ফিফা বিশ্বকাপ

এমবাপ্পের রেকর্ড গড়া ম্যাচে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু ফ্রান্সের

ক্রীড়া প্রতিবেদক
Thumbnail image

প্রথমার্ধ বেশ হতাশার ছিল ফ্রান্সের জন্য। তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের চেনা ছন্দে ফিরে ফরাসি। দুর্দান্ত লড়াই শেষে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা।

ম্যাচের শুরু থেকে ফ্রান্স-সেনেগাল সমানতালে খেলতে থাকে। তবে ফ্রান্সের চেয়ে বেশি সুযোগ তৈরি করেছে সেনেগাল। ২৫ মিনিটে তো গোল প্রায়ই পেয়েই গিয়েছিল তারা। ভাগ্যে পাশে থাকলে নিকোলাস জ্যাকসনের নামের পাশে গোল থাকত। কিন্তু তার নেওয়া শটটি ডান পাশের পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ভাগ্য এতটাই খারাপ যে, পোস্টে লেগে ফি

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিলেন ইসমাইল সার। কিন্তু প্লেস করতে গিয়ে যেভাবে ক্রসবারের ওপর দিয়ে বলটি মারলেন, তার ব্যাখ্যাই আসলে হয় না। ৬ গজ দূরত্ব থেকে গোলরক্ষক মেনিয়ঁকে একা পেয়েও উড়িয়ে মারলেন সেনেগালের ফরোয়ার্ড।

ফ্রান্স সবচেয়ে ভালো সুযোগ পায় ৫২ মিনিটে। তবে মাইকেল ওলিসেকে হতাশ করেন সেনেগালের গোলরক্ষক এদুয়ার্দো মেন্ডি।রে আসা বলটি ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মেনিয়ঁর শরীরে লেগে জালে নয়, বাইরে যায়।

তার শটটি পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন মেন্ডি। ৫ মিনিট পর আরেকটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দেন তিনি। বক্সের মধ্যে থেকে ৫৭ মিনিটে নেওয়া এমবাপ্পের শট সামনে বেরিয়ে এসে পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন মেন্ডি।

ফিরতি মিনিটে পেনাল্টির আবেদন করেছিল ফ্রান্স। তবে ভিএআরে দেখার পরেও পেনাল্টির বাঁশি বাজাননি রেফারি। হয়তো এমবাপ্পে বক্সে পরে যাওয়ার আগে সাদিও মানের কোনো ধরনের সংস্পর্শ না হওয়াতেই। ৬৪ মিনিটে ফ্রান্সকে লিড এনে দেওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন এমবাপ্পে। ডি বক্সের বাইরে থেকে ডিফেন্স চেরা পাস দিয়েছিলেন ওলিসে। 

তবে এমবাপ্পে বলের নাগাল না পাওয়ায় গোলরক্ষক মেন্ডি বল ধরে ফেলেন। ৬৬ মিনিটে অবশ্য ঠিকই জালের দেখা পেয়েছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক। ১২ গজের কাছাকাছি থেকে ফ্রান্সকে উদযাপনের মুহূর্ত এনে দেন তিনি। তাকে অবিশ্বাস্য পাসটি দেন ওলিসে।

এই গোলে অলিভিয়ের জিরুকে ছুঁয়েছেন এমবাপ্পে। ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন দুজনই। তাদের গোলসংখ্যা ৫৭। ২ মিনিট পরেই সমতায় ফিরেছিল সেনেগাল। তবে গোল করা আগে জ্যাকসন অফসাইড হওয়া তা বাতিল হয়। 

৭৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন দেজিরে দুয়ে। তবে পিএসজির ফরোয়ার্ডের শট কর্নারের বিনিময়ে সেভ করেন মেন্ডি। ৮০ মিনিটে জ্যাকসন সতীর্থর ক্রসটা ঠিকমতো জালে রাখতে পারলে সমতায় ফিরতে পারত সেনেগাল।

উল্টো ৮২ মিনিটে আরেকটি গোল হজম করে সেনেগাল। বদলি নেমে গোলটি করেন ব্র্যাডলি বার্কোলা। আদ্রিয়েন রাবিওটের পাস থেকে সহজেই গোলরক্ষক মেন্ডিকে পরাস্ত করেন তিনি। 

এরপর এক গোল শোধ করে সেনেগাল। যোগ করা সময়ে ইব্রাহিমা এমবায়ে গোল করে ব্যবধান কমান। তবে যোগ করা সময়ের ৫ মিনিটের মাথায় ডি বক্সের বাইরে থেকে অবিশ্বাস্য এক শটে আবারও বল জালে জড়ান এমবাপ্পে। বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার শটের নিজের জোড়া গোলটি করেন তিনি।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

সম্পর্কিত