আমার শহর ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো মৌলভীবাজার সফরের উদ্দেশ্যে সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বুধবার সকাল ১০টা ২১ মিনিটে তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পরে সেখান থেকে সড়কপথে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকে সড়কের দু’পাশে অবস্থান নিয়েছেন দলের নেতাকর্মীরা। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।
জানা গেছে, আজ দুপুর ১টায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলের মির্জাপুর ইউনিয়নে ১ নম্বর ওয়ার্ডে সুইলপুর গ্রামের ১৫৫ জনের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন। এছাড়া, ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়ায় রোগে আক্রান্ত ৫ জনকে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদানের চেক দেবেন। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঁচজনের জীবনমান উন্নয়নে ১০ হাজার টাকা করে এককালীন আর্থিক অনুদান এবং পাঁচ শিক্ষার্থীকে ১০ হাজার টাকা করে এককালীন আর্থিক অনুদান দেবেন।
এছাড়া, দুঃস্থ, অসহায়, অসুস্থ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ও গৃহহীন ১০০ জনকে ১০ হাজার টাকা করে বিশেষ অনুদানের চেক প্রদান করবেন। প্রধানমন্ত্রী টেকসই আবাসনের জন্য পাঁচজন চা-শ্রমিকের হাতে ২ লাখ টাকা করে বরাদ্দ পত্রও তুলে দেবেন।
উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. ইয়াকুব আলী বলেন, ১৯৭৮ সালে ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এই মাঠে এসে বক্তব্য দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আজ ৪৮ বছর পর একই মাঠে এসে বক্তব্য দেবেন জিয়াউর রহমানের পুত্র তারেক রহমান। আমরা এই মহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় আছি।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারি দল বিএনপি। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষজন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান চৌধুরী তুহিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনে আমরা আনন্দিত। চায়ের সবুজ গালিচায় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে আমরা প্রস্তুত আছি।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত। সমাবেশে ৩০/৪০ হাজার মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য সবাই অধীর আগ্রহে আছেন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান বলেন, উপজেলা ও পৌর প্রশাসন থেকে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। আমরা স্থানীয় সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশিল সমাজসহ সর্বস্তরের জনগণকে সাথে নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের প্রত্যাশা করছি।
মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর নিকট ঋণী। উনি মাত্র চার মাসের মাথায় শ্রীমঙ্গলে আসছেন। এটা আমাদের জন্য অনেক খুশির। শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জের মানুষ আনন্দের বন্যায় ভাসছেন প্রধানমন্ত্রীকে এক নজর দেখার জন্য। ঝড়-বৃষ্টি হলেও জনসভার মাঠে মানুষ আসবে সামনে থেকে প্রধানমন্ত্রীর কথা শুনতে।
অন্যদিকে সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তার। পরে রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার উদ্দেশে বিমানে যাত্রা করবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো মৌলভীবাজার সফরের উদ্দেশ্যে সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বুধবার সকাল ১০টা ২১ মিনিটে তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পরে সেখান থেকে সড়কপথে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকে সড়কের দু’পাশে অবস্থান নিয়েছেন দলের নেতাকর্মীরা। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।
জানা গেছে, আজ দুপুর ১টায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলের মির্জাপুর ইউনিয়নে ১ নম্বর ওয়ার্ডে সুইলপুর গ্রামের ১৫৫ জনের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন। এছাড়া, ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়ায় রোগে আক্রান্ত ৫ জনকে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদানের চেক দেবেন। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঁচজনের জীবনমান উন্নয়নে ১০ হাজার টাকা করে এককালীন আর্থিক অনুদান এবং পাঁচ শিক্ষার্থীকে ১০ হাজার টাকা করে এককালীন আর্থিক অনুদান দেবেন।
এছাড়া, দুঃস্থ, অসহায়, অসুস্থ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ও গৃহহীন ১০০ জনকে ১০ হাজার টাকা করে বিশেষ অনুদানের চেক প্রদান করবেন। প্রধানমন্ত্রী টেকসই আবাসনের জন্য পাঁচজন চা-শ্রমিকের হাতে ২ লাখ টাকা করে বরাদ্দ পত্রও তুলে দেবেন।
উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. ইয়াকুব আলী বলেন, ১৯৭৮ সালে ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এই মাঠে এসে বক্তব্য দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আজ ৪৮ বছর পর একই মাঠে এসে বক্তব্য দেবেন জিয়াউর রহমানের পুত্র তারেক রহমান। আমরা এই মহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় আছি।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারি দল বিএনপি। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষজন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান চৌধুরী তুহিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনে আমরা আনন্দিত। চায়ের সবুজ গালিচায় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে আমরা প্রস্তুত আছি।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত। সমাবেশে ৩০/৪০ হাজার মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য সবাই অধীর আগ্রহে আছেন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান বলেন, উপজেলা ও পৌর প্রশাসন থেকে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। আমরা স্থানীয় সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশিল সমাজসহ সর্বস্তরের জনগণকে সাথে নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের প্রত্যাশা করছি।
মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর নিকট ঋণী। উনি মাত্র চার মাসের মাথায় শ্রীমঙ্গলে আসছেন। এটা আমাদের জন্য অনেক খুশির। শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জের মানুষ আনন্দের বন্যায় ভাসছেন প্রধানমন্ত্রীকে এক নজর দেখার জন্য। ঝড়-বৃষ্টি হলেও জনসভার মাঠে মানুষ আসবে সামনে থেকে প্রধানমন্ত্রীর কথা শুনতে।
অন্যদিকে সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তার। পরে রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার উদ্দেশে বিমানে যাত্রা করবেন তিনি।