আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাইদুগুরিতে সন্দেহভাজন আত্মঘাতী হামলাকারীদের একাধিক বিস্ফোরণে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক।
আজ মঙ্গলবার দেশটির পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।
পুলিশের মুখপাত্র নাহুম কেনেথ দাসো এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ঘটনাগুলো সন্দেহভাজন আত্মঘাতী হামলাকারীদের মাধ্যমে ঘটেছে।’ মাইদুগুরি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
তিনি বলেন, ‘এই ঘটনায় দুঃখজনকভাবে মোট ২৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন ১০৮ জন, যাদের শরীরে আঘাতের মাত্রা ভিন্ন ভিন্ন।’ গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় এ সব বিস্ফোরণ ঘটে।
এর আগে রোববার রাত থেকে সোমবার ভোরের মধ্যে একটি সামরিক চৌকিতে হামলা চালানো হয়। কর্তৃপক্ষ ওই হামলার জন্য সন্দেহভাজন জিহাদি গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছে। এর আগের রাতে সামরিক অবস্থানে হামলা ও গত ডিসেম্বরে একটি মসজিদে বোমা হামলার সঙ্গে মিলিয়ে এ সব ঘটনায় শহরের শান্ত পরিবেশ ভেঙে পড়েছে। দীর্ঘদিনের সংঘাত গ্রামীণ এলাকায় সরে যাওয়ার পর মাইদুগুরি তুলনামূলকভাবে শান্ত ছিল।
সম্প্রতি নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বোকো হারাম ও প্রতিদ্বন্দ্বী জিহাদি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট ওয়েস্ট আফ্রিকা প্রভিন্স (আইএসডব্লিউএপি) হামলা বাড়িয়েছে। দেশটিতে খিলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাদের ১৬ বছরের অভিযানে ৪০ সহস্রাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ২০ লাখ মানুষ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় শহরের একটি হাসপাতালে এএফপির এক সাংবাদিক বিপুল সংখ্যক আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসা নিতে দেখেছেন।
এর পাশাপাশি এই হাসপাতালের বাইরে ফুটপাতে কাপড়ে ঢাকা একাধিক লাশও পড়ে থাকতে দেখা যায়। আজ মঙ্গলবার ভোরে দেওয়া এক বিবৃতিতে পুলিশ জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ‘পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে।’ ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে মাইদুগুরি ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাইদুগুরিতে সন্দেহভাজন আত্মঘাতী হামলাকারীদের একাধিক বিস্ফোরণে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক।
আজ মঙ্গলবার দেশটির পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।
পুলিশের মুখপাত্র নাহুম কেনেথ দাসো এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ঘটনাগুলো সন্দেহভাজন আত্মঘাতী হামলাকারীদের মাধ্যমে ঘটেছে।’ মাইদুগুরি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
তিনি বলেন, ‘এই ঘটনায় দুঃখজনকভাবে মোট ২৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন ১০৮ জন, যাদের শরীরে আঘাতের মাত্রা ভিন্ন ভিন্ন।’ গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় এ সব বিস্ফোরণ ঘটে।
এর আগে রোববার রাত থেকে সোমবার ভোরের মধ্যে একটি সামরিক চৌকিতে হামলা চালানো হয়। কর্তৃপক্ষ ওই হামলার জন্য সন্দেহভাজন জিহাদি গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছে। এর আগের রাতে সামরিক অবস্থানে হামলা ও গত ডিসেম্বরে একটি মসজিদে বোমা হামলার সঙ্গে মিলিয়ে এ সব ঘটনায় শহরের শান্ত পরিবেশ ভেঙে পড়েছে। দীর্ঘদিনের সংঘাত গ্রামীণ এলাকায় সরে যাওয়ার পর মাইদুগুরি তুলনামূলকভাবে শান্ত ছিল।
সম্প্রতি নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বোকো হারাম ও প্রতিদ্বন্দ্বী জিহাদি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট ওয়েস্ট আফ্রিকা প্রভিন্স (আইএসডব্লিউএপি) হামলা বাড়িয়েছে। দেশটিতে খিলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাদের ১৬ বছরের অভিযানে ৪০ সহস্রাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ২০ লাখ মানুষ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় শহরের একটি হাসপাতালে এএফপির এক সাংবাদিক বিপুল সংখ্যক আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসা নিতে দেখেছেন।
এর পাশাপাশি এই হাসপাতালের বাইরে ফুটপাতে কাপড়ে ঢাকা একাধিক লাশও পড়ে থাকতে দেখা যায়। আজ মঙ্গলবার ভোরে দেওয়া এক বিবৃতিতে পুলিশ জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ‘পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে।’ ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে মাইদুগুরি ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।