আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

ইন্টার মায়ামির নতুন স্টেডিয়াম এবং উদ্বোধনী ম্যাচ ছিল। দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি গোল করতে সময় নিলেন মাত্র ১০ মিনিট।
নিজের নামাঙ্কিত ‘লিও মেসি স্ট্যান্ড’ এর সামনেই ইন্টার মায়ামির হয়ে প্রথম গোলটি করলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
যদিও জয়ের হাসি নিয়ে ম্যাচটি শেষ করতে পারেনি তাঁর দল। ঘরের মাঠে অস্টিন এফসির বিপক্ষে এমএলএসের ম্যাচটি শেষ হয়েছে ২-২ সমতায়।
মায়ামির প্রথম গোলটা মেসির পা থেকে এলেও ন্যু স্টেডিয়ামের ইতিহাসের প্রথম গোলটি করেছেন অস্টিন ডিফেন্ডার গুইলহার্মে বিরোর। ৬ মিনিটেই সফরকারীদের এগিয়ে দেন তিনি। এর চার মিনিট পরই দুর্দান্ত এক হেডে গোল করে মায়ামিকে সমতায় ফেরান লিওনেল মেসি। এটি তাঁর ক্যারিয়ারের ৯০৩ নম্বর গোল।
সমতায় ফেরার পর মায়ামি বল দখলে আধিপত্য দেখালেও অস্টিনের রক্ষণভাগ ভাঙা কঠিন হয়ে পড়েছিল। উল্টো ৫৩ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে জেইডেন নেলসনের গোলে আবারও লিড নেয় অস্টিন।
ম্যাচ যখন হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম, তখন ৭৩ মিনিটে অভিজ্ঞ লুইস সুয়ারেজকে মাঠে নামান কোচ হাভিয়ের মাচেরানো। মাঠে নামার ৮ মিনিট পরে গোল করে দলের হার বাঁচান এই উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ। মেসির নেওয়া কর্নার থেকে জর্মান বার্টারেম হেড করার পর খুব কাছ থেকে বল জালে জড়ান লুইস সুয়ারেজ।
ভাগ্য সহায় হলে ম্যাচের শেষ দিকে মেসি দারুণ একটা সমাপ্তি টানতে পারতেন। কিন্তু ৯০ মিনিটে তাঁর ট্রেডমার্ক ফ্রি-কিকটি পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে সুয়ারেজ জালে বলে জড়িয়েছিলেন ঠিকই, তবে অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে সেটি।এই ড্রয়ের ফলে এমএলএসে টানা পাঁচ ম্যাচে অপরাজিত রইল ইন্টার মায়ামি।
অন্যদিকে চার ম্যাচ জয়হীন থাকল অস্টিন। গত মৌসুমে এমএলএস কাপ জেতার পর এটিই ছিল মায়ামির প্রথম হোম ম্যাচ। এ ছাড়া দীর্ঘ ছয় বছর ফোর্ট লডারডেলকে নিজেদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহারের পর এবারই প্রথম নিজেদের শহরের নামে গড়া স্টেডিয়ামে খেলার সুযোগ পেল তারা।

২৬ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামটি উদ্বোধন করেন ক্লাবের সহমালিক ডেভিড বেকহাম ও জর্জ মাস। খেলা শুরুর আগে ডেভিড বেকহাম বলেন, ‘মায়ামিতে এই স্টেডিয়াম চালু করার জন্য বছরের পর বছর চেষ্টা করার পর আজ এটি বাস্তবে রূপ নিতে দেখাটা আমার জন্য বিশেষ কিছু। ২০ বছর আগে এমএলএসে আসার সময় অনেক কথা দিয়েছিলাম। ১৩ বছর আগে মায়ামিতে আসার সময়ও সেই প্রতিশ্রুতির কথা শুনিয়েছিলাম। আজ আমাদের সেই স্বপ্ন সত্যি হলো।’
গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও।ম্যাচ শেষে মায়ামি কোচ হাভিয়ের মাচেরানো স্টেডিয়াম নিয়ে বলেন, ‘এটি দর্শনীয় স্টেডিয়াম, নিঃসন্দেহে বিশ্বমানের। দর্শকদের উপস্থিতি ছিল অবিশ্বাস্য; পুরো গ্যালারি একদম ঠাসা ছিল।’
আগামী সপ্তাহে নিজেদের এই নতুন মাঠে নিউইয়র্ক রেড বুলসের মুখোমুখি হবে ইন্টার মায়ামি।

ইন্টার মায়ামির নতুন স্টেডিয়াম এবং উদ্বোধনী ম্যাচ ছিল। দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি গোল করতে সময় নিলেন মাত্র ১০ মিনিট।
নিজের নামাঙ্কিত ‘লিও মেসি স্ট্যান্ড’ এর সামনেই ইন্টার মায়ামির হয়ে প্রথম গোলটি করলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
যদিও জয়ের হাসি নিয়ে ম্যাচটি শেষ করতে পারেনি তাঁর দল। ঘরের মাঠে অস্টিন এফসির বিপক্ষে এমএলএসের ম্যাচটি শেষ হয়েছে ২-২ সমতায়।
মায়ামির প্রথম গোলটা মেসির পা থেকে এলেও ন্যু স্টেডিয়ামের ইতিহাসের প্রথম গোলটি করেছেন অস্টিন ডিফেন্ডার গুইলহার্মে বিরোর। ৬ মিনিটেই সফরকারীদের এগিয়ে দেন তিনি। এর চার মিনিট পরই দুর্দান্ত এক হেডে গোল করে মায়ামিকে সমতায় ফেরান লিওনেল মেসি। এটি তাঁর ক্যারিয়ারের ৯০৩ নম্বর গোল।
সমতায় ফেরার পর মায়ামি বল দখলে আধিপত্য দেখালেও অস্টিনের রক্ষণভাগ ভাঙা কঠিন হয়ে পড়েছিল। উল্টো ৫৩ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে জেইডেন নেলসনের গোলে আবারও লিড নেয় অস্টিন।
ম্যাচ যখন হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম, তখন ৭৩ মিনিটে অভিজ্ঞ লুইস সুয়ারেজকে মাঠে নামান কোচ হাভিয়ের মাচেরানো। মাঠে নামার ৮ মিনিট পরে গোল করে দলের হার বাঁচান এই উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ। মেসির নেওয়া কর্নার থেকে জর্মান বার্টারেম হেড করার পর খুব কাছ থেকে বল জালে জড়ান লুইস সুয়ারেজ।
ভাগ্য সহায় হলে ম্যাচের শেষ দিকে মেসি দারুণ একটা সমাপ্তি টানতে পারতেন। কিন্তু ৯০ মিনিটে তাঁর ট্রেডমার্ক ফ্রি-কিকটি পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে সুয়ারেজ জালে বলে জড়িয়েছিলেন ঠিকই, তবে অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে সেটি।এই ড্রয়ের ফলে এমএলএসে টানা পাঁচ ম্যাচে অপরাজিত রইল ইন্টার মায়ামি।
অন্যদিকে চার ম্যাচ জয়হীন থাকল অস্টিন। গত মৌসুমে এমএলএস কাপ জেতার পর এটিই ছিল মায়ামির প্রথম হোম ম্যাচ। এ ছাড়া দীর্ঘ ছয় বছর ফোর্ট লডারডেলকে নিজেদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহারের পর এবারই প্রথম নিজেদের শহরের নামে গড়া স্টেডিয়ামে খেলার সুযোগ পেল তারা।

২৬ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামটি উদ্বোধন করেন ক্লাবের সহমালিক ডেভিড বেকহাম ও জর্জ মাস। খেলা শুরুর আগে ডেভিড বেকহাম বলেন, ‘মায়ামিতে এই স্টেডিয়াম চালু করার জন্য বছরের পর বছর চেষ্টা করার পর আজ এটি বাস্তবে রূপ নিতে দেখাটা আমার জন্য বিশেষ কিছু। ২০ বছর আগে এমএলএসে আসার সময় অনেক কথা দিয়েছিলাম। ১৩ বছর আগে মায়ামিতে আসার সময়ও সেই প্রতিশ্রুতির কথা শুনিয়েছিলাম। আজ আমাদের সেই স্বপ্ন সত্যি হলো।’
গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও।ম্যাচ শেষে মায়ামি কোচ হাভিয়ের মাচেরানো স্টেডিয়াম নিয়ে বলেন, ‘এটি দর্শনীয় স্টেডিয়াম, নিঃসন্দেহে বিশ্বমানের। দর্শকদের উপস্থিতি ছিল অবিশ্বাস্য; পুরো গ্যালারি একদম ঠাসা ছিল।’
আগামী সপ্তাহে নিজেদের এই নতুন মাঠে নিউইয়র্ক রেড বুলসের মুখোমুখি হবে ইন্টার মায়ামি।