আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পশ্চিম সুইজারল্যান্ডের ফ্রিবার্গ ক্যান্টনের কেরজার্স শহরে গতকাল মঙ্গলবার একটি যাত্রীবাহী বাসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ৬ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন।
পুলিশ ধারণা করছে, এটি কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয় বরং বাসের ভেতরে থাকা কোনো ব্যক্তির ইচ্ছাকৃত কাজ বা নাশকতার অংশ হতে পারে।
স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানী বার্ন থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে একটি রাস্তায় বাসটিতে হঠাৎ আগুন ধরে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং আতঙ্কিত যাত্রীরা প্রাণ বাঁচাতে বাস থেকে নামার আপ্রাণ চেষ্টা করেন। এই ঘটনায় ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, আগুনের তীব্রতায় বাসটির কাঠামো ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।
ফ্রিবার্গ পুলিশ এই ঘটনায় একটি ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশের মুখপাত্র ফ্রেডেরিক পাপোক্স বলেন, প্রাথমিক আলামত দেখে মনে হচ্ছে বাসের ভেতরে থাকা কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়েছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘পেট্রল ঢেলে আগুন’ দেওয়ার খবরটি পুলিশ এখনো নিশ্চিত করেনি। ঘটনার সময় অন্য কোনো যানবাহনের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষ হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।
সুইস প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক বিবৃতিতে তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।
সূত্র : রয়টার্স

পশ্চিম সুইজারল্যান্ডের ফ্রিবার্গ ক্যান্টনের কেরজার্স শহরে গতকাল মঙ্গলবার একটি যাত্রীবাহী বাসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ৬ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন।
পুলিশ ধারণা করছে, এটি কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয় বরং বাসের ভেতরে থাকা কোনো ব্যক্তির ইচ্ছাকৃত কাজ বা নাশকতার অংশ হতে পারে।
স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানী বার্ন থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে একটি রাস্তায় বাসটিতে হঠাৎ আগুন ধরে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং আতঙ্কিত যাত্রীরা প্রাণ বাঁচাতে বাস থেকে নামার আপ্রাণ চেষ্টা করেন। এই ঘটনায় ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, আগুনের তীব্রতায় বাসটির কাঠামো ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।
ফ্রিবার্গ পুলিশ এই ঘটনায় একটি ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশের মুখপাত্র ফ্রেডেরিক পাপোক্স বলেন, প্রাথমিক আলামত দেখে মনে হচ্ছে বাসের ভেতরে থাকা কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়েছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘পেট্রল ঢেলে আগুন’ দেওয়ার খবরটি পুলিশ এখনো নিশ্চিত করেনি। ঘটনার সময় অন্য কোনো যানবাহনের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষ হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।
সুইস প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক বিবৃতিতে তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।
সূত্র : রয়টার্স