আমার শহর ডেস্ক

শুরু থেকে আক্রমণের পসরা সাজালো ফর্টিস এফসি। তাতে দেখা মিলল গোলের। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হলেও লিড দ্বিগুণ করে ফেলে ফর্টিস। এরপরই সাদা-কালোদের কঠিন প্রতিরোধ, ফর্টিসের লাল কার্ড দেখা, পেনাল্টি গোলে মোহামেডানের ম্যাচে ফেরার আভাস, মাঠে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করা; সব ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ল মাসুদ পারভেজ কায়সারের দল।
আজ শনিবার কুমিল্লার ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলায় মোহামেডানকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ফর্টিস। জয়ী দলের হয়ে জোড়া গোল করেন ইসা জালো। মোহামেডানের হয়ে এক গোল পরিশোধ করেন মুজাফফর মজাফফরভ। এই জয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা বসুন্ধরা কিংসকে আবার ধরে ফেলল ফর্টিস। ১০ ম্যাচ শেষে দুই দলেরই পয়েন্ট সমান ২১ করে। ১০ পয়েন্ট পেয়ে টেবিলের ছয়ে মোহামেডান। লিগের প্রথম রাউন্ডের মতো দ্বিতীয় রাউন্ডেও ব্যর্থতার বৃত্তে আটকে রইল মতিঝিল পাড়ার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। ম্যাচের অষ্টম মিনিটে মুজাফফর মুজাফফরভের দারুণ ক্রসে রহিম উদ্দিনের শট বারের উপর দিয়ে চলে যায়। দুই মিনিট পর ফ্রি-কিক থেকে ফর্টিসের নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড ওকাফরের নেওয়া শট ডাইভ দিয়ে তালুবন্দি করেন মোহামেডানের গোলকিপার সুজন হোসেন।
১৬ মিনিটে ওকাফরকে টেনে ধরায় ডি-বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পায় ফর্টিস। পা ওমর বাবুর নেওয়া শট মোহামেডান রক্ষণে লেগে কর্নারে পরিণত হয়। গোলমুখের সামনে শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি মোর্শেদ আলী।
২০ মিনিটে লং বল ধরে ইসা জালো মোহামেডান গোলকিপার সুজনের মাথার ওপর দিয়ে চিপ শটে গোল করেন। ১-০ গোলে লিড নেওয়ার খানিক পর বাজেভাবে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ফর্টিসের ওকাফর।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর খানিক পরই লিড দ্বিগুণ করে ফর্টিস। ৫১ মিনিটে বক্সের সামনে ফ্রি কিক থেকে হেডে জালে বল জড়ান ইসা জালো।
৬৩ মিনিটে রহমত মিয়ার কর্নার থেকে পেনাল্টি পায় মোহামেডান। স্যামুয়েল বোয়াটেংয়ের হেডে গোলমুখের সামনে হাতে বল লাগে নিঝুমের। লাল দেখে মাঠ ছাড়েন নিঝুম। সফল স্পটকিকে ব্যবধান কমান মুজাফফরভ।
৭৮ মিনিটে রাসেলের ক্রস থেকে ওকাফরের দারুণ শট ফিরে আসে বারে লেগে। সমতায় ফিরতে একের পর এক আক্রমণ শানায় মোহামেডান। তবে ফর্টিসের রক্ষণ এবং গোলকিপার সুজন পেরেইরা ছিলেন গোলপোস্টের সামনে অসাধারণ। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের হার মেনে মাঠ ছাড়ে মোহামেডান।

শুরু থেকে আক্রমণের পসরা সাজালো ফর্টিস এফসি। তাতে দেখা মিলল গোলের। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হলেও লিড দ্বিগুণ করে ফেলে ফর্টিস। এরপরই সাদা-কালোদের কঠিন প্রতিরোধ, ফর্টিসের লাল কার্ড দেখা, পেনাল্টি গোলে মোহামেডানের ম্যাচে ফেরার আভাস, মাঠে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করা; সব ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ল মাসুদ পারভেজ কায়সারের দল।
আজ শনিবার কুমিল্লার ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলায় মোহামেডানকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ফর্টিস। জয়ী দলের হয়ে জোড়া গোল করেন ইসা জালো। মোহামেডানের হয়ে এক গোল পরিশোধ করেন মুজাফফর মজাফফরভ। এই জয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা বসুন্ধরা কিংসকে আবার ধরে ফেলল ফর্টিস। ১০ ম্যাচ শেষে দুই দলেরই পয়েন্ট সমান ২১ করে। ১০ পয়েন্ট পেয়ে টেবিলের ছয়ে মোহামেডান। লিগের প্রথম রাউন্ডের মতো দ্বিতীয় রাউন্ডেও ব্যর্থতার বৃত্তে আটকে রইল মতিঝিল পাড়ার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। ম্যাচের অষ্টম মিনিটে মুজাফফর মুজাফফরভের দারুণ ক্রসে রহিম উদ্দিনের শট বারের উপর দিয়ে চলে যায়। দুই মিনিট পর ফ্রি-কিক থেকে ফর্টিসের নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড ওকাফরের নেওয়া শট ডাইভ দিয়ে তালুবন্দি করেন মোহামেডানের গোলকিপার সুজন হোসেন।
১৬ মিনিটে ওকাফরকে টেনে ধরায় ডি-বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পায় ফর্টিস। পা ওমর বাবুর নেওয়া শট মোহামেডান রক্ষণে লেগে কর্নারে পরিণত হয়। গোলমুখের সামনে শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি মোর্শেদ আলী।
২০ মিনিটে লং বল ধরে ইসা জালো মোহামেডান গোলকিপার সুজনের মাথার ওপর দিয়ে চিপ শটে গোল করেন। ১-০ গোলে লিড নেওয়ার খানিক পর বাজেভাবে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ফর্টিসের ওকাফর।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর খানিক পরই লিড দ্বিগুণ করে ফর্টিস। ৫১ মিনিটে বক্সের সামনে ফ্রি কিক থেকে হেডে জালে বল জড়ান ইসা জালো।
৬৩ মিনিটে রহমত মিয়ার কর্নার থেকে পেনাল্টি পায় মোহামেডান। স্যামুয়েল বোয়াটেংয়ের হেডে গোলমুখের সামনে হাতে বল লাগে নিঝুমের। লাল দেখে মাঠ ছাড়েন নিঝুম। সফল স্পটকিকে ব্যবধান কমান মুজাফফরভ।
৭৮ মিনিটে রাসেলের ক্রস থেকে ওকাফরের দারুণ শট ফিরে আসে বারে লেগে। সমতায় ফিরতে একের পর এক আক্রমণ শানায় মোহামেডান। তবে ফর্টিসের রক্ষণ এবং গোলকিপার সুজন পেরেইরা ছিলেন গোলপোস্টের সামনে অসাধারণ। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের হার মেনে মাঠ ছাড়ে মোহামেডান।