আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটি সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অংশ নেয়া দেশগুলোকে হরমুজ প্রণালিতে ‘সমস্যার মুখে পড়তে হবে’। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে প্রতিপক্ষ ইরানের কোনও লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি; বরং দেশের ভেতরে ঐক্য আরও শক্তিশালী হয়েছে বলেও দাবি করেছে তেহরান।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, তেহরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে অংশ নেয়া যেকোনও দেশকে ‘হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে অবশ্যই সমস্যার মুখে পড়তে হব ‘ বলে ইরানের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র বলেছেন।
ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে।
সামরিক মুখপাত্র আক্রামি নিয়াও দাবি করেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধে ‘শত্রু পক্ষের কোনও লক্ষ্যই পূরণ হয়নি’ এবং ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোর ভারসাম্যও নষ্ট করা যায়নি। তিনি বলেন, ‘বরং দেশের ভেতরে ঐক্য ও সংহতি আরও শক্তিশালী হয়েছে, যার প্রমাণ এখনও রাস্তায় মানুষের উপস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে।’ নিয়া আরও বলেন, ‘শত্রু পক্ষ বুঝতে পেরেছে যে তারা এই প্রতিরোধ ভাঙতে পারবে না এবং শেষ পর্যন্ত তাদের যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে বাধ্য হতে হয়েছে।’
তিনি জানান, চলমান যুদ্ধবিরতির সময় ইরান তাদের সামরিক শক্তি ও সক্ষমতা আরও জোরদার করেছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে এবং প্রতিরক্ষা ও আক্রমণাত্মক অবস্থানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এদিকে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন লক্ষ্যবস্তু এবং ‘শত্রু’ জাহাজগুলোর দিকে ইরানের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তাক করা আছে বলে জানিয়েছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল সাইয়েদ মজিদ মুসাভি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, চ‚ড়ান্ত হামলার আদেশের জন্য তার বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি ও ইরানি জাহাজে হামলার প্রেক্ষাপটে আইআরজিসির এই ঊর্ধ্বতন কমান্ডার এমন বিবৃতি দিলেন। আইআরজিসি নৌবাহিনী জোর দিয়ে বলেছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে যাতায়াতের জন্য একমাত্র নিরাপদ ও অনুমোদিত করিডোর হলো ইরানের নির্ধারিত পথগুলো। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের ওপর সম্পূর্ণ ও বুদ্ধিদীপ্ত নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে আইআরজিসি নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি ইরানি জাহাজগুলোকে সুরক্ষা দিয়ে চলেছে। আইআরজিসি ইরানের স্বার্থ এবং পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা রক্ষার্থে যেকোনও মুহূর্তে সাড়া দেয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বলেও জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যমটি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিদেশি শক্তির যেকোনও বিচ্যুতি বা প্রতিকূল পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দৃঢ়, তাৎক্ষণিক এবং চূড়ান্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটি সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অংশ নেয়া দেশগুলোকে হরমুজ প্রণালিতে ‘সমস্যার মুখে পড়তে হবে’। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে প্রতিপক্ষ ইরানের কোনও লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি; বরং দেশের ভেতরে ঐক্য আরও শক্তিশালী হয়েছে বলেও দাবি করেছে তেহরান।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, তেহরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে অংশ নেয়া যেকোনও দেশকে ‘হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে অবশ্যই সমস্যার মুখে পড়তে হব ‘ বলে ইরানের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র বলেছেন।
ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে।
সামরিক মুখপাত্র আক্রামি নিয়াও দাবি করেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধে ‘শত্রু পক্ষের কোনও লক্ষ্যই পূরণ হয়নি’ এবং ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোর ভারসাম্যও নষ্ট করা যায়নি। তিনি বলেন, ‘বরং দেশের ভেতরে ঐক্য ও সংহতি আরও শক্তিশালী হয়েছে, যার প্রমাণ এখনও রাস্তায় মানুষের উপস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে।’ নিয়া আরও বলেন, ‘শত্রু পক্ষ বুঝতে পেরেছে যে তারা এই প্রতিরোধ ভাঙতে পারবে না এবং শেষ পর্যন্ত তাদের যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে বাধ্য হতে হয়েছে।’
তিনি জানান, চলমান যুদ্ধবিরতির সময় ইরান তাদের সামরিক শক্তি ও সক্ষমতা আরও জোরদার করেছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে এবং প্রতিরক্ষা ও আক্রমণাত্মক অবস্থানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এদিকে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন লক্ষ্যবস্তু এবং ‘শত্রু’ জাহাজগুলোর দিকে ইরানের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তাক করা আছে বলে জানিয়েছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল সাইয়েদ মজিদ মুসাভি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, চ‚ড়ান্ত হামলার আদেশের জন্য তার বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি ও ইরানি জাহাজে হামলার প্রেক্ষাপটে আইআরজিসির এই ঊর্ধ্বতন কমান্ডার এমন বিবৃতি দিলেন। আইআরজিসি নৌবাহিনী জোর দিয়ে বলেছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে যাতায়াতের জন্য একমাত্র নিরাপদ ও অনুমোদিত করিডোর হলো ইরানের নির্ধারিত পথগুলো। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের ওপর সম্পূর্ণ ও বুদ্ধিদীপ্ত নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে আইআরজিসি নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি ইরানি জাহাজগুলোকে সুরক্ষা দিয়ে চলেছে। আইআরজিসি ইরানের স্বার্থ এবং পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা রক্ষার্থে যেকোনও মুহূর্তে সাড়া দেয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বলেও জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যমটি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিদেশি শক্তির যেকোনও বিচ্যুতি বা প্রতিকূল পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দৃঢ়, তাৎক্ষণিক এবং চূড়ান্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।