই প্রথম সফর হওয়ার কথা নয়। ইউরোপে প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর নিয়ে খানিকটা তর্ক-বিতর্ক থাকলেও এটা নিশ্চিত যে, ইউরোপিয়ান দেশের বিপক্ষে এটাই বাংলাদেশের প্রথম আনুষ্ঠানিক ম্যাচ হচ্ছে।