আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত থামাতে ও দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বৃদ্ধিতে নেপথ্য কারিগরের ভ‚মিকা পালন করেছে পাকিস্তান। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার চরম অবিশ্বাসের দেয়াল ভেঙে দুই পক্ষকেই আলোচনার টেবিলে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে ইসলামাবাদ।
আজ বুধবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর বিশ্লেষণে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের বিশেষ অনুরোধেই তিনি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়েছেন।
মূলত মঙ্গলবার রাতে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনকে জানানো হয়, ইরানের নেতৃত্বকে একটি সুসংহত শান্তি প্রস্তাব তৈরির জন্য আরও কিছুটা সময় দেওয়া প্রয়োজন। পাকিস্তানের এই দাবির মুখেই ট্রাম্প তার পূর্বের ‘পুনরায় বোমাবর্ষণের’ হুমকি থেকে সরে আসেন।
স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার দিনগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, আমি আমাদের সামরিক বাহিনীকে অবরোধ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছি। তবে পাকিস্তানের অনুরোধে এবং ইরানের নেতৃত্বকে প্রস্তাব জমা দেওয়ার সুযোগ দিতে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করছি। যতক্ষণ না তারা (ইরান) কোনো প্রস্তাব জমা দিচ্ছে, ততক্ষণ এটি কার্যকর থাকবে।
সাউথ এশিয়ান স্ট্র্যাটেজিক স্ট্যাবিলিটি ইনস্টিটিউট ইউনিভার্সিটির মহাপরিচালক ও পাকিস্তান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মারিয়া সুলতান আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, পাকিস্তান উভয় পক্ষকেই একটি চরম সত্য মনে করিয়ে দিয়েছে—তা হলো, আলোচনার বিকল্প কেবলই ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ। পাকিস্তান এই মধ্যস্থতায় কেবল ডাকপিয়নের ভ‚মিকা পালন করছে না, বরং উভয় পক্ষকে একটি ‘ইউনিফাইড প্রপোজাল’ বা ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাবে পৌঁছাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। পাকিস্তানের এই সফল মধ্যস্থতাকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
তিনি বলেন, ইসলামাবাদ ধৈর্য ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। যদিও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধিতে সফল হয়েছে, তবে স্থায়ী শান্তি এখনও অনিশ্চিত। ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ ও হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের কঠোর অবস্থান এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তানের পরবর্তী লক্ষ্য হলো আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দুই দেশের প্রতিনিধি দলকে পুনরায় ইসলামাবাদের আলোচনার টেবিলে বসানো।
সূত্র : আলজাজিরা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত থামাতে ও দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বৃদ্ধিতে নেপথ্য কারিগরের ভ‚মিকা পালন করেছে পাকিস্তান। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার চরম অবিশ্বাসের দেয়াল ভেঙে দুই পক্ষকেই আলোচনার টেবিলে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে ইসলামাবাদ।
আজ বুধবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর বিশ্লেষণে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের বিশেষ অনুরোধেই তিনি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়েছেন।
মূলত মঙ্গলবার রাতে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনকে জানানো হয়, ইরানের নেতৃত্বকে একটি সুসংহত শান্তি প্রস্তাব তৈরির জন্য আরও কিছুটা সময় দেওয়া প্রয়োজন। পাকিস্তানের এই দাবির মুখেই ট্রাম্প তার পূর্বের ‘পুনরায় বোমাবর্ষণের’ হুমকি থেকে সরে আসেন।
স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার দিনগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, আমি আমাদের সামরিক বাহিনীকে অবরোধ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছি। তবে পাকিস্তানের অনুরোধে এবং ইরানের নেতৃত্বকে প্রস্তাব জমা দেওয়ার সুযোগ দিতে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করছি। যতক্ষণ না তারা (ইরান) কোনো প্রস্তাব জমা দিচ্ছে, ততক্ষণ এটি কার্যকর থাকবে।
সাউথ এশিয়ান স্ট্র্যাটেজিক স্ট্যাবিলিটি ইনস্টিটিউট ইউনিভার্সিটির মহাপরিচালক ও পাকিস্তান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মারিয়া সুলতান আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, পাকিস্তান উভয় পক্ষকেই একটি চরম সত্য মনে করিয়ে দিয়েছে—তা হলো, আলোচনার বিকল্প কেবলই ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ। পাকিস্তান এই মধ্যস্থতায় কেবল ডাকপিয়নের ভ‚মিকা পালন করছে না, বরং উভয় পক্ষকে একটি ‘ইউনিফাইড প্রপোজাল’ বা ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাবে পৌঁছাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। পাকিস্তানের এই সফল মধ্যস্থতাকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
তিনি বলেন, ইসলামাবাদ ধৈর্য ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। যদিও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধিতে সফল হয়েছে, তবে স্থায়ী শান্তি এখনও অনিশ্চিত। ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ ও হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের কঠোর অবস্থান এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তানের পরবর্তী লক্ষ্য হলো আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দুই দেশের প্রতিনিধি দলকে পুনরায় ইসলামাবাদের আলোচনার টেবিলে বসানো।
সূত্র : আলজাজিরা