নিজস্ব প্রতিবেদক

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ মাঘী পূর্ণিমা আজ রোববার। একই সঙ্গে দিবসটি বৌদ্ধদের কাছে একটি ঐতিহাসিক দিন। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে শুভ মাঘী পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।
মাঘী পূর্ণিমা উপলক্ষে আজ ও আগামীকাল নানা আয়োজন থাকছে। বৌদ্ধ বিহার ও প্যাগোডাগুলোতে আলোকসজ্জাসহ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মাঘী পূর্ণিমা উপলক্ষে স্কুল-কলেজ আজ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিনে বৌদ্ধ সম্প্রদায় ভিক্ষু সংঘের প্রাতরাশ গ্রহণ, বুদ্ধপূজা ও সীবলী পূজা, বুদ্ধমূর্তি ও সীবলী মূর্তির জীবন্যাস, অষ্ঠপরিষ্কারসহ সংঘদান, ভিক্ষু সংঘের পিণ্ডদান, অতিথি ভোজন, পবিত্র ত্রিপিটক পাঠ ও আলোচনাসভার কর্মসূচী নিয়েছে।
এ ছাড়া সব বৌদ্ধ বিহারে ধর্মীয় কার্যাদি ও বুদ্ধপূজা উৎসর্গের পর বিকেলে ধর্মীয় আলোচনাসভা হবে। সন্ধ্যা তথা রাতে সম্মিলিত ধর্মীয় প্রার্থনার পর দিনের কার্যসূচি শেষ হবে।
বৌদ্ধ ভিক্ষুদের মতে, এই পূর্ণিমা তিথিতে তথাগত বুদ্ধ তাঁর ভিক্ষুসংঘের কাছে নিজের মহাপরিনির্বাণ দিবস ঘোষণা করেন। অর্থাত্ তিনি মাঘী পূর্ণিমা দিবসে ঘোষণা করেছিলেন, ওই দিন থেকে তিন মাস পর শুভ বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে নিজ দেহত্যাগ করবেন।
আর সেটাই হয়েছিল। যে কারণে এদিন সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বুদ্ধের ভাষিত অনিত্য ভাবনা করেন। ইহকাল ও পরকালের সুন্দর জীবন প্রতিষ্ঠার জন্য ধ্যান সমাধি করেন এবং জীবনকে শীলময়, ভাবনায় ও বিশুদ্ধিপূর্ণ করার জন্য কঠোর সংকল্পে ব্রতী হন।
কুমিল্লার প্রবীণ সাংবাদিক অশোক বড়ুয়া বলেন, মহাসমারোহে দিনটি আমরা পালন করি। এটি একটি বড় উৎসব।

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ মাঘী পূর্ণিমা আজ রোববার। একই সঙ্গে দিবসটি বৌদ্ধদের কাছে একটি ঐতিহাসিক দিন। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে শুভ মাঘী পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।
মাঘী পূর্ণিমা উপলক্ষে আজ ও আগামীকাল নানা আয়োজন থাকছে। বৌদ্ধ বিহার ও প্যাগোডাগুলোতে আলোকসজ্জাসহ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মাঘী পূর্ণিমা উপলক্ষে স্কুল-কলেজ আজ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিনে বৌদ্ধ সম্প্রদায় ভিক্ষু সংঘের প্রাতরাশ গ্রহণ, বুদ্ধপূজা ও সীবলী পূজা, বুদ্ধমূর্তি ও সীবলী মূর্তির জীবন্যাস, অষ্ঠপরিষ্কারসহ সংঘদান, ভিক্ষু সংঘের পিণ্ডদান, অতিথি ভোজন, পবিত্র ত্রিপিটক পাঠ ও আলোচনাসভার কর্মসূচী নিয়েছে।
এ ছাড়া সব বৌদ্ধ বিহারে ধর্মীয় কার্যাদি ও বুদ্ধপূজা উৎসর্গের পর বিকেলে ধর্মীয় আলোচনাসভা হবে। সন্ধ্যা তথা রাতে সম্মিলিত ধর্মীয় প্রার্থনার পর দিনের কার্যসূচি শেষ হবে।
বৌদ্ধ ভিক্ষুদের মতে, এই পূর্ণিমা তিথিতে তথাগত বুদ্ধ তাঁর ভিক্ষুসংঘের কাছে নিজের মহাপরিনির্বাণ দিবস ঘোষণা করেন। অর্থাত্ তিনি মাঘী পূর্ণিমা দিবসে ঘোষণা করেছিলেন, ওই দিন থেকে তিন মাস পর শুভ বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে নিজ দেহত্যাগ করবেন।
আর সেটাই হয়েছিল। যে কারণে এদিন সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বুদ্ধের ভাষিত অনিত্য ভাবনা করেন। ইহকাল ও পরকালের সুন্দর জীবন প্রতিষ্ঠার জন্য ধ্যান সমাধি করেন এবং জীবনকে শীলময়, ভাবনায় ও বিশুদ্ধিপূর্ণ করার জন্য কঠোর সংকল্পে ব্রতী হন।
কুমিল্লার প্রবীণ সাংবাদিক অশোক বড়ুয়া বলেন, মহাসমারোহে দিনটি আমরা পালন করি। এটি একটি বড় উৎসব।