আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খামেনির সাত দিনব্যাপী আনুষ্ঠানিক শোক ও দাফন প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় দিন আজ রোববার সকালে তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় আয়োজিত এ জানাজায় অংশ নিতে ভিড় করেন অসংখ্য মানুষ।
এর আগে গত শুক্রবার তেহরানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর তিনি নিহত হন।
ইরান ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা লাখো শোকাহত মানুষ জানাজার নামাজে অংশ নেন। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি। তিনি একজন প্রভাবশালী ধর্মতাত্ত্বিক ও লেখক। তিনি কোমের সেমিনারি টিচার্স সোসাইটির সাবেক সদস্য এবং কোমের ইমাম সাদিক ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।
নামাজ শুরুর আগেই মোসাল্লার ভেতরের সব জায়গা পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই কমপ্লেক্সের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মোসাল্লার আশপাশের সড়ক ও পথঘাটও খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এবং তার জন্য দোয়া করতে আসা বিপুলসংখ্যক মানুষের ভিড়ে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খামেনির সাত দিনব্যাপী আনুষ্ঠানিক শোক ও দাফন প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় দিন আজ রোববার সকালে তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় আয়োজিত এ জানাজায় অংশ নিতে ভিড় করেন অসংখ্য মানুষ।
এর আগে গত শুক্রবার তেহরানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর তিনি নিহত হন।
ইরান ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা লাখো শোকাহত মানুষ জানাজার নামাজে অংশ নেন। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি। তিনি একজন প্রভাবশালী ধর্মতাত্ত্বিক ও লেখক। তিনি কোমের সেমিনারি টিচার্স সোসাইটির সাবেক সদস্য এবং কোমের ইমাম সাদিক ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।
নামাজ শুরুর আগেই মোসাল্লার ভেতরের সব জায়গা পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই কমপ্লেক্সের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মোসাল্লার আশপাশের সড়ক ও পথঘাটও খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এবং তার জন্য দোয়া করতে আসা বিপুলসংখ্যক মানুষের ভিড়ে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।