আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের হাইফা নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে আজ শুক্রবার ভোর পর্যন্ত পরিচালিত এই অভিযানে তারা ইসরায়েলি সামরিক অবস্থান, গোলান মালভূমি এবং লেবানন সীমান্ত সংলগ্ন বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বৃষ্টির মতো রকেট ও কামানের গোলা বর্ষণ করে।
বৈরুতসহ লেবাননের বিভিন্ন শহরে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বর্বরোচিত হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে নয়টা নাগাদ হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা অধিকৃত হাইফা শহরের নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। ঠিক একই সময়ে অধিকৃত সিরীয় গোলান মালভূমির ইয়োভ ব্যারাকেও রকেট হামলা চালানো হয়। তবে সংঘাতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত এলাকায়। আজ শুক্রবার রাত সাড়ে বারোটার দিকে মারকাবার একটি নবনির্মিত সামরিক অবস্থানে ইসরায়েলি যানের জমায়েত লক্ষ্য করে নিখুঁতভাবে গাইডেড মিসাইল হামলার দাবি করেছে হিজবুল্লাহ। এতে ইসরায়েলি সামরিক যানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ভোর হওয়ার আগেই খিয়াম শহরের দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করা ইসরায়েলি পদাতিক বাহিনীর সঙ্গে হিজবুল্লাহর সরাসরি বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। ওয়াদি আল-আসফির থেকে অগ্রসর হওয়া ইসরায়েলি ইউনিটগুলো হিজবুল্লাহর প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়ে এবং তাদের বেশ কিছু যান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। এছাড়া মালিকিয়া সামরিক সাইট এবং মেতুলা, মানারা ও ইফতাহ ব্যারাকেও দফায় দফায় রকেট ও কামানের গোলা বর্ষণ করা হয়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শুক্রবার ভোরে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে একটি জরুরি সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। উত্তর ফিলিস্তিনের অধিকৃত অঞ্চলে লেবানন সীমান্ত থেকে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বসবাসকারী ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তারা। হিজবুল্লাহর সামরিক মিডিয়া বিভাগ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, লেবাননের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাব দেয়া হবে। তাদের এই প্রতিরোধ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের হাইফা নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে আজ শুক্রবার ভোর পর্যন্ত পরিচালিত এই অভিযানে তারা ইসরায়েলি সামরিক অবস্থান, গোলান মালভূমি এবং লেবানন সীমান্ত সংলগ্ন বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বৃষ্টির মতো রকেট ও কামানের গোলা বর্ষণ করে।
বৈরুতসহ লেবাননের বিভিন্ন শহরে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বর্বরোচিত হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে নয়টা নাগাদ হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা অধিকৃত হাইফা শহরের নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। ঠিক একই সময়ে অধিকৃত সিরীয় গোলান মালভূমির ইয়োভ ব্যারাকেও রকেট হামলা চালানো হয়। তবে সংঘাতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত এলাকায়। আজ শুক্রবার রাত সাড়ে বারোটার দিকে মারকাবার একটি নবনির্মিত সামরিক অবস্থানে ইসরায়েলি যানের জমায়েত লক্ষ্য করে নিখুঁতভাবে গাইডেড মিসাইল হামলার দাবি করেছে হিজবুল্লাহ। এতে ইসরায়েলি সামরিক যানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ভোর হওয়ার আগেই খিয়াম শহরের দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করা ইসরায়েলি পদাতিক বাহিনীর সঙ্গে হিজবুল্লাহর সরাসরি বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। ওয়াদি আল-আসফির থেকে অগ্রসর হওয়া ইসরায়েলি ইউনিটগুলো হিজবুল্লাহর প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়ে এবং তাদের বেশ কিছু যান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। এছাড়া মালিকিয়া সামরিক সাইট এবং মেতুলা, মানারা ও ইফতাহ ব্যারাকেও দফায় দফায় রকেট ও কামানের গোলা বর্ষণ করা হয়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শুক্রবার ভোরে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে একটি জরুরি সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। উত্তর ফিলিস্তিনের অধিকৃত অঞ্চলে লেবানন সীমান্ত থেকে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বসবাসকারী ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তারা। হিজবুল্লাহর সামরিক মিডিয়া বিভাগ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, লেবাননের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাব দেয়া হবে। তাদের এই প্রতিরোধ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।