অগ্নিঝরা মার্চ ’৭১
আমার শহর ডেস্ক

আজ ৭ মার্চ। অগ্নিঝরা মার্চের সপ্তম দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকার রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জনসমুদ্রে পরিণত হয়। সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ঢাকায় সমবেত হতে থাকে। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের লাখো মানুষ মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হয়। কয়েকদিন ধরে চলমান অসহযোগ আন্দোলন ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে এই সমাবেশ ঘিরে সারা দেশে তীব্র আগ্রহ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল।
বিকেলে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক সমাবেশে দেশের চলমান সংকট ও ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ভাষণে তিনি বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে আরও সুসংগঠিত করার আহ্বান জানান এবং চলমান অসহযোগ আন্দোলন অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে ভাষণে প্রশাসন, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অমান্য করার কর্মসূচি কার্যত জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়। ভাষণে বাঙালির মুক্তি ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয় এবং সংগ্রামের জন্য সর্বস্তরের মানুষকে প্রস্তুত থাকার কথা বলা হয়।
সমাবেশস্থলে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে আকাশ-বাতাস মুখর হয়ে ওঠে। সমাবেশ শেষে জনতা শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে বিভিন্ন মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ফিরে যায় এবং আন্দোলনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। সেই দিন থেকে কার্যত অসহযোগ আন্দোলন আরও শক্তিশালী রূপ নেয় এবং প্রশাসনের বহু ক্ষেত্রে জনগণের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা পেতে শুরু করে।
৭ মার্চের এই ঐতিহাসিক সমাবেশ অগ্নিঝরা মার্চের ধারাবাহিকতায় বাঙালি জাতির স্বাধীনতার আন্দোলনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় সৃষ্টি করে। এদিনের দিকনির্দেশনা পরবর্তী দিনগুলোতে গণআন্দোলনকে আরও সুসংগঠিত করে এবং স্বাধীনতার সংগ্রামে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আজ ৭ মার্চ। অগ্নিঝরা মার্চের সপ্তম দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকার রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জনসমুদ্রে পরিণত হয়। সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ঢাকায় সমবেত হতে থাকে। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের লাখো মানুষ মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হয়। কয়েকদিন ধরে চলমান অসহযোগ আন্দোলন ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে এই সমাবেশ ঘিরে সারা দেশে তীব্র আগ্রহ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল।
বিকেলে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক সমাবেশে দেশের চলমান সংকট ও ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ভাষণে তিনি বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে আরও সুসংগঠিত করার আহ্বান জানান এবং চলমান অসহযোগ আন্দোলন অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে ভাষণে প্রশাসন, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অমান্য করার কর্মসূচি কার্যত জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়। ভাষণে বাঙালির মুক্তি ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয় এবং সংগ্রামের জন্য সর্বস্তরের মানুষকে প্রস্তুত থাকার কথা বলা হয়।
সমাবেশস্থলে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে আকাশ-বাতাস মুখর হয়ে ওঠে। সমাবেশ শেষে জনতা শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে বিভিন্ন মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ফিরে যায় এবং আন্দোলনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। সেই দিন থেকে কার্যত অসহযোগ আন্দোলন আরও শক্তিশালী রূপ নেয় এবং প্রশাসনের বহু ক্ষেত্রে জনগণের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা পেতে শুরু করে।
৭ মার্চের এই ঐতিহাসিক সমাবেশ অগ্নিঝরা মার্চের ধারাবাহিকতায় বাঙালি জাতির স্বাধীনতার আন্দোলনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় সৃষ্টি করে। এদিনের দিকনির্দেশনা পরবর্তী দিনগুলোতে গণআন্দোলনকে আরও সুসংগঠিত করে এবং স্বাধীনতার সংগ্রামে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।