নিজস্ব প্রতিবেদক

‘সরকার কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করতে যাচ্ছে। বর্তমানে এর পাইলট কার্যক্রম চলছে। মৌসুমি কৃষিপণ্য- টমেটো, কাঁচা মরিচ, গাজরসহ ফসল সংরক্ষণে রাখতে ইউনিয়নভিত্তিক সৌরবিদ্যুতচালিত ছোট হিমাগার নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।’
আজ শনিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মৎস্য ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার পূর্বে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন আয়োজিত সভায় মৎস্য, প্রাণী ও কৃষি বিভাগের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক মনোয়ারা বেগম, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বক্তব্য দেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্য সংরক্ষণের অভাবেই মৌসুমে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্য পান না। অনেক সময় টমেটো, গাজর বা কাঁচা মরিচের দাম এত কমে যায় যে খেত থেকে ফসল তুলেও লাভ হয় না। কিন্তু কয়েক মাস পর একই পণ্যের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এই সমস্যার সমাধানে ইউনিয়নভিত্তিক ‘মিনি কোল্ডস্টোরেজ’ নির্মাণ করা হবে। স্থানীয় সমবায় বা কৃষক সংগঠন এগুলো পরিচালনা করবে। কৃষকেরা মৌসুমে উৎপাদিত কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। এতে কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবেন। আবার মৌসুম চলে গেলেও বাজারে দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়বে না।
মন্ত্রী বলেন, সরকার ইতিমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সেই অর্থ পরিশোধ করেছে। পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খাল পুনঃখননের মাধ্যমে সেচব্যবস্থা উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাটকা সংরক্ষণ মৌসুমে জেলেদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রে লাইসেন্সবিহীন মাছ ধরার অভিযোগ নিয়েও সরকার কাজ করছে।

‘সরকার কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করতে যাচ্ছে। বর্তমানে এর পাইলট কার্যক্রম চলছে। মৌসুমি কৃষিপণ্য- টমেটো, কাঁচা মরিচ, গাজরসহ ফসল সংরক্ষণে রাখতে ইউনিয়নভিত্তিক সৌরবিদ্যুতচালিত ছোট হিমাগার নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।’
আজ শনিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মৎস্য ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার পূর্বে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন আয়োজিত সভায় মৎস্য, প্রাণী ও কৃষি বিভাগের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক মনোয়ারা বেগম, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বক্তব্য দেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্য সংরক্ষণের অভাবেই মৌসুমে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্য পান না। অনেক সময় টমেটো, গাজর বা কাঁচা মরিচের দাম এত কমে যায় যে খেত থেকে ফসল তুলেও লাভ হয় না। কিন্তু কয়েক মাস পর একই পণ্যের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এই সমস্যার সমাধানে ইউনিয়নভিত্তিক ‘মিনি কোল্ডস্টোরেজ’ নির্মাণ করা হবে। স্থানীয় সমবায় বা কৃষক সংগঠন এগুলো পরিচালনা করবে। কৃষকেরা মৌসুমে উৎপাদিত কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। এতে কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবেন। আবার মৌসুম চলে গেলেও বাজারে দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়বে না।
মন্ত্রী বলেন, সরকার ইতিমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সেই অর্থ পরিশোধ করেছে। পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খাল পুনঃখননের মাধ্যমে সেচব্যবস্থা উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাটকা সংরক্ষণ মৌসুমে জেলেদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রে লাইসেন্সবিহীন মাছ ধরার অভিযোগ নিয়েও সরকার কাজ করছে।