• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বাংলাদেশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

বাসস
প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০: ১১
logo

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

বাসস

প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০: ১১
Photo

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের যথাযথ মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব।’

শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে তিনি বলেন, জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তাদের পরিবার ও যোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান, স্বীকৃতি ও জীবনমান নিশ্চিতকরণ, পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন ও সহায়তা প্রদানে সরকার কাজ করছে।

জুলাই  শহীদদের হত্যাকারীদের বিচার এ দেশের মাটিতেই হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমি প্রথমেই বলেছি রাষ্ট্র-দেশ তার যথাসাধ্য দিয়ে আপনাদেরকে মূল্যায়নের চেষ্টা করবে, আপনাদের আত্মত্যাগকে মূল্যায়ন করবে। কিন্তু একই সাথে আপনাদের আত্মত্যাগকে যেরকম মূল্যায়ন করবে, আপনাদের বিরুদ্ধে যে অন্যায় হয়েছে, যেভাবে আপনার আপনজনকে হত্যা করা হয়েছে, অবশ্যই তার জন্য দায়ীদের বিচার হবে এই দেশের আইনে।’

তিনি আরো বলেন, সবার উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আপনাদের মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশে শুধু আমার দলেরই নয় অন্যান্য আরো রাজনৈতিক দল এবং একই সাথে যে সকল অরাজনৈতিক ব্যক্তি যারা ৫ আগস্ট (ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন আন্দোলন) সফল করেছিলেন, তাদের সবার কাছে বলতে চাই যে, আসুন আমাদের প্রতি, বাংলাদেশের লক্ষ-কোটি মানুষের প্রতি স্বৈরাচার যেমন অবিচার করেছিল, বিচারের নামে কারো প্রতি যেন অবিচার না হয় সে বিষয়টিতেও সচেতন থাকতে হবে।

আজ শনিবার দুপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘এই অনুষ্ঠান চলাকালে আমি বারবার ভাবছিলাম এই মুহূর্তে যদি আমি আমার মা’কে জিজ্ঞেস করতে পারতাম, আপনার ওপর যে অবিচার ও অন্যায় হয়েছে আপনি কি চান আমি এসবের প্রতিশোধ নিই? আমার বিশ্বাস মা বলতেন, এই মুহূর্তে তোমার কাজ সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আমি জানি, আমার ভাইকে জিজ্ঞেস করলে তিনিও আমাকে একই উত্তর দিতেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি, এখানে মা উপস্থিত আছেন। উনি দেখেছেন কীভাবে সন্তানকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এখানে ভাই উপস্থিত আছেন, সে দেখেছে কীভাবে তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।’

‘আপনাদের এই কষ্টের বিপরীতে শুধু একটি কথাই আমি বলতে চাই, আপনাদের যে কষ্ট, সেই কষ্টটি আমিও বুঝি, অনুভব করতে পারি।’

তিনি আরো বলেন, ‘স্বৈরাচারের সময় থেকে শুরু করে ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলনে অনেকেই, বহু, হাজারো লক্ষ মানুষ শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। সেই নির্যাতনের যে কষ্ট আপনাদের এখনো ভোগ করে বেড়াতে হচ্ছে। সেরকম শারীরিক কষ্ট, মানসিক কষ্ট প্রত্যেকটি কষ্ট আমাকেও ভোগ করতে, বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। এ কারণে আপনাদের সেই কষ্ট- সেটি মানসিক হোক, সেটি শারীরিক হোক, আমি কিছুটা হলেও অনুভব করতে সক্ষম।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, শহীদ হয়েছেন তার লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ছিল দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন। তাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ৫ আগস্ট যে অর্জন আমরা করেছি, তা একক কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়। দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষের অর্জন। জনতার সম্মিলিত ত্যাগের ফসল।’

তিনি বলেন, ‘আপনাদের ডান দিকে একটি ব্যানারের লেখা আছে জুলাইয়ের শহীদ হওয়া সর্বকনিষ্ঠ ফুলগুলোর নাম। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী ৬৫ জন শিশু শহীদ হয়েছিল। তাদের কি কোনো অপরাধ ছিল? তাদের অপরাধ ছিল না। কিন্তু দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করতে গিয়ে যেভাবেই হোক এই শিশুগুলো জীবন দিয়েছে।’

সেই উত্তাল দিনগুলোর প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করে গেছেন যে, জাতিসংঘের হিসাবে প্রায় ১৪’শ মানুষ শহীদ হয়েছিলেন। সেই উত্তাল দিনগুলোতে যতটুকু সম্ভব হয়েছে আমার পক্ষে, আমি যতটুকু বিভিন্নভাবে শত বাধা-বিপত্তির মধ্যেও খোঁজ করছিলাম আমার নেতাকর্মীদের মাধ্যমে। অনেকে অনেক হিসাব দিয়েছে। কিন্তু আমার হিসাবের মতে শুধু জুলাই আন্দোলনে শহীদ হয়েছে ২ হাজারের মতো মানুষ, ৩০ হাজারের মতো মানুষ বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সার্বিকভাবে।’

ফ্যাসিস্ট শাসনামলে দলের নেতা-কর্মীদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন, মামলা-হামলার ঘটনা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আপনাদের সকলের কাছে একটু সহযোগিতা চাই আমি। যে আপনজনকে আপনারা হারিয়েছেন তারও তো লক্ষ্য ছিল এই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন, তারও তো লক্ষ্য ছিল এই দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিকে এগিয়ে নিতে ত্যাগ স্বীকার করার মতো শক্তি এবং সাহস বিএনপির আছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দল, বাংলাদেশের অস্তিত্বে যারা বিশ্বাস করে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রে যারা বিশ্বাস করে আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বিশ্বাস করি এইরকম প্রত্যেকটি মানুষের সেই সাহস এবং সেই শক্তি আছে।’

জাতিকে বিভক্ত করে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া যায় না উল্লেখ করে উপস্থিত জুলাই পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই মানুষই ত্যাগ করতে পারে যার সাহস আছে। আপনজনকে আপনারা হারিয়েছেন, যে অঙ্গ হারিয়েছেন তা ঠিক হয়ে যাবে? না... ঠিক হয়ে যাবে না। তবে, সবাই মিলে আমরা যদি এ দেশকে এগিয়ে নিতে পারি, তবে একদিন গর্ব করে বলতে পারবেন আপনার আপনজনের ত্যাগের বিনিময়ে দেশের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে। এখন একমাত্র কাজ শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য, মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এই দেশ, এই দেশের জনগণ, এই দেশের মাটি। তাই আসুন আমরা চেষ্টা করি- যাতে আর কোনোকিছু, আর কোনো শক্তি আমাদের এই লক্ষ্য অর্জন থেকে কোনোভাবেই বিচ্যুত করতে না পারে। আজকের এই দিনে জুলাই অভ্যুত্থানে, জুলাই শহীদ, জুলাই যোদ্ধা এবং বিগত ১৭ বছরের যতজন শহীদ হয়েছে- তাদের প্রতি যদি সম্পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করতে হয়, তাহলে যার জন্য তারা ত্যাগ করেছেন সেই লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা। এটি হোক আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের গৃহীত শপথ, এটি হোক আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের গৃহীত প্রতিজ্ঞা।’

জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি ও আমরা জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজনে এই জাতীয় সম্মেলনে আগত শত জুলাই যোদ্ধা পরিবারের সদস্য সরকার প্রধানের সামনে নিজেদের যন্ত্রণা, মনের ভাব তুলে ধরেন। এ সময় সন্তান-স্বজন হারানো পরিবারগুলোর চোখের পানি আর দীর্ঘশ্বাসে ভারী হয়ে ওঠে পুরো গ্যালারি।

এই সম্মেলনের মূলমন্ত্র ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। মঞ্চে ব্যানারে লেখা আছে, ‘গর্বিত ইতিহাস, অদম্য চেতনা ৪ জুলাইয়ের এই দিনে হোক সবার অনুপ্রেরণা, যে আত্মত্যাগ ইতিহাসকে বদলে দিয়েছে।’

সকাল সোয়া ১০ টায় পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এরপর জাতীয় সংগীত এবং জুলাই আন্দোলনের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ পরিবারের হাতে জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ সময় শহীদ মিরাজের বাবা রব মিয়া, শহীদ সেলিমের ভাই উজ্জ্বল হোসেন, জুলাই আহত আল মিরাজ, জুলাই যোদ্ধা আমিনুল ইসলাম ঈমন প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্মারক গ্রহণ করেন। পরে উপস্থিত সবার জন্য রাখা স্মৃতি স্মারক তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতেও স্মৃতি স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, গৃহায়ন মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সভাপতি আবু হুরায়রা, কওমী ছাত্র ফোরামের সভাপতি মাওলানা জামিল সিদ্দিকী, আয়োজক সংগঠন ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র সভাপতি আমিনুল ইসলাম ইমন, সাধারণ সম্পাদক আল মিরাজ,  জুলাই-২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটির সভাপতি গোলাম রহমান ও  সাধারণ সম্পাদক রবিউল আওয়াল বক্তব্য রাখেন।

জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ সন্তানদের নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন শহীদ আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেইন, শহীদ শাহরিয়ার হোসেন আলভীর বাবা আবুল হোসেন, শহীদ আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমাতুজ্জোহরা, শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবা শফিউল আলম এবং যাত্রাবাড়ীতে শহীদ মিরাজ হোসেনের বাবা আবদুর রব মিয়া।

জুলাই অভ্যুত্থানে আহত শাহিন মালু, সুজন মোল্লা, মিল্লাত হোসেন, আল-আমীন, মেহেদি হাসান মিরাজ তাদের কথা জানান।

জুলাই জাতীয় সম্মেলনে রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সামরিক ও বেসামরিক ঊধর্তন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

২০২৪ সালে বাংলাদেশে যে জুলাই এসেছিল তা ছিল রক্তাক্ত জুলাই। সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল ও সংস্কারের দাবিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন দ্রুতই সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। রাজধানীর রাজপথ থেকে জেলা, উপজেলা পর্যায়ে বাংলাদেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে গড়ে ওঠে অভূতপূর্ব গণআন্দোলন। পরবর্তীতে এই আন্দোলন সরকারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং টানা ৩৬ দিনের আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করেন।

জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের যে তালিকা সরকার গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে, সেখানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৪ জন। তবে অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘ যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেখানে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হতে পারে বলে ধারণা দেওয়া হয়েছে।

Thumbnail image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের যথাযথ মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব।’

শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে তিনি বলেন, জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তাদের পরিবার ও যোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান, স্বীকৃতি ও জীবনমান নিশ্চিতকরণ, পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন ও সহায়তা প্রদানে সরকার কাজ করছে।

জুলাই  শহীদদের হত্যাকারীদের বিচার এ দেশের মাটিতেই হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমি প্রথমেই বলেছি রাষ্ট্র-দেশ তার যথাসাধ্য দিয়ে আপনাদেরকে মূল্যায়নের চেষ্টা করবে, আপনাদের আত্মত্যাগকে মূল্যায়ন করবে। কিন্তু একই সাথে আপনাদের আত্মত্যাগকে যেরকম মূল্যায়ন করবে, আপনাদের বিরুদ্ধে যে অন্যায় হয়েছে, যেভাবে আপনার আপনজনকে হত্যা করা হয়েছে, অবশ্যই তার জন্য দায়ীদের বিচার হবে এই দেশের আইনে।’

তিনি আরো বলেন, সবার উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আপনাদের মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশে শুধু আমার দলেরই নয় অন্যান্য আরো রাজনৈতিক দল এবং একই সাথে যে সকল অরাজনৈতিক ব্যক্তি যারা ৫ আগস্ট (ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন আন্দোলন) সফল করেছিলেন, তাদের সবার কাছে বলতে চাই যে, আসুন আমাদের প্রতি, বাংলাদেশের লক্ষ-কোটি মানুষের প্রতি স্বৈরাচার যেমন অবিচার করেছিল, বিচারের নামে কারো প্রতি যেন অবিচার না হয় সে বিষয়টিতেও সচেতন থাকতে হবে।

আজ শনিবার দুপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘এই অনুষ্ঠান চলাকালে আমি বারবার ভাবছিলাম এই মুহূর্তে যদি আমি আমার মা’কে জিজ্ঞেস করতে পারতাম, আপনার ওপর যে অবিচার ও অন্যায় হয়েছে আপনি কি চান আমি এসবের প্রতিশোধ নিই? আমার বিশ্বাস মা বলতেন, এই মুহূর্তে তোমার কাজ সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আমি জানি, আমার ভাইকে জিজ্ঞেস করলে তিনিও আমাকে একই উত্তর দিতেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি, এখানে মা উপস্থিত আছেন। উনি দেখেছেন কীভাবে সন্তানকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এখানে ভাই উপস্থিত আছেন, সে দেখেছে কীভাবে তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।’

‘আপনাদের এই কষ্টের বিপরীতে শুধু একটি কথাই আমি বলতে চাই, আপনাদের যে কষ্ট, সেই কষ্টটি আমিও বুঝি, অনুভব করতে পারি।’

তিনি আরো বলেন, ‘স্বৈরাচারের সময় থেকে শুরু করে ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলনে অনেকেই, বহু, হাজারো লক্ষ মানুষ শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। সেই নির্যাতনের যে কষ্ট আপনাদের এখনো ভোগ করে বেড়াতে হচ্ছে। সেরকম শারীরিক কষ্ট, মানসিক কষ্ট প্রত্যেকটি কষ্ট আমাকেও ভোগ করতে, বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। এ কারণে আপনাদের সেই কষ্ট- সেটি মানসিক হোক, সেটি শারীরিক হোক, আমি কিছুটা হলেও অনুভব করতে সক্ষম।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, শহীদ হয়েছেন তার লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ছিল দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন। তাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ৫ আগস্ট যে অর্জন আমরা করেছি, তা একক কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়। দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষের অর্জন। জনতার সম্মিলিত ত্যাগের ফসল।’

তিনি বলেন, ‘আপনাদের ডান দিকে একটি ব্যানারের লেখা আছে জুলাইয়ের শহীদ হওয়া সর্বকনিষ্ঠ ফুলগুলোর নাম। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী ৬৫ জন শিশু শহীদ হয়েছিল। তাদের কি কোনো অপরাধ ছিল? তাদের অপরাধ ছিল না। কিন্তু দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করতে গিয়ে যেভাবেই হোক এই শিশুগুলো জীবন দিয়েছে।’

সেই উত্তাল দিনগুলোর প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করে গেছেন যে, জাতিসংঘের হিসাবে প্রায় ১৪’শ মানুষ শহীদ হয়েছিলেন। সেই উত্তাল দিনগুলোতে যতটুকু সম্ভব হয়েছে আমার পক্ষে, আমি যতটুকু বিভিন্নভাবে শত বাধা-বিপত্তির মধ্যেও খোঁজ করছিলাম আমার নেতাকর্মীদের মাধ্যমে। অনেকে অনেক হিসাব দিয়েছে। কিন্তু আমার হিসাবের মতে শুধু জুলাই আন্দোলনে শহীদ হয়েছে ২ হাজারের মতো মানুষ, ৩০ হাজারের মতো মানুষ বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সার্বিকভাবে।’

ফ্যাসিস্ট শাসনামলে দলের নেতা-কর্মীদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন, মামলা-হামলার ঘটনা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আপনাদের সকলের কাছে একটু সহযোগিতা চাই আমি। যে আপনজনকে আপনারা হারিয়েছেন তারও তো লক্ষ্য ছিল এই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন, তারও তো লক্ষ্য ছিল এই দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিকে এগিয়ে নিতে ত্যাগ স্বীকার করার মতো শক্তি এবং সাহস বিএনপির আছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দল, বাংলাদেশের অস্তিত্বে যারা বিশ্বাস করে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রে যারা বিশ্বাস করে আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বিশ্বাস করি এইরকম প্রত্যেকটি মানুষের সেই সাহস এবং সেই শক্তি আছে।’

জাতিকে বিভক্ত করে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া যায় না উল্লেখ করে উপস্থিত জুলাই পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই মানুষই ত্যাগ করতে পারে যার সাহস আছে। আপনজনকে আপনারা হারিয়েছেন, যে অঙ্গ হারিয়েছেন তা ঠিক হয়ে যাবে? না... ঠিক হয়ে যাবে না। তবে, সবাই মিলে আমরা যদি এ দেশকে এগিয়ে নিতে পারি, তবে একদিন গর্ব করে বলতে পারবেন আপনার আপনজনের ত্যাগের বিনিময়ে দেশের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে। এখন একমাত্র কাজ শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য, মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এই দেশ, এই দেশের জনগণ, এই দেশের মাটি। তাই আসুন আমরা চেষ্টা করি- যাতে আর কোনোকিছু, আর কোনো শক্তি আমাদের এই লক্ষ্য অর্জন থেকে কোনোভাবেই বিচ্যুত করতে না পারে। আজকের এই দিনে জুলাই অভ্যুত্থানে, জুলাই শহীদ, জুলাই যোদ্ধা এবং বিগত ১৭ বছরের যতজন শহীদ হয়েছে- তাদের প্রতি যদি সম্পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করতে হয়, তাহলে যার জন্য তারা ত্যাগ করেছেন সেই লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা। এটি হোক আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের গৃহীত শপথ, এটি হোক আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের গৃহীত প্রতিজ্ঞা।’

জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি ও আমরা জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজনে এই জাতীয় সম্মেলনে আগত শত জুলাই যোদ্ধা পরিবারের সদস্য সরকার প্রধানের সামনে নিজেদের যন্ত্রণা, মনের ভাব তুলে ধরেন। এ সময় সন্তান-স্বজন হারানো পরিবারগুলোর চোখের পানি আর দীর্ঘশ্বাসে ভারী হয়ে ওঠে পুরো গ্যালারি।

এই সম্মেলনের মূলমন্ত্র ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। মঞ্চে ব্যানারে লেখা আছে, ‘গর্বিত ইতিহাস, অদম্য চেতনা ৪ জুলাইয়ের এই দিনে হোক সবার অনুপ্রেরণা, যে আত্মত্যাগ ইতিহাসকে বদলে দিয়েছে।’

সকাল সোয়া ১০ টায় পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এরপর জাতীয় সংগীত এবং জুলাই আন্দোলনের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ পরিবারের হাতে জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ সময় শহীদ মিরাজের বাবা রব মিয়া, শহীদ সেলিমের ভাই উজ্জ্বল হোসেন, জুলাই আহত আল মিরাজ, জুলাই যোদ্ধা আমিনুল ইসলাম ঈমন প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্মারক গ্রহণ করেন। পরে উপস্থিত সবার জন্য রাখা স্মৃতি স্মারক তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতেও স্মৃতি স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, গৃহায়ন মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সভাপতি আবু হুরায়রা, কওমী ছাত্র ফোরামের সভাপতি মাওলানা জামিল সিদ্দিকী, আয়োজক সংগঠন ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র সভাপতি আমিনুল ইসলাম ইমন, সাধারণ সম্পাদক আল মিরাজ,  জুলাই-২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটির সভাপতি গোলাম রহমান ও  সাধারণ সম্পাদক রবিউল আওয়াল বক্তব্য রাখেন।

জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ সন্তানদের নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন শহীদ আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেইন, শহীদ শাহরিয়ার হোসেন আলভীর বাবা আবুল হোসেন, শহীদ আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমাতুজ্জোহরা, শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবা শফিউল আলম এবং যাত্রাবাড়ীতে শহীদ মিরাজ হোসেনের বাবা আবদুর রব মিয়া।

জুলাই অভ্যুত্থানে আহত শাহিন মালু, সুজন মোল্লা, মিল্লাত হোসেন, আল-আমীন, মেহেদি হাসান মিরাজ তাদের কথা জানান।

জুলাই জাতীয় সম্মেলনে রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সামরিক ও বেসামরিক ঊধর্তন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

২০২৪ সালে বাংলাদেশে যে জুলাই এসেছিল তা ছিল রক্তাক্ত জুলাই। সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল ও সংস্কারের দাবিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন দ্রুতই সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। রাজধানীর রাজপথ থেকে জেলা, উপজেলা পর্যায়ে বাংলাদেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে গড়ে ওঠে অভূতপূর্ব গণআন্দোলন। পরবর্তীতে এই আন্দোলন সরকারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং টানা ৩৬ দিনের আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করেন।

জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের যে তালিকা সরকার গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে, সেখানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৪ জন। তবে অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘ যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেখানে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হতে পারে বলে ধারণা দেওয়া হয়েছে।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

২

ইউনিয়নভিত্তিক সৌরবিদ্যুতচালিত ছোট হিমাগার নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

৩

সরকার প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধাপে ধাপে এগোচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

৪

জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহতদের স্মৃতি স্মারক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৫

জুলাই অভ্যুত্থান গণতন্ত্র ও শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

সম্পর্কিত

ইউনিয়নভিত্তিক সৌরবিদ্যুতচালিত ছোট হিমাগার নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

ইউনিয়নভিত্তিক সৌরবিদ্যুতচালিত ছোট হিমাগার নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে
সরকার প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধাপে ধাপে এগোচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

সরকার প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধাপে ধাপে এগোচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহতদের স্মৃতি স্মারক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহতদের স্মৃতি স্মারক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে
জুলাই অভ্যুত্থান  গণতন্ত্র ও শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই অভ্যুত্থান গণতন্ত্র ও শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে