আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার ঘণ্টাখানের মধ্যে নতুন ঘোষণা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শনিবার এক ভিডিও বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানিদের প্রতি আহ্বান জানান যে ইরানে চলমান তাদের ব্যাপক আক্রমণকে কাজে লাগিয়ে যেন তারা দেশের ধর্মীয় নেতৃত্বের শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করে।
তিনি বলেন, ‘যখন আমরা শেষ করব, আপনারা নিজেদের সরকার দখলে নিন। এটি আপনাদের নেওয়ার জন্য থাকবে। বহু প্রজন্মে এটাই সম্ভবত আপনাদের একমাত্র সুযোগ।’ তিনি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক করে বলেন, তারা যদি অস্ত্র ফেলে না দেয়, তাহলে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে। তবে অস্ত্র সমর্পণ করলে তাদের মুক্তি দেওয়া হবে। এর আগে চলতি জানুয়ারির শুরুতে দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানে অন্তত ৬ হাজার ৪৮০ জন নিহত হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীদের এমন দাবির পর ট্রাম্প ইরানকে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি সতর্ক করেছিলেন যে দায়ীদের বড় মূল্য দিতে হবে এবং বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেন যে সহায়তা পথে রয়েছে।
তবে কয়েক দিন পর প্রেসিডেন্ট জানান, ইরান সরকারের কাছ থেকে তিনি আশ্বাস পেয়েছেন যে হত্যা বন্ধ হয়েছে। পরে তার দৃষ্টি সরে যায় দেশের পরমাণু কর্মসূচির দিকে। যা নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এদিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আগ্রাসনের কঠোর জবাব দিচ্ছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনী ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী প্রতিশোধমূলক ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে দেশটির মিসাইলগুলো আঘাত হেনেছে উপসাগরীয় দেশগুলোতে। এতে আরব আমিরাতে একজন নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার ঘণ্টাখানের মধ্যে নতুন ঘোষণা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শনিবার এক ভিডিও বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানিদের প্রতি আহ্বান জানান যে ইরানে চলমান তাদের ব্যাপক আক্রমণকে কাজে লাগিয়ে যেন তারা দেশের ধর্মীয় নেতৃত্বের শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করে।
তিনি বলেন, ‘যখন আমরা শেষ করব, আপনারা নিজেদের সরকার দখলে নিন। এটি আপনাদের নেওয়ার জন্য থাকবে। বহু প্রজন্মে এটাই সম্ভবত আপনাদের একমাত্র সুযোগ।’ তিনি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক করে বলেন, তারা যদি অস্ত্র ফেলে না দেয়, তাহলে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে। তবে অস্ত্র সমর্পণ করলে তাদের মুক্তি দেওয়া হবে। এর আগে চলতি জানুয়ারির শুরুতে দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানে অন্তত ৬ হাজার ৪৮০ জন নিহত হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীদের এমন দাবির পর ট্রাম্প ইরানকে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি সতর্ক করেছিলেন যে দায়ীদের বড় মূল্য দিতে হবে এবং বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেন যে সহায়তা পথে রয়েছে।
তবে কয়েক দিন পর প্রেসিডেন্ট জানান, ইরান সরকারের কাছ থেকে তিনি আশ্বাস পেয়েছেন যে হত্যা বন্ধ হয়েছে। পরে তার দৃষ্টি সরে যায় দেশের পরমাণু কর্মসূচির দিকে। যা নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এদিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আগ্রাসনের কঠোর জবাব দিচ্ছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনী ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী প্রতিশোধমূলক ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে দেশটির মিসাইলগুলো আঘাত হেনেছে উপসাগরীয় দেশগুলোতে। এতে আরব আমিরাতে একজন নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।