রোনালদোর জন্য বিশ্বকাপ জিততে চায় পর্তুগাল

আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক
Thumbnail image

পর্তুগিজ ক্লাব স্পোর্টিং সিপির একাডেমিতে বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল তরুণ দুই ফুটবলারের। বয়সের ফারাক তাদের মধ্যে খুব বেশি নয়। একজনের ১৮, অন্যজনের ১৭। কিন্তু ২০ বছর আগের সেই বন্ধুত্ব আজ খুব পরিণত।

দু’জনের মধ্যে যার বয়স ছিল ১৮, রিকার্ডো কোয়ারেসমা, আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলে দিয়েছেন ২০১৮ বিশ্বকাপ খেলেই। আর ক্লাব ফুটবলকে বিদায় বলে পাকাপাকিভাবে বুটজোড়া তুলে রাখলেন ২০২২ সালে। রিকার্ডো কোয়ারেসমার এক বছরের জুনিয়র বন্ধুটি এখনও দাপটের সঙ্গে আন্তর্জাতিক এবং ক্লাব ফুটবল খেলে যাচ্ছেন। ধীরে ধীরে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন ক্যারিয়ারের ১০০০তম গোলের লক্ষ্যে।

পাঠকরা হয়তো এতক্ষনে বুঝে গেছেন, কার কথা বলা হচ্ছে। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন- বলা হচ্ছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর কথা। ফুটবলের ময়দানে যে যেখানেই থাকুক না কেন, ২০ বছর পরও কোয়ারেশমা এবং রোনালদোর বন্ধুত্ব অটুট। সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে দু’জন দু’জনের পাশে থাকেন সব সময়ই।

এই এবার যেমন কোরেশমা জোর গলায় বন্ধুর পক্ষ নিয়ে দাবি করলেন, ২০২৬ বিশ্বকাপে পর্তুগাল বিশ্বকাপ জিততে চায় শুধুমাত্র রোনালদোর জন্যই। বিশ্বকাপ জিতেই পর্তুগিজরা রোনালদোকে বিদায় দিতে চায়। স্বাভাবিকভাবেই ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে বিশ্বকাপ স্বপ্ন বুনছে পর্তুগাল জাতীয় ফুটবল দল। ৪১ বছর বয়সেও রোনালদো পর্তুগাল জাতীয় দলের প্রধান তারকা। তার সমপর্যায়েরও কেউ এখনও নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। পর্তুগিজদের সেই স্বপ্নের কথাই স্পষ্টভাবে তুলে ধরলেন দলের সাবেক তারকা রিকার্ডো কোয়ারেশমা।

তার মতে, পর্তুগাল এবার সত্যিই সিরিয়াস- লক্ষ্য একটাই, বিশ্বকাপ জিতে রোনালদোকে বিদায় উপহার দেওয়া।

কোয়ারেসমা বলেন, ‘এটা তার শেষ বিশ্বকাপ এবং সবাই চায় ক্রিশ্চিয়ানো শিরোপাটা জিতুক। প্রত্যাশা অনেক বেশি, খুব বেশি। কারণ, এই দলটির সেই মান, সামর্থ্য ও যোগ্যতা আছে। যা দিয়ে তারা এই লক্ষ্য অর্জন করতে পারে। আর যদি সেই সামর্থ্য না থাকত, তাহলে এত বড় প্রত্যাশাও তৈরি হতো না।’ কোয়ারেসমা মনে করেন, এবার পর্তুগালও কোনো অংশে কম নয়। তারাও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর হাত ধরে শিরোপা জয়ের অন্যতম দাবিদার।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

সম্পর্কিত