আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুব নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে গত সেপ্টেম্বরে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি ভোট দিয়েছেন। তিনি রাজধানী কাঠমাণ্ডুর কাছে ভক্তপুর জেলায় একটি ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোট দেন। ওলি ঝাপা-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কাঠমাণ্ডুর সাবেক মেয়র বালেন শাহের বিরুদ্ধে, যিনি দেশের তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
তবে আজ বৃহস্পতিবার ভোটের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ওলি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে বলেন, এই নির্বাচনকে তার জন্য ‘চ্যালেঞ্জিং’ মনে করার ‘কোনো প্রয়োজন নেই’। ৭৪ বছর বয়সী এই রাজনীতিক দীর্ঘদিন ধরে নেপালের রাজনীতির প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব এবং তার দলসহ তিনি সেই সব ক্ষমতাসীন জোটের অংশ ছিলেন, যারা দশকের পর দশক নেপালের রাজনীতিতে প্রাধান্য বিস্তার করেছে।
মাত্র পাঁচ মাস আগে জেন-জি বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেও ওলি বলেছেন, তিনি এখনো বিশ্বাস করেন যে আবার ক্ষমতায় ফিরবেন।
তিনি বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমি জিতব এবং আমার দলও জিতবে।’ ২০২২ সালের নির্বাচনে তার দল কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউএমএল) দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছিল। গত সপ্তাহে নির্বাচনী প্রচারণার সময় তার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, বিক্ষোভের পর তিনি ও তার দল ‘নতুন প্রজন্মের অনুভূতি বুঝতে চায়’ এবং দেশের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার অগ্রাধিকার হবে নেপালের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করা, পাশাপাশি শান্তি ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা।

যুব নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে গত সেপ্টেম্বরে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি ভোট দিয়েছেন। তিনি রাজধানী কাঠমাণ্ডুর কাছে ভক্তপুর জেলায় একটি ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোট দেন। ওলি ঝাপা-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কাঠমাণ্ডুর সাবেক মেয়র বালেন শাহের বিরুদ্ধে, যিনি দেশের তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
তবে আজ বৃহস্পতিবার ভোটের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ওলি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে বলেন, এই নির্বাচনকে তার জন্য ‘চ্যালেঞ্জিং’ মনে করার ‘কোনো প্রয়োজন নেই’। ৭৪ বছর বয়সী এই রাজনীতিক দীর্ঘদিন ধরে নেপালের রাজনীতির প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব এবং তার দলসহ তিনি সেই সব ক্ষমতাসীন জোটের অংশ ছিলেন, যারা দশকের পর দশক নেপালের রাজনীতিতে প্রাধান্য বিস্তার করেছে।
মাত্র পাঁচ মাস আগে জেন-জি বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেও ওলি বলেছেন, তিনি এখনো বিশ্বাস করেন যে আবার ক্ষমতায় ফিরবেন।
তিনি বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমি জিতব এবং আমার দলও জিতবে।’ ২০২২ সালের নির্বাচনে তার দল কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউএমএল) দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছিল। গত সপ্তাহে নির্বাচনী প্রচারণার সময় তার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, বিক্ষোভের পর তিনি ও তার দল ‘নতুন প্রজন্মের অনুভূতি বুঝতে চায়’ এবং দেশের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার অগ্রাধিকার হবে নেপালের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করা, পাশাপাশি শান্তি ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা।