আমার শহর ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের হজের উন্নয়নে কাজ করার জন্য কামলা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। হজের সার্বিক উন্নয়নের জন্য যা প্রয়োজন তাই করা হবে এবং কোনো অন্যায় বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না,বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
তিনি বলেন, আর আমরা তো যাচ্ছি সৌদি আরবে, আমরা মাননীয় মন্ত্রী হিসেবে যাচ্ছি না; তাদের কামলা হিসেবে যাচ্ছি। তাদের কাজ করার জন্য আমরা যাব, তাদের খেদমত করার জন্য যাব। আপনাদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
গতকাল শুক্রবার রাতে ‘হজ ফ্লাইট-২০২৬’ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে দেওয়া বক্তব্যে হজ ব্যবস্থাপনায় সেবামূলক মনোভাবের ওপর জোর দিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে যা প্রয়োজন, তা করা হবে। কোনো অন্যায় বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না,” বলেন মন্ত্রী।
তিনি আরও জানান, সীমিত সময়ের মধ্যেও এবার হজ প্রস্তুতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় দ্রুত ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, টিকিট ব্যবস্থা সহজ হয়েছে এবং শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, আল্লাহ যেন হাজিদের হজ কবুল করেন এবং তারা যেন সুষ্ঠুভাবে দেশে ফিরে আসতে পারেন। সবশেষে তিনি সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশে শান্তি আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের হজের উন্নয়নে কাজ করার জন্য কামলা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। হজের সার্বিক উন্নয়নের জন্য যা প্রয়োজন তাই করা হবে এবং কোনো অন্যায় বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না,বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
তিনি বলেন, আর আমরা তো যাচ্ছি সৌদি আরবে, আমরা মাননীয় মন্ত্রী হিসেবে যাচ্ছি না; তাদের কামলা হিসেবে যাচ্ছি। তাদের কাজ করার জন্য আমরা যাব, তাদের খেদমত করার জন্য যাব। আপনাদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
গতকাল শুক্রবার রাতে ‘হজ ফ্লাইট-২০২৬’ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে দেওয়া বক্তব্যে হজ ব্যবস্থাপনায় সেবামূলক মনোভাবের ওপর জোর দিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে যা প্রয়োজন, তা করা হবে। কোনো অন্যায় বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না,” বলেন মন্ত্রী।
তিনি আরও জানান, সীমিত সময়ের মধ্যেও এবার হজ প্রস্তুতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় দ্রুত ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, টিকিট ব্যবস্থা সহজ হয়েছে এবং শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, আল্লাহ যেন হাজিদের হজ কবুল করেন এবং তারা যেন সুষ্ঠুভাবে দেশে ফিরে আসতে পারেন। সবশেষে তিনি সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশে শান্তি আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।