আমার শহর ডেস্ক

ম্যাচের শুরুতে আক্রমণাত্মক ফুটবলের আভাস মিললো বাংলাদেশ পুলিশ এফসির কাছ থেকে। সেটি মিলিয়ে গেল খানিক পরেই। খেলা জমলো মূলত দুই অর্ধের শেষ কিছু মিনিটে। বেশ কিছু সুযোগ মিসের হতাশায় ডুবেছে পুলিশ। একই গল্প মোহামেডানেরও। শেষ পর্যন্ত সাদা-কালোদের বিপক্ষে এগিয়ে গিয়েও জিততে না পারার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়ল পুলিশ।
আজ শুক্রবার কুমিল্লার ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলায় মোহামেডানকে মোকাবিলা করে পুলিশ। ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। প্রথমার্ধেই হয়েছে গোল দুটি। পুলিশের হয়ে লিড এনে দেন পাউলো সান্তোস, মোহামেডানকে খেলায় ফেরান মুজাফফর মুজাফফরভ।
এর আগে চলতি মৌসুমে দুই দলের প্রথম দেখাতেও কোনো দল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি। ড্র হয়েছিল ১-১ গোলে। আর গত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ফেডারেশন কাপের খেলায় পুলিশকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছিল সাদা-কালোরা।
খেলার চতুর্থ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে পুলিশ। গোলমুখের সামনে সতীর্থের কাছ থেকে কাটব্যাক পেয়ে শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি রাব্বি হোসেন রাহুল। শুরুর আক্রমণের ধার অব্যাহত রাখে পুলিশ। দুই-একবার মোহামেডানও চেষ্টা করেছে আক্রমণ শানাতে।
১৯ মিনিটে বাঁপ্রান্ত দিয়ে প্রতি আক্রমণে ওঠেন পুলিশের ওদো মোসেস। বক্সে ঢুকে এরপর পাউলো সান্তোসের কাছে ক্রস দেন নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড। যদিও পুলিশের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড শট রাখতে পারেননি লক্ষ্যে।
দুটি দারুণ সুযোগ মিসের পর কিছুটা যেন খোলসের মধ্যে ঢুকে যায় পুলিশ। দু’দলের খেলায় গতিও কমে আসে এ সময়। ৩৫ মিনিটের পর ফের আক্রমণে পুলিশ। ডান দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে বক্সে ঢোকার মুহূর্তে ওদো মোসেসকে ফেলে দেন জাহিদ হাসান শান্ত। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ৩৯ মিনিটে সফল স্পট কিকে দলকে এগিয়ে দেন পাউলো সান্তোস।
খেলা জমে ওঠে প্রথমার্ধের শেষ দিকে। ৪১ মিনিটে বক্সের সামনে জাহিদ শান্তর কাছ থেকে বল পেয়ে দুজনকে কাটিয়ে বা পায়ের জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন মুজাফফরভ। পুলিশের গোলকিপারের কিছুই করার ছিল না। ১-১ সমতায় ফেরে মোহামেডান।
বিরতির পর পরই মোহামেডানের সুযোগ ছিল এগিয়ে যাওয়ার। তবে কর্নার থেকে সুমন রেজার হেডে বল বেরিয়ে যায় পোস্টের বাইরে দিয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা যেভাবে শুরু হয়েছিল সেটি আর দেখা যায়নি। আক্রমণাত্মক মেজাজে শুরু করা মোহামেডান পারেনি কার্যকরী কোনো আক্রমণ শানাতে। পুলিশের চেষ্টাও ছিল ঢিমেতালে। ৫০-৭৫ মিনিট পর্যন্ত কোনো দলই সেভাবে প্রতিপক্ষের গোলকিপারের জন্য আতঙ্ক হতে পারেনি।
৭৯ মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে সেরা সুযোগটা মিস করে পুলিশ। বক্সের ডান দিক থেকে একটু বাইরে অপির উড়িয়ে মারা বলে স্বাচ্ছন্দ্যে হেড নেওয়ার সুযোগ পেয়ে যান পাউলো সান্তোস। সেটি তিনি নিয়েছেনও, কিন্তু এত কাছ থেকে তাঁর হেডে বল যায় অনেকটাই উপরে দিয়ে।
৮৮ মিনিটে সুজন হোসেনের দারুণ হেডে এবার পুলিশকে গোলবঞ্চিত করেন মোহামেডান গোলকিপার সুজন। বাঁ পাসের কর্নারের কাছ থেকে ফ্রি কিক নেন টিশেরিং। গোলমুখের সামনে দারুণ হেড পোস্টে রাখেন ফোদে দার্বো। কিন্তু অবিশ্বাস্য দৃঢ়তায় পোস্টের উপর দিয়ে কর্নার করে দেন গোলকিপার সুজন।
যোগ করা সময়ের প্রধম মিনিটে বক্সে জটলার মধ্য থেকে বোয়াটেংয়ের বা পায়ের নিচু শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে আটকে দেন পুলিশের গোলকিপার রাকিবুল হাসান।
যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে আমিরুলের হেডার লক্ষ্যে থাকেনি। গোলমিসের হতাশায় ডুবে যায় পুলিশের খেলোয়াড়েরা। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্র মেনে মাঠ ছাড়ে দুই দল।
দিনের অপর ম্যাচে ফকিরেরপুল ইয়াংমেন্স ক্লাবকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস অ্যান্ড সোসাইটি। দারুণ এই জয়ে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের তিনে উঠে এসেছে পুরাণ ঢাকার ক্লাবটি। ১০ পয়েন্ট নিয়ে আটে ফকিরেরপুল।
পয়েন্ট ভাগাভাগি করায় পুলিশ এবং মোহামেডানের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। আগের মতোই টেবিলের ছয়ে আলফাজ আহমেদের দল। ১১ খেলায় ১১ পয়েন্ট সাদা-কালোদের। ১৫ পয়েন্ট পেয়ে মোহামেডানের এক ধাপ উপরে পুলিশ।

ম্যাচের শুরুতে আক্রমণাত্মক ফুটবলের আভাস মিললো বাংলাদেশ পুলিশ এফসির কাছ থেকে। সেটি মিলিয়ে গেল খানিক পরেই। খেলা জমলো মূলত দুই অর্ধের শেষ কিছু মিনিটে। বেশ কিছু সুযোগ মিসের হতাশায় ডুবেছে পুলিশ। একই গল্প মোহামেডানেরও। শেষ পর্যন্ত সাদা-কালোদের বিপক্ষে এগিয়ে গিয়েও জিততে না পারার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়ল পুলিশ।
আজ শুক্রবার কুমিল্লার ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলায় মোহামেডানকে মোকাবিলা করে পুলিশ। ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। প্রথমার্ধেই হয়েছে গোল দুটি। পুলিশের হয়ে লিড এনে দেন পাউলো সান্তোস, মোহামেডানকে খেলায় ফেরান মুজাফফর মুজাফফরভ।
এর আগে চলতি মৌসুমে দুই দলের প্রথম দেখাতেও কোনো দল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি। ড্র হয়েছিল ১-১ গোলে। আর গত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ফেডারেশন কাপের খেলায় পুলিশকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছিল সাদা-কালোরা।
খেলার চতুর্থ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে পুলিশ। গোলমুখের সামনে সতীর্থের কাছ থেকে কাটব্যাক পেয়ে শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি রাব্বি হোসেন রাহুল। শুরুর আক্রমণের ধার অব্যাহত রাখে পুলিশ। দুই-একবার মোহামেডানও চেষ্টা করেছে আক্রমণ শানাতে।
১৯ মিনিটে বাঁপ্রান্ত দিয়ে প্রতি আক্রমণে ওঠেন পুলিশের ওদো মোসেস। বক্সে ঢুকে এরপর পাউলো সান্তোসের কাছে ক্রস দেন নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড। যদিও পুলিশের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড শট রাখতে পারেননি লক্ষ্যে।
দুটি দারুণ সুযোগ মিসের পর কিছুটা যেন খোলসের মধ্যে ঢুকে যায় পুলিশ। দু’দলের খেলায় গতিও কমে আসে এ সময়। ৩৫ মিনিটের পর ফের আক্রমণে পুলিশ। ডান দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে বক্সে ঢোকার মুহূর্তে ওদো মোসেসকে ফেলে দেন জাহিদ হাসান শান্ত। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ৩৯ মিনিটে সফল স্পট কিকে দলকে এগিয়ে দেন পাউলো সান্তোস।
খেলা জমে ওঠে প্রথমার্ধের শেষ দিকে। ৪১ মিনিটে বক্সের সামনে জাহিদ শান্তর কাছ থেকে বল পেয়ে দুজনকে কাটিয়ে বা পায়ের জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন মুজাফফরভ। পুলিশের গোলকিপারের কিছুই করার ছিল না। ১-১ সমতায় ফেরে মোহামেডান।
বিরতির পর পরই মোহামেডানের সুযোগ ছিল এগিয়ে যাওয়ার। তবে কর্নার থেকে সুমন রেজার হেডে বল বেরিয়ে যায় পোস্টের বাইরে দিয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা যেভাবে শুরু হয়েছিল সেটি আর দেখা যায়নি। আক্রমণাত্মক মেজাজে শুরু করা মোহামেডান পারেনি কার্যকরী কোনো আক্রমণ শানাতে। পুলিশের চেষ্টাও ছিল ঢিমেতালে। ৫০-৭৫ মিনিট পর্যন্ত কোনো দলই সেভাবে প্রতিপক্ষের গোলকিপারের জন্য আতঙ্ক হতে পারেনি।
৭৯ মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে সেরা সুযোগটা মিস করে পুলিশ। বক্সের ডান দিক থেকে একটু বাইরে অপির উড়িয়ে মারা বলে স্বাচ্ছন্দ্যে হেড নেওয়ার সুযোগ পেয়ে যান পাউলো সান্তোস। সেটি তিনি নিয়েছেনও, কিন্তু এত কাছ থেকে তাঁর হেডে বল যায় অনেকটাই উপরে দিয়ে।
৮৮ মিনিটে সুজন হোসেনের দারুণ হেডে এবার পুলিশকে গোলবঞ্চিত করেন মোহামেডান গোলকিপার সুজন। বাঁ পাসের কর্নারের কাছ থেকে ফ্রি কিক নেন টিশেরিং। গোলমুখের সামনে দারুণ হেড পোস্টে রাখেন ফোদে দার্বো। কিন্তু অবিশ্বাস্য দৃঢ়তায় পোস্টের উপর দিয়ে কর্নার করে দেন গোলকিপার সুজন।
যোগ করা সময়ের প্রধম মিনিটে বক্সে জটলার মধ্য থেকে বোয়াটেংয়ের বা পায়ের নিচু শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে আটকে দেন পুলিশের গোলকিপার রাকিবুল হাসান।
যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে আমিরুলের হেডার লক্ষ্যে থাকেনি। গোলমিসের হতাশায় ডুবে যায় পুলিশের খেলোয়াড়েরা। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্র মেনে মাঠ ছাড়ে দুই দল।
দিনের অপর ম্যাচে ফকিরেরপুল ইয়াংমেন্স ক্লাবকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস অ্যান্ড সোসাইটি। দারুণ এই জয়ে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের তিনে উঠে এসেছে পুরাণ ঢাকার ক্লাবটি। ১০ পয়েন্ট নিয়ে আটে ফকিরেরপুল।
পয়েন্ট ভাগাভাগি করায় পুলিশ এবং মোহামেডানের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। আগের মতোই টেবিলের ছয়ে আলফাজ আহমেদের দল। ১১ খেলায় ১১ পয়েন্ট সাদা-কালোদের। ১৫ পয়েন্ট পেয়ে মোহামেডানের এক ধাপ উপরে পুলিশ।