আমার শহর ডেস্ক

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২১ মের মধ্যে দেশের সব কারখানায় শ্রমিকদের ঈদ বোনাস পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শ্রমিকদের মাসিক বেতন পরিশোধও নিশ্চিত করতে মালিকপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) ৯৫তম এবং তৈরি পোশাক খাতবিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের ২৪তম সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তরফদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রমমন্ত্রী।
সভায় শ্রমিক নেতারা জানান, সময়মতো বেতন ও বোনাস পরিশোধ করা হলে শিল্পাঞ্চলে কোনো ধরনের অস্থিরতা বা আন্দোলনের আশঙ্কা থাকবে না। তবে যেসব কারখানায় এখনও বকেয়া বেতন রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে দ্রæত সরকারি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। শ্রমিক প্রতিনিধিরা ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ বাস, ট্রেন ও লঞ্চের ব্যবস্থা করারও দাবি জানান।
শ্রমমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সড়কে যানজট কমাতে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের সমন্বয়ের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে কারখানায় ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, বেতন-বোনাস পরিশোধ এবং শিল্পাঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি জানান, ঈদে শ্রমিকদের যাতায়াত সহজ করতে বিভিন্ন রুটে জাহাজ ও লঞ্চের ভাড়া ১০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি বলেন, যেকোনো অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিতে রাখা হয়েছে। অনুষ্ঠানে ফজলে শামীম এহসান, আনোয়ার হোসাইনসহ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২১ মের মধ্যে দেশের সব কারখানায় শ্রমিকদের ঈদ বোনাস পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শ্রমিকদের মাসিক বেতন পরিশোধও নিশ্চিত করতে মালিকপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) ৯৫তম এবং তৈরি পোশাক খাতবিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের ২৪তম সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তরফদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রমমন্ত্রী।
সভায় শ্রমিক নেতারা জানান, সময়মতো বেতন ও বোনাস পরিশোধ করা হলে শিল্পাঞ্চলে কোনো ধরনের অস্থিরতা বা আন্দোলনের আশঙ্কা থাকবে না। তবে যেসব কারখানায় এখনও বকেয়া বেতন রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে দ্রæত সরকারি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। শ্রমিক প্রতিনিধিরা ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ বাস, ট্রেন ও লঞ্চের ব্যবস্থা করারও দাবি জানান।
শ্রমমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সড়কে যানজট কমাতে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের সমন্বয়ের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে কারখানায় ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, বেতন-বোনাস পরিশোধ এবং শিল্পাঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি জানান, ঈদে শ্রমিকদের যাতায়াত সহজ করতে বিভিন্ন রুটে জাহাজ ও লঞ্চের ভাড়া ১০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি বলেন, যেকোনো অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিতে রাখা হয়েছে। অনুষ্ঠানে ফজলে শামীম এহসান, আনোয়ার হোসাইনসহ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত।