আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার মাত্র তিন মাস আগে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ইংল্যান্ডের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার কাইল ওয়াকার। গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৯৬টি ম্যাচ খেলেছেন ওয়াকার। অবসরের ঘোষণা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ইংল্যান্ডের জার্সিতে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারা তার জন্য গর্বের বিষয়।
ওয়াকার বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ ছিল না। তবে ইংল্যান্ডের হয়ে যা অর্জন করেছি, তা নিয়ে আমি ভীষণ গর্বিত।’
জাতীয় দলের হয়ে পাঁচটি বড় টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন এই ডিফেন্ডার। তিনি ইউরো ২০২০ ও ইউরো ২০২৪-এ রানারআপ হওয়া ইংল্যান্ড দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনালে ওঠার পথেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
অবসরের ঘোষণা দিতে গিয়ে সতীর্থদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান ওয়াকার।
তিনি বলেন, জাতীয় দলের হয়ে একসঙ্গে কাটানো সময়গুলো সব সময় তার কাছে বিশেষ হয়ে থাকবে।
সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সব সময় দলের পাশে থাকবেন। আপনাদের সমর্থনই খেলোয়াড়দের দেশের জন্য গর্ব বয়ে আনতে অনুপ্রাণিত করে।’

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার মাত্র তিন মাস আগে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ইংল্যান্ডের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার কাইল ওয়াকার। গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৯৬টি ম্যাচ খেলেছেন ওয়াকার। অবসরের ঘোষণা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ইংল্যান্ডের জার্সিতে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারা তার জন্য গর্বের বিষয়।
ওয়াকার বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ ছিল না। তবে ইংল্যান্ডের হয়ে যা অর্জন করেছি, তা নিয়ে আমি ভীষণ গর্বিত।’
জাতীয় দলের হয়ে পাঁচটি বড় টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন এই ডিফেন্ডার। তিনি ইউরো ২০২০ ও ইউরো ২০২৪-এ রানারআপ হওয়া ইংল্যান্ড দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনালে ওঠার পথেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
অবসরের ঘোষণা দিতে গিয়ে সতীর্থদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান ওয়াকার।
তিনি বলেন, জাতীয় দলের হয়ে একসঙ্গে কাটানো সময়গুলো সব সময় তার কাছে বিশেষ হয়ে থাকবে।
সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সব সময় দলের পাশে থাকবেন। আপনাদের সমর্থনই খেলোয়াড়দের দেশের জন্য গর্ব বয়ে আনতে অনুপ্রাণিত করে।’