আমার শহর ডেস্ক

হবিগঞ্জের বাহুবলে প্রশাসনিক সভায় সংসদ সদস্যের (এমপি) স্ত্রীকে প্রধান অতিথি করা নিয়ে বিতর্কের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনারকে (ভূমি-এসিল্যান্ড) বদলি করা হয়েছে। তবে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসকের দাবি, সভার জন্য বদলি করা হয়েছে, এটি ঠিক নয়। গত রোববার এক প্রজ্ঞাপনে বাহুবলের ইউএনও লিটন দেকে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়।
একই দিনে বাহুবলের এসিল্যান্ড মাহবুবুল আলমকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। বিষয়টি গতকাল সোমবার প্রকাশ পায়। সিলেট বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সংস্থাপন শাখার সিনিয়র সহকারী কমিশনার উম্মে সালিক রুমাইয়া এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ তানভীর হাসান স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। তবে প্রজ্ঞাপনে বদলির সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন বলেন, এটি রুটিন ওয়ার্ক। সভার জন্য বদলি করা হয়েছে, এটি ঠিক নয়। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাহুবল উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে প্রশাসনের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা কিবরিয়ার স্ত্রী সিমি কিবরিয়া প্রধান অতিথির আসনে বসেন এবং বক্তব্য দেন।
সভা সংশ্লিষ্ট একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয়। ছবিতে দেখা যায়, সিমি কিবরিয়ার এক পাশে ইউএনও লিটন দে এবং অন্য পাশে এসিল্যান্ড মাহবুবুল আলম ও থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বসে আছেন। সরকারি প্রশাসনিক সভায় কোনও জনপ্রতিনিধির পরিবারের সদস্যের এমন উপস্থিতি এবং তাকে প্রধান অতিথির আসনে বসানো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকেই।
সমালোচকদের বক্তব্য, সরকারি প্রটোকল অনুযায়ী প্রশাসনিক সভায় আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকা ও আসনবিন্যাস নির্ধারিত থাকে। সেখানে অনির্বাচিত কোনো ব্যক্তির প্রধান অতিথির আসনে বসা শোভন নয়। বদলির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও কারণ না জানালেও স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ওই সভার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। পরে বদলি করা হয়।

হবিগঞ্জের বাহুবলে প্রশাসনিক সভায় সংসদ সদস্যের (এমপি) স্ত্রীকে প্রধান অতিথি করা নিয়ে বিতর্কের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনারকে (ভূমি-এসিল্যান্ড) বদলি করা হয়েছে। তবে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসকের দাবি, সভার জন্য বদলি করা হয়েছে, এটি ঠিক নয়। গত রোববার এক প্রজ্ঞাপনে বাহুবলের ইউএনও লিটন দেকে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়।
একই দিনে বাহুবলের এসিল্যান্ড মাহবুবুল আলমকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। বিষয়টি গতকাল সোমবার প্রকাশ পায়। সিলেট বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সংস্থাপন শাখার সিনিয়র সহকারী কমিশনার উম্মে সালিক রুমাইয়া এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ তানভীর হাসান স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। তবে প্রজ্ঞাপনে বদলির সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন বলেন, এটি রুটিন ওয়ার্ক। সভার জন্য বদলি করা হয়েছে, এটি ঠিক নয়। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাহুবল উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে প্রশাসনের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা কিবরিয়ার স্ত্রী সিমি কিবরিয়া প্রধান অতিথির আসনে বসেন এবং বক্তব্য দেন।
সভা সংশ্লিষ্ট একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয়। ছবিতে দেখা যায়, সিমি কিবরিয়ার এক পাশে ইউএনও লিটন দে এবং অন্য পাশে এসিল্যান্ড মাহবুবুল আলম ও থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বসে আছেন। সরকারি প্রশাসনিক সভায় কোনও জনপ্রতিনিধির পরিবারের সদস্যের এমন উপস্থিতি এবং তাকে প্রধান অতিথির আসনে বসানো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকেই।
সমালোচকদের বক্তব্য, সরকারি প্রটোকল অনুযায়ী প্রশাসনিক সভায় আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকা ও আসনবিন্যাস নির্ধারিত থাকে। সেখানে অনির্বাচিত কোনো ব্যক্তির প্রধান অতিথির আসনে বসা শোভন নয়। বদলির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও কারণ না জানালেও স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ওই সভার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। পরে বদলি করা হয়।