নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মু. রেজা হাসানকে সিলেটে বদলি করা হয় গত ২৮ জুন। সিলেটেও তাঁকে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাখা হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত তিনি যোগদান করতে পারেননি। তবে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক রোজী আকতার গত ১ জুলাই যোগদান করেছেন।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, সরকারের একজন মন্ত্রীর তাঁর ব্যাপারে আপত্তি আছে। সিলেটে গিয়ে তিনি ফেরত আসেন। ওই কারণে তিনি এখন পর্যন্ত যোগদান করতে পারেননি। যোগদান করতে না পারায় গত বুধবার তিনি সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যান। তাঁকে ওইদিন সচিবালয়ে দেখা গেছে।
গত বছরের ১৮ নভেম্বর মু. রেজা হাসান কুমিল্লার ২১৭ তম জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। তাঁর সময়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
গত ২৮ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
সিলেটের জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহারের এক সপ্তাহ পর নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) দেওয়া হলেও তিনি যোগদান করতে পারেননি। এর আগে ২১ জুন সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব পদে সংযুক্ত করা হয়। তবে জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহারের কারণ কিংবা নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে কে দায়িত্ব নেবেন, তখন জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ ছিল। না। প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক একটি সূত্র দাবি করেছে, সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে নানা ঘটনায় আলোচিত ছিলেন সারওয়ার আলম। সম্প্রতি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার ইস্যুতে জেলা প্রশাসকের কিছু উদ্যোগ আলোচিত-সমালোচিত হয়।
একই সূত্র জানায়, ১২ জুন হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শনে যান সারওয়ার আলম। এ সময় তিনি মাজারের আয় ও ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এরই অংশ হিসেবে ১৮ জুন বিকেলে মাজারে থাকা আগের দানবাহু সিলগালা করে নতুন দানবাড স্থাপন করা হয়। পাশাপাশি মাজারে মানুষের দানের অর্থ রাখার জন্য থাকা ঐতিহাসিক তিনটি দানের ডেগ সিলগালা করা হয়।
এ ঘটনার পর জেলা প্রশাসকের পক্ষে-বিপক্ষে বিস্তর আলোচনা-সমা-ে লাচনা তৈরি হয়। কেউ জেলা প্রশাসকের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে অভিহিত করেন। আবার প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় দানবাত স্থাপনের বিষয়ে অনেকেই ক্ষোভপ্রকাশ করেন। এ রকম আলোচনা, সমালোচনা চলাকালেই সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। যদিও সরকারের একাধিক মন্ত্রী জেলা প্রশাসক বদলির ঘটনাকে 'রুটিন ওয়ার্ক' বলে মন্তব্য করেছেন।
এর আগে গত বছরের ১৮ আগস্ট সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পান সারওয়ার আলম। এর আগে তিনি প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের একান্ত সচিবের দায়িত্বে ছিলেন। সিলেটের সাদাপাথর লুট ও চুরি ঘটনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তখন জেলা প্রশাসক পর্যায়ে এই পরিবর্তন আনা হয়েছিল।

কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মু. রেজা হাসানকে সিলেটে বদলি করা হয় গত ২৮ জুন। সিলেটেও তাঁকে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাখা হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত তিনি যোগদান করতে পারেননি। তবে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক রোজী আকতার গত ১ জুলাই যোগদান করেছেন।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, সরকারের একজন মন্ত্রীর তাঁর ব্যাপারে আপত্তি আছে। সিলেটে গিয়ে তিনি ফেরত আসেন। ওই কারণে তিনি এখন পর্যন্ত যোগদান করতে পারেননি। যোগদান করতে না পারায় গত বুধবার তিনি সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যান। তাঁকে ওইদিন সচিবালয়ে দেখা গেছে।
গত বছরের ১৮ নভেম্বর মু. রেজা হাসান কুমিল্লার ২১৭ তম জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। তাঁর সময়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
গত ২৮ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
সিলেটের জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহারের এক সপ্তাহ পর নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) দেওয়া হলেও তিনি যোগদান করতে পারেননি। এর আগে ২১ জুন সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব পদে সংযুক্ত করা হয়। তবে জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহারের কারণ কিংবা নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে কে দায়িত্ব নেবেন, তখন জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ ছিল। না। প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক একটি সূত্র দাবি করেছে, সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে নানা ঘটনায় আলোচিত ছিলেন সারওয়ার আলম। সম্প্রতি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার ইস্যুতে জেলা প্রশাসকের কিছু উদ্যোগ আলোচিত-সমালোচিত হয়।
একই সূত্র জানায়, ১২ জুন হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শনে যান সারওয়ার আলম। এ সময় তিনি মাজারের আয় ও ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এরই অংশ হিসেবে ১৮ জুন বিকেলে মাজারে থাকা আগের দানবাহু সিলগালা করে নতুন দানবাড স্থাপন করা হয়। পাশাপাশি মাজারে মানুষের দানের অর্থ রাখার জন্য থাকা ঐতিহাসিক তিনটি দানের ডেগ সিলগালা করা হয়।
এ ঘটনার পর জেলা প্রশাসকের পক্ষে-বিপক্ষে বিস্তর আলোচনা-সমা-ে লাচনা তৈরি হয়। কেউ জেলা প্রশাসকের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে অভিহিত করেন। আবার প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় দানবাত স্থাপনের বিষয়ে অনেকেই ক্ষোভপ্রকাশ করেন। এ রকম আলোচনা, সমালোচনা চলাকালেই সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। যদিও সরকারের একাধিক মন্ত্রী জেলা প্রশাসক বদলির ঘটনাকে 'রুটিন ওয়ার্ক' বলে মন্তব্য করেছেন।
এর আগে গত বছরের ১৮ আগস্ট সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পান সারওয়ার আলম। এর আগে তিনি প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের একান্ত সচিবের দায়িত্বে ছিলেন। সিলেটের সাদাপাথর লুট ও চুরি ঘটনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তখন জেলা প্রশাসক পর্যায়ে এই পরিবর্তন আনা হয়েছিল।