আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ, গোলের জবাবে গোল। প্রথমার্ধে লড়াই ছিল সমানুপাতিক এবং জমজমাট, তবে দ্বিতীয়ার্ধে একপেশে আধিপত্য দেখালো বার্সেলোনা। গতকাল বুধবার ঘরের মাঠে নিউক্যাসলকে ৭-২ গোলে হারিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছালো কাতালান জায়ান্টরা।
নিউক্যাসলের মাঠে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে শেষ মুহূর্তে গোল শোধ দিয়ে ১-১’এ ড্র করা বার্সেলোনা এদিন ন্যু ক্যাম্পে ষষ্ঠ মিনিটে এগিয়ে নেন রাফিনিয়া। ১৫ মিনিটে ইংলিশ ক্লাবটির অ্যান্থনি এলাঙ্গা সমতা ফেরান।
এরপর মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে মার্ক বের্নাল স্বাগতিকদের ফের এগিয়ে নেন। ২৮ মিনিটে এলাঙ্গার দ্বিতীয় গোলে আবার সমতায় আসে অতিথি দল। এই অর্ধের যোগ করা সময়ে বার্সেলোনাকে ফের এগিয়ে নেন লামিনে ইয়ামাল। প্রথম লেগে পেনাল্টি থেকে গোল শোধ করা এই তরুণ ফরোয়ার্ড এবারও পেনাল্টিতে লক্ষ্যভেদ করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে নিউক্যাসলকে আর কোনো সুযোগ দিতে হয়নি পাঁচবারের ইউরোপ চ্যাম্পিয়নদের। ৫১ মিনিটে ফের্মিন লোপেস, ৫৬ ও ৬১ মিনিটে রবার্ত লেভান্ডোভস্কি এবং ৭২ মিনিটে রাফিনিয়া গোল করে বিশাল জয় নিশ্চিত করেন।
এই জয়ের ফলে বার্সেলোনা কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে এবং দলটির আক্রমণাত্মক খেলার উজ্জ্বল ধারাকে আরো একবার প্রমাণিত হলো। সমর্থকরা ন্যু ক্যাম্পে নজরকাড়া এই জয়ে উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা ছিলেন।

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ, গোলের জবাবে গোল। প্রথমার্ধে লড়াই ছিল সমানুপাতিক এবং জমজমাট, তবে দ্বিতীয়ার্ধে একপেশে আধিপত্য দেখালো বার্সেলোনা। গতকাল বুধবার ঘরের মাঠে নিউক্যাসলকে ৭-২ গোলে হারিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছালো কাতালান জায়ান্টরা।
নিউক্যাসলের মাঠে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে শেষ মুহূর্তে গোল শোধ দিয়ে ১-১’এ ড্র করা বার্সেলোনা এদিন ন্যু ক্যাম্পে ষষ্ঠ মিনিটে এগিয়ে নেন রাফিনিয়া। ১৫ মিনিটে ইংলিশ ক্লাবটির অ্যান্থনি এলাঙ্গা সমতা ফেরান।
এরপর মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে মার্ক বের্নাল স্বাগতিকদের ফের এগিয়ে নেন। ২৮ মিনিটে এলাঙ্গার দ্বিতীয় গোলে আবার সমতায় আসে অতিথি দল। এই অর্ধের যোগ করা সময়ে বার্সেলোনাকে ফের এগিয়ে নেন লামিনে ইয়ামাল। প্রথম লেগে পেনাল্টি থেকে গোল শোধ করা এই তরুণ ফরোয়ার্ড এবারও পেনাল্টিতে লক্ষ্যভেদ করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে নিউক্যাসলকে আর কোনো সুযোগ দিতে হয়নি পাঁচবারের ইউরোপ চ্যাম্পিয়নদের। ৫১ মিনিটে ফের্মিন লোপেস, ৫৬ ও ৬১ মিনিটে রবার্ত লেভান্ডোভস্কি এবং ৭২ মিনিটে রাফিনিয়া গোল করে বিশাল জয় নিশ্চিত করেন।
এই জয়ের ফলে বার্সেলোনা কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে এবং দলটির আক্রমণাত্মক খেলার উজ্জ্বল ধারাকে আরো একবার প্রমাণিত হলো। সমর্থকরা ন্যু ক্যাম্পে নজরকাড়া এই জয়ে উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা ছিলেন।