ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

চার্লস ডি কেটেলারের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ স্বপ্ন থামিয়ে দিয়েছে বেলজিয়াম। দুই গোলের সঙ্গে একটি অ্যাসিস্ট করে ৪-১ ব্যবধানের জয়ে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন এই ফরোয়ার্ড।
খেলা শুরু হওয়ার পর থেকেই আক্রমণের গতি বাড়িয়ে দেয় বেলজিয়াম। প্রথম মিনিটেই গোলরক্ষক ম্যাট ফ্রিজকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলেন টিমোতি কাস্তান। সেই আক্রমণ সামাল দিলেও বারবার চাপে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণ।
নবম মিনিটে সেই চাপেরই ফল পায় বেলজিয়াম। বাম দিক থেকে আক্রমণ গড়ে ওঠে। বল প্রথমে প্রতিহত করলেও পুরোপুরি বিপদমুক্ত হতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। আলগা বল পেয়ে চার্লস দে কেতেলারে খুব কাছ থেকে জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন। শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।
গোল খাওয়ার পর বলের দখল বাড়ানোর চেষ্টা করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে মাঝমাঠে বেলজিয়ামের চাপে তারা খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। দীর্ঘ সময় পর্যন্ত গোলের দিকেও কোনো শট নিতে পারেনি দলটি।
অবশেষে ৩১তম মিনিটে সমতায় ফেরে যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিপক্ষের বক্সের সামনে ফোলারিন বালোগুনকে ফাউল করলে বিপজ্জনক জায়গায় মুক্ত শট পায় তারা। টিলম্যানের নেওয়া শট প্রতিরোধ করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে দিক বদলে জালে জড়ায় বল। গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়ার কিছুই করার ছিল না। তাতে ১–১ সমতায় ফেরে যুক্তরাষ্ট্র।
কিন্তু সেই সমতা টিকেছিল মাত্র দুই মিনিট। ৩৩তম মিনিটে আবারও বেলজিয়ামের দারুণ আক্রমণ। লিয়ান্দ্রো ত্রোসারের নিচু ক্রসে রক্ষণভাগকে হারিয়ে মাথা ছুঁইয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন দে কেতেলারে। আবারও এগিয়ে যায় বেলজিয়াম এবং প্রথমার্ধ শেষ করে ২–১ ব্যবধানে।
বিরতির পর সমতায় ফেরার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামে যুক্তরাষ্ট্র। শুরুতে কিছুটা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও শেষ পর্যন্ত নিজেদের ভুলেই বড় মূল্য দিতে হয়।
৫৭তম মিনিটে আসে ম্যাচের সবচেয়ে বড় মোড়। বেলজিয়ামের লম্বা বল ঠেকাতে বক্সের বাইরে চলে আসেন গোলরক্ষক ম্যাট ফ্রিজ। কিন্তু বল পরিষ্কার করতে গিয়ে দ্বিধায় পড়ে যান তিনি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল কেড়ে নেন হান্স ফানাকেন। তখন গোলবার ছিল প্রায় ফাঁকা। সহজেই বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান ৩–১ করেন তিনি।
এই গোলের ধাক্কা সামলানোর আগেই আরেকটি বড় বিপদে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র। কিছুক্ষণ ধরেই চোট নিয়ে খেলছিলেন দলের অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ। শেষ পর্যন্ত তিনি মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ আক্রমণভাগের খেলোয়াড়কে হারানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের ধার অনেকটাই কমে যায়।
এরপর অবশ্য কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল তারা। ৭৯তম মিনিটে দূরপাল্লার জোরালো শটে গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যান সেবাস্টিয়ান বারহাল্টার। বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়। ৮২তম মিনিটে ফোলারিন বালোগুন একা গোলরক্ষকের মুখোমুখি হলেও বড় শরীর ছড়িয়ে অসাধারণভাবে সেই শট ঠেকিয়ে দেন কোর্তোয়া।
অন্যদিকে ম্যাচের শেষ ভাগে বদলি হিসেবে মাঠে নামানো হয় রোমেলু লুকাকুকে। শেষ বাঁশি বাজার আগেই নিজের ছাপ রেখে যান অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ড। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণভাগ বল পরিষ্কার করতে গিয়ে আবারও ভুল করে। সেই সুযোগে লুকাকু বল পেয়ে সহজেই জালে পাঠিয়ে দলের চতুর্থ গোল করেন।
এরপর আর ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো সুযোগ পায়নি যুক্তরাষ্ট্র। শেষ বাঁশি বাজতেই ৪–১ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বেলজিয়াম।

চার্লস ডি কেটেলারের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ স্বপ্ন থামিয়ে দিয়েছে বেলজিয়াম। দুই গোলের সঙ্গে একটি অ্যাসিস্ট করে ৪-১ ব্যবধানের জয়ে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন এই ফরোয়ার্ড।
খেলা শুরু হওয়ার পর থেকেই আক্রমণের গতি বাড়িয়ে দেয় বেলজিয়াম। প্রথম মিনিটেই গোলরক্ষক ম্যাট ফ্রিজকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলেন টিমোতি কাস্তান। সেই আক্রমণ সামাল দিলেও বারবার চাপে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণ।
নবম মিনিটে সেই চাপেরই ফল পায় বেলজিয়াম। বাম দিক থেকে আক্রমণ গড়ে ওঠে। বল প্রথমে প্রতিহত করলেও পুরোপুরি বিপদমুক্ত হতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। আলগা বল পেয়ে চার্লস দে কেতেলারে খুব কাছ থেকে জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন। শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।
গোল খাওয়ার পর বলের দখল বাড়ানোর চেষ্টা করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে মাঝমাঠে বেলজিয়ামের চাপে তারা খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। দীর্ঘ সময় পর্যন্ত গোলের দিকেও কোনো শট নিতে পারেনি দলটি।
অবশেষে ৩১তম মিনিটে সমতায় ফেরে যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিপক্ষের বক্সের সামনে ফোলারিন বালোগুনকে ফাউল করলে বিপজ্জনক জায়গায় মুক্ত শট পায় তারা। টিলম্যানের নেওয়া শট প্রতিরোধ করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে দিক বদলে জালে জড়ায় বল। গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়ার কিছুই করার ছিল না। তাতে ১–১ সমতায় ফেরে যুক্তরাষ্ট্র।
কিন্তু সেই সমতা টিকেছিল মাত্র দুই মিনিট। ৩৩তম মিনিটে আবারও বেলজিয়ামের দারুণ আক্রমণ। লিয়ান্দ্রো ত্রোসারের নিচু ক্রসে রক্ষণভাগকে হারিয়ে মাথা ছুঁইয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন দে কেতেলারে। আবারও এগিয়ে যায় বেলজিয়াম এবং প্রথমার্ধ শেষ করে ২–১ ব্যবধানে।
বিরতির পর সমতায় ফেরার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামে যুক্তরাষ্ট্র। শুরুতে কিছুটা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও শেষ পর্যন্ত নিজেদের ভুলেই বড় মূল্য দিতে হয়।
৫৭তম মিনিটে আসে ম্যাচের সবচেয়ে বড় মোড়। বেলজিয়ামের লম্বা বল ঠেকাতে বক্সের বাইরে চলে আসেন গোলরক্ষক ম্যাট ফ্রিজ। কিন্তু বল পরিষ্কার করতে গিয়ে দ্বিধায় পড়ে যান তিনি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল কেড়ে নেন হান্স ফানাকেন। তখন গোলবার ছিল প্রায় ফাঁকা। সহজেই বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান ৩–১ করেন তিনি।
এই গোলের ধাক্কা সামলানোর আগেই আরেকটি বড় বিপদে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র। কিছুক্ষণ ধরেই চোট নিয়ে খেলছিলেন দলের অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ। শেষ পর্যন্ত তিনি মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ আক্রমণভাগের খেলোয়াড়কে হারানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের ধার অনেকটাই কমে যায়।
এরপর অবশ্য কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল তারা। ৭৯তম মিনিটে দূরপাল্লার জোরালো শটে গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যান সেবাস্টিয়ান বারহাল্টার। বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়। ৮২তম মিনিটে ফোলারিন বালোগুন একা গোলরক্ষকের মুখোমুখি হলেও বড় শরীর ছড়িয়ে অসাধারণভাবে সেই শট ঠেকিয়ে দেন কোর্তোয়া।
অন্যদিকে ম্যাচের শেষ ভাগে বদলি হিসেবে মাঠে নামানো হয় রোমেলু লুকাকুকে। শেষ বাঁশি বাজার আগেই নিজের ছাপ রেখে যান অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ড। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণভাগ বল পরিষ্কার করতে গিয়ে আবারও ভুল করে। সেই সুযোগে লুকাকু বল পেয়ে সহজেই জালে পাঠিয়ে দলের চতুর্থ গোল করেন।
এরপর আর ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো সুযোগ পায়নি যুক্তরাষ্ট্র। শেষ বাঁশি বাজতেই ৪–১ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বেলজিয়াম।