• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বিশ্ব

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে চাইছেন না অনেক মার্কিন সেনা

আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ২১: ৩৩
logo

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে চাইছেন না অনেক মার্কিন সেনা

আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ২১: ৩৩
Photo

সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বা যুদ্ধ করতে রাজি নন এমন ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করে ‘সেন্টার অন কনশিয়েনশস অ্যান্ড ওয়ার’ নামের অলাভজনক এই প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির ফোন ‘ক্রমাগত বেজে চলেছে’। মার্কিন সেনারা তাদের ফোন করছেন। সেনারা তাদের ফোন করে বলেছেন, তাঁরা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে চান না।

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লিখেছেন, ইরানে যুদ্ধ করা নিয়ে সেনাদের ভেতর থেকে তীব্র আপত্তি উঠেছে। অলাভজনক প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মাইক প্রাইজনার লিখেছেন, ‘ফোন বেজেই চলেছে। সরকারের তরফে জনগণকে যা বলা হয়েছে, তার থেকে অনেক বেশি সেনা ইউনিটকে মোতায়েনের জন্য সক্রিয় করা হয়েছে।’

গত সপ্তাহে মিডলইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরানে বিশেষ বাহিনী পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। আরও বৃহত্তর সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা নিয়েও জল্পনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী সম্প্রতি তাদের ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের কিছু সেনার জন্য নির্ধারিত একটি বড় প্রশিক্ষণ মহড়া বাতিল করেছে। এয়ারবোর্ন সেনারা মূলত স্থলযুদ্ধে বিশেষজ্ঞ। তারা আকাশপথে এসে দ্রুত শত্রু সীমায় প্রবেশ করতে সক্ষম।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলাইন লেভিট আবারও বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ (ড্রাফট) চালু করার সম্ভাবনা নাকচ করে দেননি।

শেষবার, ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র পুরুষদের বাধ্যতামূলকভাবে যুদ্ধে পাঠাতে নিয়োগ দিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রে ঐতিহ্যগতভাবে বিদেশে যুদ্ধে যেতে আপত্তি জানানো অনেক নাগরিক রয়েছেন। এঁদের বলা হয়ে থাকে ‘কনশিয়েনশস অবজেক্টরস’।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে এক্সে আরেকটি পোস্টে বলা হয়, ‘গতকাল আমাদের কাছে একজন সেনাসদস্যের ফোন এসেছে, যিনি সেনাবাহিনীতে মোতায়েন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। তিনি এখন ‘কনশিয়েনশস অবজেক্টরস’ হিসেবে আবেদন করতে চাইছেন। শুধু তাুই নয়, তিনি তাঁর ইউনিটের মধ্যে ইরান যুদ্ধ নিয়ে ব্যাপক বিরোধিতা থাকার কথাও বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘তিনি সবাইকে আমাদের ফোন নম্বর দেবেন।’

পোস্টে আরও বলা হয়, বিশেষত, তাঁরা (মার্কিন সেনারা) আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানি যুদ্ধজাহাজের ওপর হামলার এবং পাশাপাশি মেয়েদের একটি স্কুলে মার্কিন হামলার ঘটনায় চরম আপত্তি প্রকাশ করেছেন।

ইরানের ওই স্কুলটিতে যুক্তরাষ্ট্রুইসরায়েল যৌথ হামলায় অন্তত ১৬৫ জন নিহত হয়েছেন, নিহতদের বেশির ভাগই মেয়েশিশু। তারা ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল।

মিডলইস্ট আইয়ের খবর অনুযায়ী, ইরানের মিনাব শহরের ওই স্কুলটিতে দুবার হামলা করা হয়। প্রথমবার হামলার পর আতঙ্কে এক জায়গায় আশ্রয় নেওয়া শিক্ষার্থী ও তাদের উদ্ধারকারীদের লক্ষ্য করে দ্বিতীয়বার হামলা চালানো হয়।

মিডলইস্ট আই, নিউইয়র্ক টাইমস, রয়টার্সসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম পরে ইরানের ওই বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বোমা বর্ষণের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায়। সেখানে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা হামলা চালানো হয়।

ইরানের আধা সরকারি মেহর নিউজ এজেন্সি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র স্কুলের পাশের একটি নৌঘাঁটিতে আঘাত করছে।

ট্রাম্প প্রশাসনকে এ হামলার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যায়।বরং গত শনিবার ট্রাম্প ইরানের ওপরই স্কুলে হামলার দায় চাপান। কিন্তু যদিও তিনি নিজের এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।

Thumbnail image

সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বা যুদ্ধ করতে রাজি নন এমন ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করে ‘সেন্টার অন কনশিয়েনশস অ্যান্ড ওয়ার’ নামের অলাভজনক এই প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির ফোন ‘ক্রমাগত বেজে চলেছে’। মার্কিন সেনারা তাদের ফোন করছেন। সেনারা তাদের ফোন করে বলেছেন, তাঁরা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে চান না।

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লিখেছেন, ইরানে যুদ্ধ করা নিয়ে সেনাদের ভেতর থেকে তীব্র আপত্তি উঠেছে। অলাভজনক প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মাইক প্রাইজনার লিখেছেন, ‘ফোন বেজেই চলেছে। সরকারের তরফে জনগণকে যা বলা হয়েছে, তার থেকে অনেক বেশি সেনা ইউনিটকে মোতায়েনের জন্য সক্রিয় করা হয়েছে।’

গত সপ্তাহে মিডলইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরানে বিশেষ বাহিনী পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। আরও বৃহত্তর সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা নিয়েও জল্পনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী সম্প্রতি তাদের ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের কিছু সেনার জন্য নির্ধারিত একটি বড় প্রশিক্ষণ মহড়া বাতিল করেছে। এয়ারবোর্ন সেনারা মূলত স্থলযুদ্ধে বিশেষজ্ঞ। তারা আকাশপথে এসে দ্রুত শত্রু সীমায় প্রবেশ করতে সক্ষম।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলাইন লেভিট আবারও বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ (ড্রাফট) চালু করার সম্ভাবনা নাকচ করে দেননি।

শেষবার, ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র পুরুষদের বাধ্যতামূলকভাবে যুদ্ধে পাঠাতে নিয়োগ দিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রে ঐতিহ্যগতভাবে বিদেশে যুদ্ধে যেতে আপত্তি জানানো অনেক নাগরিক রয়েছেন। এঁদের বলা হয়ে থাকে ‘কনশিয়েনশস অবজেক্টরস’।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে এক্সে আরেকটি পোস্টে বলা হয়, ‘গতকাল আমাদের কাছে একজন সেনাসদস্যের ফোন এসেছে, যিনি সেনাবাহিনীতে মোতায়েন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। তিনি এখন ‘কনশিয়েনশস অবজেক্টরস’ হিসেবে আবেদন করতে চাইছেন। শুধু তাুই নয়, তিনি তাঁর ইউনিটের মধ্যে ইরান যুদ্ধ নিয়ে ব্যাপক বিরোধিতা থাকার কথাও বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘তিনি সবাইকে আমাদের ফোন নম্বর দেবেন।’

পোস্টে আরও বলা হয়, বিশেষত, তাঁরা (মার্কিন সেনারা) আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানি যুদ্ধজাহাজের ওপর হামলার এবং পাশাপাশি মেয়েদের একটি স্কুলে মার্কিন হামলার ঘটনায় চরম আপত্তি প্রকাশ করেছেন।

ইরানের ওই স্কুলটিতে যুক্তরাষ্ট্রুইসরায়েল যৌথ হামলায় অন্তত ১৬৫ জন নিহত হয়েছেন, নিহতদের বেশির ভাগই মেয়েশিশু। তারা ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল।

মিডলইস্ট আইয়ের খবর অনুযায়ী, ইরানের মিনাব শহরের ওই স্কুলটিতে দুবার হামলা করা হয়। প্রথমবার হামলার পর আতঙ্কে এক জায়গায় আশ্রয় নেওয়া শিক্ষার্থী ও তাদের উদ্ধারকারীদের লক্ষ্য করে দ্বিতীয়বার হামলা চালানো হয়।

মিডলইস্ট আই, নিউইয়র্ক টাইমস, রয়টার্সসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম পরে ইরানের ওই বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বোমা বর্ষণের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায়। সেখানে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা হামলা চালানো হয়।

ইরানের আধা সরকারি মেহর নিউজ এজেন্সি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র স্কুলের পাশের একটি নৌঘাঁটিতে আঘাত করছে।

ট্রাম্প প্রশাসনকে এ হামলার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যায়।বরং গত শনিবার ট্রাম্প ইরানের ওপরই স্কুলে হামলার দায় চাপান। কিন্তু যদিও তিনি নিজের এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

নেপালে ফের আকস্মিক বন্যা, ভেসে গেল বাড়িঘর

২

দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটক

৩

বিজেপিকে ধ্বংস করে দেব: রাহুল গান্ধী

৪

এআই প্রযুক্তি ব্যবহারকারী ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ তদারকিতে কিম

৫

ইরানে বাড়ছে বয়স্কদের সংখ্যা

সম্পর্কিত

নেপালে ফের আকস্মিক বন্যা, ভেসে গেল বাড়িঘর

নেপালে ফের আকস্মিক বন্যা, ভেসে গেল বাড়িঘর

২ দিন আগে
দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটক

দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটক

৩ দিন আগে
বিজেপিকে ধ্বংস করে দেব: রাহুল গান্ধী

বিজেপিকে ধ্বংস করে দেব: রাহুল গান্ধী

৬ দিন আগে
এআই প্রযুক্তি ব্যবহারকারী ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ তদারকিতে কিম

এআই প্রযুক্তি ব্যবহারকারী ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ তদারকিতে কিম

৯ দিন আগে