আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দাবানলে পুড়ছে ফ্রান্সের বহু এলাকা। অসচেতনতা, অসতর্কতার এবং ইচ্ছাকৃতভাবে দাবানল উস্কে দেওয়ার অভিযোগে ৬ জুলাই থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ২০ দিনে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৬২ জনকে।
আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেবাস্টিয়েন লেকোর্নু। সেই সঙ্গে সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন, “যারা দাবানল উস্কে দিচ্ছে, তাদের শনাক্ত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের খুঁজে বের করা হবে, গ্রেপ্তার করা হবে এবং আদালতে হাজির করার আগেই তারা যেন নিজেদের কাজের জন্য জবাবদিহিতা করতে প্রস্তুত থাকে, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, চলতি ২০২৬ সালের শুরু থেকেই ফ্রান্সে দাবানলের প্রকোপ শুরু হয়েছে। জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ৭ মাসে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় মোট ১৩ হাজার ৫৬৬টি দাবানলের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। এসব দাবানলে দেশটির ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৫ হেক্টর পরিমাণ জমির গাছপালা সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে এবং এটি একটি রেকর্ড। ২০২২ সালের দাবানলে ফ্রান্সের ৭২ হাজার একর জমির গাছপালা পুড়ে গিয়েছিল। এতদিন পর্যন্ত এটি ছিল দাবানলে ফ্রান্সে সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতির রেকর্ড।
এক্সবার্তায় সেবাস্টিয়ান লেকোর্নু বলেছেন, ফ্রান্সে প্রতি ১০ দাবানলের ৯টিই ঘটছে মানবসৃষ্ট কারণে। মূলত সিগারেটের গোড়া না নিভিয়ে যত্র-তত্র ফেলে দেওয়া, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বারবিকিউ পার্টি করা, সতর্কতা ছাড়াই ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ কাজসহ বিভিন্ন কারণে বাড়ছে দাবানলের ঝুঁকি। যারা ইচ্ছাকৃতভাবে অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে দাবানল উস্কে দেবেন, অপরাধ প্রমাণিত হলে ন্যূনতম ১৫ বছল তাদের কারাগারে থাকতে হবে বলে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন তিনি।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

দাবানলে পুড়ছে ফ্রান্সের বহু এলাকা। অসচেতনতা, অসতর্কতার এবং ইচ্ছাকৃতভাবে দাবানল উস্কে দেওয়ার অভিযোগে ৬ জুলাই থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ২০ দিনে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৬২ জনকে।
আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেবাস্টিয়েন লেকোর্নু। সেই সঙ্গে সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন, “যারা দাবানল উস্কে দিচ্ছে, তাদের শনাক্ত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের খুঁজে বের করা হবে, গ্রেপ্তার করা হবে এবং আদালতে হাজির করার আগেই তারা যেন নিজেদের কাজের জন্য জবাবদিহিতা করতে প্রস্তুত থাকে, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, চলতি ২০২৬ সালের শুরু থেকেই ফ্রান্সে দাবানলের প্রকোপ শুরু হয়েছে। জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ৭ মাসে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় মোট ১৩ হাজার ৫৬৬টি দাবানলের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। এসব দাবানলে দেশটির ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৫ হেক্টর পরিমাণ জমির গাছপালা সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে এবং এটি একটি রেকর্ড। ২০২২ সালের দাবানলে ফ্রান্সের ৭২ হাজার একর জমির গাছপালা পুড়ে গিয়েছিল। এতদিন পর্যন্ত এটি ছিল দাবানলে ফ্রান্সে সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতির রেকর্ড।
এক্সবার্তায় সেবাস্টিয়ান লেকোর্নু বলেছেন, ফ্রান্সে প্রতি ১০ দাবানলের ৯টিই ঘটছে মানবসৃষ্ট কারণে। মূলত সিগারেটের গোড়া না নিভিয়ে যত্র-তত্র ফেলে দেওয়া, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বারবিকিউ পার্টি করা, সতর্কতা ছাড়াই ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ কাজসহ বিভিন্ন কারণে বাড়ছে দাবানলের ঝুঁকি। যারা ইচ্ছাকৃতভাবে অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে দাবানল উস্কে দেবেন, অপরাধ প্রমাণিত হলে ন্যূনতম ১৫ বছল তাদের কারাগারে থাকতে হবে বলে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন তিনি।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি