আমার শহর ডেস্ক

রাজধানীর মগবাজারে গাড়িতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর, তার আগেই সিএনজি চালিত অটোরিকশা থেকে ফাঁকা গাড়িতে গুলিবর্ষণ করেন এক ব্যক্তি। ঘটনার সময় আসিফ গাড়িতে ছিলেন না।
আসিফ বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য, বিসিবির সাবেক পরিচালক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ব্যক্তি।
আজ শনিবার ভোর পৌনে ৫টার দিকে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত একটি কার্যালয় আছে মগবাজারে। তাঁর ব্যক্তিগত গাড়িটি বিশাল সেন্টারের সামনে পার্কিং করা ছিল। ভোরের দিকে গাড়িটি লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। কে এই গুলি চালিয়েছে, উদ্দেশ্য কী, তা এখনো জানা যায়নি এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে আশপাশ এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, বিশাল সেন্টার মার্কেটের নিচে পার্কিংয়ের স্থানে গাড়িটি পার্ক করা ছিল। ভোর পৌনে ৫টার দিকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে এসে গাড়িটি লক্ষ্য করে একটি গুলি ছোড়ে। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে খবর পেয়ে হাতিরঝিল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার সময় আসিফ আকবর বিশাল মার্কেটের তৃতীয় তলায় তাঁর নিজ অফিসে ছিলেন। পরে গাড়ির পেছনের জানালা খুলে ভেতর থেকে একটা গুলির কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, মগবাজারের অফিসে আসিফ আকবর রাতভর আড্ডা দেন। গান বুনেন। খেলাধূলা করেন। এই অফিসে নানাশ্রেণির মানুষের যাতায়াত থাকে। কুমিল্লা, ঢাকা ও সংগীত জগতের অনেকেই ওই অফিসে যান। সারারাত আড্ডা দিয়ে আসিফ আকবর ভোরে এখান থেকে বের হন। এটা তাঁর পরিচিত ও তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই জানেন। আসিফ এই সময়ে বের হন, এটা গুলিবর্ষণকারী জানেন অথবা তাঁকে জানানো হয়।
আসিফ আকবরের স্ত্রী সালমা বেগম মিতু বলেন, ও তো স্পষ্টভাষী ও স্পষ্টবাদী। র্যানডম কথা বলেন। এমনিতে তো তার কোন শত্রু নেই।
মিতু বলেন, ‘আসিফ আমাকে এটুকু বলেছে, কে বাবা কারা আমার গাড়িতে গুলি করেছে। আমার গাড়ির ক্ষতি করেছে। আমি ওপর থেকে সিসিটিভিতে দেখেছি। গুলির শব্দ শুনেছি। এরপর নিচ থেকে দারোয়ান ডাকাডাকি করেছে। তারপর নিচে আসছি। এরপর কেউ একজন দৌড়ে পালিয়েছে।’
আসিফ আকবর কাউকে সন্দেহ করছেন কি না, জানতে চাইলে সালমা আসিফ মিতু বলেন, ‘আমাদের কাছে সন্দেহজনক কেউ নেই। আমরা এই জীবনে আজ পর্যন্ত কাউকে কখনো সন্দেহ করতে পারিনি। সন্দেহ করার মতো কোনো ঘটনা তো আসিফের সঙ্গে কখনো ঘটেওনি। আসিফ বরাবরই সবার সঙ্গে মিলেমিশে চলেছে। সব সময় ন্যায্য কথা বলেছে। তবে এই ঘটনা অবিশ্বাস্য। বুঝতে পারছি না, কিসের থেকে কী হয়েছে।
এদিকে আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় কুমিল্লায় আসিফ ভক্তরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাঁরা গুলিবর্ষণকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
কুমিল্লা নগরের আদালত পাড়ায় আসিফ আকবরের বাসা। তিনি কুমিল্লার সন্তান পরিচয়ে গর্ব করেন। ২০০১ সালে ও প্রিয়া তুমি কোথায় গান গেয়ে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। এরপর সংগীত জগতের দুয়েকজনের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধও হয়। এ নিয়ে মামলা হয়। তিনি কয়েকদিন জেলও খাটেন। তাঁর সমালোচনা থেকে রক্ষা পাননি দেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক থেকে শুরু কওে চলচ্চিত্রের নায়ক ও শিল্পীরাও। ১৫ বছর আগে কুমিল্লায় বিএনপির এক সভায় তাঁর উপর হামলাও হয়েছিল। আলোচিত এই সংগীত শিল্পী প্রায় সময়ই আলোচনায় থাকেন, নানা ইস্যুতে।

রাজধানীর মগবাজারে গাড়িতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর, তার আগেই সিএনজি চালিত অটোরিকশা থেকে ফাঁকা গাড়িতে গুলিবর্ষণ করেন এক ব্যক্তি। ঘটনার সময় আসিফ গাড়িতে ছিলেন না।
আসিফ বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য, বিসিবির সাবেক পরিচালক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ব্যক্তি।
আজ শনিবার ভোর পৌনে ৫টার দিকে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত একটি কার্যালয় আছে মগবাজারে। তাঁর ব্যক্তিগত গাড়িটি বিশাল সেন্টারের সামনে পার্কিং করা ছিল। ভোরের দিকে গাড়িটি লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। কে এই গুলি চালিয়েছে, উদ্দেশ্য কী, তা এখনো জানা যায়নি এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে আশপাশ এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, বিশাল সেন্টার মার্কেটের নিচে পার্কিংয়ের স্থানে গাড়িটি পার্ক করা ছিল। ভোর পৌনে ৫টার দিকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে এসে গাড়িটি লক্ষ্য করে একটি গুলি ছোড়ে। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে খবর পেয়ে হাতিরঝিল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার সময় আসিফ আকবর বিশাল মার্কেটের তৃতীয় তলায় তাঁর নিজ অফিসে ছিলেন। পরে গাড়ির পেছনের জানালা খুলে ভেতর থেকে একটা গুলির কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, মগবাজারের অফিসে আসিফ আকবর রাতভর আড্ডা দেন। গান বুনেন। খেলাধূলা করেন। এই অফিসে নানাশ্রেণির মানুষের যাতায়াত থাকে। কুমিল্লা, ঢাকা ও সংগীত জগতের অনেকেই ওই অফিসে যান। সারারাত আড্ডা দিয়ে আসিফ আকবর ভোরে এখান থেকে বের হন। এটা তাঁর পরিচিত ও তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই জানেন। আসিফ এই সময়ে বের হন, এটা গুলিবর্ষণকারী জানেন অথবা তাঁকে জানানো হয়।
আসিফ আকবরের স্ত্রী সালমা বেগম মিতু বলেন, ও তো স্পষ্টভাষী ও স্পষ্টবাদী। র্যানডম কথা বলেন। এমনিতে তো তার কোন শত্রু নেই।
মিতু বলেন, ‘আসিফ আমাকে এটুকু বলেছে, কে বাবা কারা আমার গাড়িতে গুলি করেছে। আমার গাড়ির ক্ষতি করেছে। আমি ওপর থেকে সিসিটিভিতে দেখেছি। গুলির শব্দ শুনেছি। এরপর নিচ থেকে দারোয়ান ডাকাডাকি করেছে। তারপর নিচে আসছি। এরপর কেউ একজন দৌড়ে পালিয়েছে।’
আসিফ আকবর কাউকে সন্দেহ করছেন কি না, জানতে চাইলে সালমা আসিফ মিতু বলেন, ‘আমাদের কাছে সন্দেহজনক কেউ নেই। আমরা এই জীবনে আজ পর্যন্ত কাউকে কখনো সন্দেহ করতে পারিনি। সন্দেহ করার মতো কোনো ঘটনা তো আসিফের সঙ্গে কখনো ঘটেওনি। আসিফ বরাবরই সবার সঙ্গে মিলেমিশে চলেছে। সব সময় ন্যায্য কথা বলেছে। তবে এই ঘটনা অবিশ্বাস্য। বুঝতে পারছি না, কিসের থেকে কী হয়েছে।
এদিকে আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় কুমিল্লায় আসিফ ভক্তরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাঁরা গুলিবর্ষণকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
কুমিল্লা নগরের আদালত পাড়ায় আসিফ আকবরের বাসা। তিনি কুমিল্লার সন্তান পরিচয়ে গর্ব করেন। ২০০১ সালে ও প্রিয়া তুমি কোথায় গান গেয়ে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। এরপর সংগীত জগতের দুয়েকজনের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধও হয়। এ নিয়ে মামলা হয়। তিনি কয়েকদিন জেলও খাটেন। তাঁর সমালোচনা থেকে রক্ষা পাননি দেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক থেকে শুরু কওে চলচ্চিত্রের নায়ক ও শিল্পীরাও। ১৫ বছর আগে কুমিল্লায় বিএনপির এক সভায় তাঁর উপর হামলাও হয়েছিল। আলোচিত এই সংগীত শিল্পী প্রায় সময়ই আলোচনায় থাকেন, নানা ইস্যুতে।