নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নাভিদ নওরোজ শাহ্। তিনি বৃহত্তর কুমিল্লা ও বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের দায়িত্বে থাকবেন। আজ শুক্রবার এনসিপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানাজানি হয়। নাভিদ নওরোজ শাহ্ এনসিপির হয়ে কুটনৈতিকদের সঙ্গে কাজ করেন।
এতে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এর দায়িত্বে যথাক্রমে বহাল আছেন নাহিদ ইসলাম এমপি এবং আখতার হোসেন এমপি। সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হয়েছেন নাসিরুউদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি। সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব হয়েছেন সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম উত্তর) কুমিল্লার সন্তান নাভিদ নওরোজ শাহ্। চট্টগ্রাম উত্তর সাংগঠনিক বিভাগে রয়েছে কুমিল্লা, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, ফেনী, লক্ষ্মীপুর এই ছয়টি জেলা।
নাভিদ নওরোজ শাহ্ গত সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনে এনসিপি মনোনীত শাপলা কলি প্রতীকের প্রাথমিক প্রার্থী ছিলেন। পরবর্তীতে ১১ দলীয় জোট গঠন হলে তিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
পেশাগত জীবনে নাভিদ নওরোজ শাহ্ একজন মানবাধিকার আইনজীবী। কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাশ করে পড়াশোনা করেছেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ও যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ ইউনিভার্সিটিতে। কয়েকটি বেসরকারী সংস্থায় পরামর্শকের পাশাপাশি তিনি কুমিল্লা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে বর্তমানে কর্মরত আছেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তিনি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, মানবাধিকার কর্মী এবং পেশাজীবী জনগণকে সংগঠিত করায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনীতির বাইরে তিনি ন্যাশনাল প্রফেশনালস অ্যালায়েন্স এর আহ্বায়ক এবং উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক জেসিআই এর ঢাকা আপটাউন চ্যাপ্টারের সভাপতি হিসেবে নানাবিধ সামাজিক উন্নয়ন উদ্যোগের সাথে জড়িত। তাঁর বাবা কুমিল্লার বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শাহ মো. সেলিম, মা কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রসংসদের সাবেক ভিপি ও কুমিল্লা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের পৌরনীতি বিষয়ের অধ্যাপক ড. জে এন লিলি।
জানতে চাইলে নাভিদ নওরোজ শাহ্ বলেন, আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করব। দল আমাকে যে দায়িত্ব যখনই দিয়েছে, তখনই পালন করে আসছি। এনসিপিকে এ অঞ্চলে জনপ্রিয় সাংগঠনিক দল হিসেবে গড়ে তুলব।

জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নাভিদ নওরোজ শাহ্। তিনি বৃহত্তর কুমিল্লা ও বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের দায়িত্বে থাকবেন। আজ শুক্রবার এনসিপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানাজানি হয়। নাভিদ নওরোজ শাহ্ এনসিপির হয়ে কুটনৈতিকদের সঙ্গে কাজ করেন।
এতে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এর দায়িত্বে যথাক্রমে বহাল আছেন নাহিদ ইসলাম এমপি এবং আখতার হোসেন এমপি। সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হয়েছেন নাসিরুউদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি। সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব হয়েছেন সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম উত্তর) কুমিল্লার সন্তান নাভিদ নওরোজ শাহ্। চট্টগ্রাম উত্তর সাংগঠনিক বিভাগে রয়েছে কুমিল্লা, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, ফেনী, লক্ষ্মীপুর এই ছয়টি জেলা।
নাভিদ নওরোজ শাহ্ গত সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনে এনসিপি মনোনীত শাপলা কলি প্রতীকের প্রাথমিক প্রার্থী ছিলেন। পরবর্তীতে ১১ দলীয় জোট গঠন হলে তিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
পেশাগত জীবনে নাভিদ নওরোজ শাহ্ একজন মানবাধিকার আইনজীবী। কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাশ করে পড়াশোনা করেছেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ও যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ ইউনিভার্সিটিতে। কয়েকটি বেসরকারী সংস্থায় পরামর্শকের পাশাপাশি তিনি কুমিল্লা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে বর্তমানে কর্মরত আছেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তিনি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, মানবাধিকার কর্মী এবং পেশাজীবী জনগণকে সংগঠিত করায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনীতির বাইরে তিনি ন্যাশনাল প্রফেশনালস অ্যালায়েন্স এর আহ্বায়ক এবং উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক জেসিআই এর ঢাকা আপটাউন চ্যাপ্টারের সভাপতি হিসেবে নানাবিধ সামাজিক উন্নয়ন উদ্যোগের সাথে জড়িত। তাঁর বাবা কুমিল্লার বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শাহ মো. সেলিম, মা কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রসংসদের সাবেক ভিপি ও কুমিল্লা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের পৌরনীতি বিষয়ের অধ্যাপক ড. জে এন লিলি।
জানতে চাইলে নাভিদ নওরোজ শাহ্ বলেন, আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করব। দল আমাকে যে দায়িত্ব যখনই দিয়েছে, তখনই পালন করে আসছি। এনসিপিকে এ অঞ্চলে জনপ্রিয় সাংগঠনিক দল হিসেবে গড়ে তুলব।