‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান ফর এভরিথিং’: ট্রাম্প

আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক
Thumbnail image

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়তে থাকলেও তা মোকাবেলায় নিজের কাছে ‘একটি পরিকল্পনা’ রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে জনগণ ‘খুব খুশি হবে’। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ যুদ্ধের দশম দিনে গতকাল সোমবার ফোনে নিউইয়র্ক পোস্টকে এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার কারণে তেলের দাম বাড়লেও তা মোকাবিলায় তার একটি পরিকল্পনা রয়েছে বলে আশ্বাস দেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘আমার সবকিছুর জন্য একটি পরিকল্পনা আছে। (আই হ্যাভ আ প্ল্যান ফর এভরিথিং)। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমেরিকানরা এতে খুব খুশি হবে এবং তেলের দাম কমে যাবে।’

সতর্ক করে ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ট্যাঙ্কার চলাচলে বাধা দিলে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ‘২০ গুণ বেশি শক্তিতে’ আঘাত হানবে।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ইরানের ওপর ‘মৃত্যু, আগুন এবং ক্রোধ’ নেমে আসবে।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা বা যুদ্ধ খুব দ্রুতই শেষ হতে পারে এবং তিনি তা ‘নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই’ ঘোষণা করেছেন। তবে হরমুজ প্রণালী অবরোধ বা সেখানে তেলবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, যদি ইরান গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে তেল ট্যাঙ্কার চলাচলে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নেবে। এ বিষয়ে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, ‘যদি ইরান এমন কিছু করে যাতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর এখন পর্যন্ত যতটা আঘাত করেছে তার চেয়ে ২০ গুণ বেশি আঘাত হানবে।’

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সহজেই ধ্বংসযোগ্য বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাবে, যার ফলে ইরানের জন্য পুনরায় একটি রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। তবে একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এমন পরিস্থিতি যেন তৈরি না হয়। দক্ষিণ ফ্লোরিডার ডোরাল এলাকায় নিজের গলফ ক্লাবের বলরুমে তিন দিনের সম্মেলনে হাউস রিপাবলিকানদের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। এদিকে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে তার এই কঠোর অবস্থানকে চীনসহ অন্যান্য দেশগুলো ‘উপহার’ হিসেবে দেখা উচিত। কারণ, এতে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা বজায় থাকবে।

সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

সম্পর্কিত