আমার শহর ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ছয় মাসের পরিকল্পনা জানতে চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষা-সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে ডেকেছিলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আমরা কীভাবে কী গোছাচ্ছি। আগামী বৃহস্পতিবার আমাদের ক্যাবিনেট মিটিং আছে, সেখানে আমরা কী কী প্রেজেন্ট করবো-প্রধানমন্ত্রী ডিরেকশন দিয়েছেন মোটামুটি সব মন্ত্রণালয়কে যে, আমরা আগামী ছয় মাসের ভেতরে কী কী করবো, জনগণ কী কী দেখবে এবং আমরা যেন প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি হই।
ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের জমা দিতে হবে আমরা কোন কোন গোলগুলো (লক্ষ্য) কতখানি বাস্তবায়নের টোটাল প্ল্যান এবং ছয় মাসে তার ভেতরে কী কী দৃশ্যমান হতে পারে। এগুলোর ডিরেকশন আরও শক্তভাবে এবং সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আজকের মিটিংটা ছিল। তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নিয়ে কিছু আলোচনা হয়েছে। সামনে এসএসসি পরীক্ষা আছে। আরও কী কী আছে, যেগুলো নিয়ে আমাদের এখন ইমিডিয়েট অনেক কনসার্ন আছে, সেগুলো আমরা কিছু কিছু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শেয়ার করেছি। প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে আবারও ওভারঅল যে শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন নিয়ে তাঁর ভিশন আছে, সেটার আলোকে আরও ইন্সট্রাকশন দিয়েছেন। এগুলো আগামী ক্যাবিনেট মিটিংয়ে আমরা প্লেস করবো।
১৮০ দিনের যে অগ্রাধিকার, কী কী থাকছে-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এগুলো বৃহস্পতিবার আমরা প্রেজেন্ট করবো, তারপর আপনাদের কাছেও নিশ্চয়ই নিয়ে আসবো। এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেস্ট প্রসিডিউরগুলো জানতে চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ববি হাজ্জাজ। ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন, সেটার কোনো আপডেট আছে কিনা- এ প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, জ্বি। যে পদত্যাগপত্র উনি জমা দিয়েছেন এবং মন্ত্রণালয় থেকে সেটা নিয়ে যে অফিশিয়াল ডিসিশন আসছে, সেটাতে উনি একটা পার্টিকুলার তারিখ পর্যন্ত কন্টিনিউ করবেন, টিল অফিস ইজ হ্যান্ডেড ওভার। সো, অফিস হ্যান্ডওভার করা হবে টেম্পোরারিলি নেক্সট ইন পজিশনে যিনি আছেন এবং তারপর আমরা পারমানেন্ট আবার নেক্সট ভিসি পাবো। আমরা সঠিক যে পদ্ধতিগুলো, একদম সঠিক পদ্ধতি, সেই সঠিক পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে আমরা এগিয়ে যাব এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও এটা নিয়ে জানতে চেয়েছেন, বেস্ট প্রসিডিউরস কী, গ্লোবাল বেস্ট প্র্যাকটিসেস কী। এতো বড়, এতো প্রসিদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হওয়ার জন্য এবং সেই সব তথ্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর ডেস্কে পৌঁছে দিচ্ছি। আগামীতে এই ডিসিশনগুলো যেন দেশ-জাতির জন্য সবচেয়ে ভালো ডিসিশন হয়, শিক্ষাঙ্গনের জন্য সবচেয়ে ভালো ডিসিশন হয়, সেই দিকে আমাদের এবং বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর নজর রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ছয় মাসের পরিকল্পনা জানতে চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষা-সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে ডেকেছিলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আমরা কীভাবে কী গোছাচ্ছি। আগামী বৃহস্পতিবার আমাদের ক্যাবিনেট মিটিং আছে, সেখানে আমরা কী কী প্রেজেন্ট করবো-প্রধানমন্ত্রী ডিরেকশন দিয়েছেন মোটামুটি সব মন্ত্রণালয়কে যে, আমরা আগামী ছয় মাসের ভেতরে কী কী করবো, জনগণ কী কী দেখবে এবং আমরা যেন প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি হই।
ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের জমা দিতে হবে আমরা কোন কোন গোলগুলো (লক্ষ্য) কতখানি বাস্তবায়নের টোটাল প্ল্যান এবং ছয় মাসে তার ভেতরে কী কী দৃশ্যমান হতে পারে। এগুলোর ডিরেকশন আরও শক্তভাবে এবং সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আজকের মিটিংটা ছিল। তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নিয়ে কিছু আলোচনা হয়েছে। সামনে এসএসসি পরীক্ষা আছে। আরও কী কী আছে, যেগুলো নিয়ে আমাদের এখন ইমিডিয়েট অনেক কনসার্ন আছে, সেগুলো আমরা কিছু কিছু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শেয়ার করেছি। প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে আবারও ওভারঅল যে শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন নিয়ে তাঁর ভিশন আছে, সেটার আলোকে আরও ইন্সট্রাকশন দিয়েছেন। এগুলো আগামী ক্যাবিনেট মিটিংয়ে আমরা প্লেস করবো।
১৮০ দিনের যে অগ্রাধিকার, কী কী থাকছে-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এগুলো বৃহস্পতিবার আমরা প্রেজেন্ট করবো, তারপর আপনাদের কাছেও নিশ্চয়ই নিয়ে আসবো। এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেস্ট প্রসিডিউরগুলো জানতে চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ববি হাজ্জাজ। ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন, সেটার কোনো আপডেট আছে কিনা- এ প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, জ্বি। যে পদত্যাগপত্র উনি জমা দিয়েছেন এবং মন্ত্রণালয় থেকে সেটা নিয়ে যে অফিশিয়াল ডিসিশন আসছে, সেটাতে উনি একটা পার্টিকুলার তারিখ পর্যন্ত কন্টিনিউ করবেন, টিল অফিস ইজ হ্যান্ডেড ওভার। সো, অফিস হ্যান্ডওভার করা হবে টেম্পোরারিলি নেক্সট ইন পজিশনে যিনি আছেন এবং তারপর আমরা পারমানেন্ট আবার নেক্সট ভিসি পাবো। আমরা সঠিক যে পদ্ধতিগুলো, একদম সঠিক পদ্ধতি, সেই সঠিক পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে আমরা এগিয়ে যাব এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও এটা নিয়ে জানতে চেয়েছেন, বেস্ট প্রসিডিউরস কী, গ্লোবাল বেস্ট প্র্যাকটিসেস কী। এতো বড়, এতো প্রসিদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হওয়ার জন্য এবং সেই সব তথ্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর ডেস্কে পৌঁছে দিচ্ছি। আগামীতে এই ডিসিশনগুলো যেন দেশ-জাতির জন্য সবচেয়ে ভালো ডিসিশন হয়, শিক্ষাঙ্গনের জন্য সবচেয়ে ভালো ডিসিশন হয়, সেই দিকে আমাদের এবং বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর নজর রয়েছে।