আমার শহর ডেস্ক

দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পদক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমান কালচারে জঙ্গি শব্দ নাই। ফ্যাসিবাদী আমলে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে জঙ্গি শব্দটা ব্যবহার করা হতো। তবে এখন এসব নাই। কবে নাগাদ মাঠ থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে তাদের প্রত্যাহার করা হবে। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী ও কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক উপস্থিত ছিলেন।
উপকূলীয় নিরাপত্তা জোরদার করা হবে: আজ মঙ্গলবার সকালে কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আগারগাঁওয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা আরও জোরদার করবে সরকার।
তিনি জানান, কোস্ট গার্ডের সার্বিক উন্নয়নে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাদের বহরে হেলিকপ্টার সার্ভিস যোগ করা হবে। পাশাপাশি বৃদ্ধি করা হবে আরও ১০ হাজার জনবল। এতে করে অতীতের তুলনায় কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও গত এক বছরে সুন্দরবনে অভিযানসহ নানা কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকারের নেতৃত্বে খালেদা জিয়া কোস্ট গার্ড প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এই বাহিনী জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কোস্ট গার্ড শুধু সমুদ্র ও উপক‚লীয় এলাকার নিরাপত্তাই নয়, বরং অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজেও ভ‚মিকা রাখছে। তাদের নিয়মিত টহলের ফলে সমুদ্রপথ এখন অনেক বেশি নিরাপদ। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সুন্দরবন সংরক্ষণে কোস্ট গার্ড বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি “গার্ডিয়ান এট সী’’ মূলমন্ত্রে আধাসামরিক স্বতন্ত্র বাহিনী হিসেবে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নানা প্রতিক‚লতা পেরিয়ে বাহিনীটি আজ উপক‚লীয় জনগণের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, কোস্ট গার্ড বর্তমানে উপক‚লীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে মাদক এবং অস্ত্র পাচার, মানবপাচার, চোরাচালান, জলদস্যুতা এবং অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করছে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় পড়া নৌযান উদ্ধার ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বাহিনীর সদস্যরা সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
সুন্দরবনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সা¤প্রতিক সময়ে বনাঞ্চলে ডাকাতি বৃদ্ধি পাওয়ায় কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। গত এক বছরের বেশি সময় সুন্দরবনে ২৯টি অভিযানে ৩৫ জন ডাকাত গ্রেপ্তার, ৪৭ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার এবং ৩০ জন জিম্মিকে মুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ১৪৬ কোটি টাকা মূল্যের অবৈধভাবে পাচার হওয়া কাঠ উদ্ধার করেছে।
কোস্ট গার্ডের আধুনিকায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি জানান, বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তিনটি সার্ভেইলেন্স ড্রোন যুক্ত হয়েছে। জাইকার অর্থায়নে মাল্টিরোল রেসপন্স ভেসেল ও দুটি অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। খুলনা শিপইয়ার্ড থেকে বুলেটপ্রুফ সুবিধাসম্পন্ন হাই-স্পিড বোট সংগ্রহের চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় আধুনিক ডকইয়ার্ড নির্মাণ, নতুন প্যাট্রোল ভেসেল সংযোজন, হেলিকপ্টার ও মেরিটাইম সারভেইলেন্স সিস্টেম সংযোজনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, কোস্ট গার্ড সদস্যদের আবাসন সমস্যা সমাধানে মিরপুর জোয়ারসাহারা ও পূর্বাচলে জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন সরঞ্জাম সংযোজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতে আরও দক্ষ ও শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠবে এবং সামুদ্রিক সম্পদ ও উপক‚লীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পদক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমান কালচারে জঙ্গি শব্দ নাই। ফ্যাসিবাদী আমলে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে জঙ্গি শব্দটা ব্যবহার করা হতো। তবে এখন এসব নাই। কবে নাগাদ মাঠ থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে তাদের প্রত্যাহার করা হবে। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী ও কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক উপস্থিত ছিলেন।
উপকূলীয় নিরাপত্তা জোরদার করা হবে: আজ মঙ্গলবার সকালে কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আগারগাঁওয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা আরও জোরদার করবে সরকার।
তিনি জানান, কোস্ট গার্ডের সার্বিক উন্নয়নে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাদের বহরে হেলিকপ্টার সার্ভিস যোগ করা হবে। পাশাপাশি বৃদ্ধি করা হবে আরও ১০ হাজার জনবল। এতে করে অতীতের তুলনায় কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও গত এক বছরে সুন্দরবনে অভিযানসহ নানা কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকারের নেতৃত্বে খালেদা জিয়া কোস্ট গার্ড প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এই বাহিনী জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কোস্ট গার্ড শুধু সমুদ্র ও উপক‚লীয় এলাকার নিরাপত্তাই নয়, বরং অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজেও ভ‚মিকা রাখছে। তাদের নিয়মিত টহলের ফলে সমুদ্রপথ এখন অনেক বেশি নিরাপদ। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সুন্দরবন সংরক্ষণে কোস্ট গার্ড বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি “গার্ডিয়ান এট সী’’ মূলমন্ত্রে আধাসামরিক স্বতন্ত্র বাহিনী হিসেবে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নানা প্রতিক‚লতা পেরিয়ে বাহিনীটি আজ উপক‚লীয় জনগণের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, কোস্ট গার্ড বর্তমানে উপক‚লীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে মাদক এবং অস্ত্র পাচার, মানবপাচার, চোরাচালান, জলদস্যুতা এবং অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করছে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় পড়া নৌযান উদ্ধার ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বাহিনীর সদস্যরা সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
সুন্দরবনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সা¤প্রতিক সময়ে বনাঞ্চলে ডাকাতি বৃদ্ধি পাওয়ায় কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। গত এক বছরের বেশি সময় সুন্দরবনে ২৯টি অভিযানে ৩৫ জন ডাকাত গ্রেপ্তার, ৪৭ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার এবং ৩০ জন জিম্মিকে মুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ১৪৬ কোটি টাকা মূল্যের অবৈধভাবে পাচার হওয়া কাঠ উদ্ধার করেছে।
কোস্ট গার্ডের আধুনিকায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি জানান, বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তিনটি সার্ভেইলেন্স ড্রোন যুক্ত হয়েছে। জাইকার অর্থায়নে মাল্টিরোল রেসপন্স ভেসেল ও দুটি অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। খুলনা শিপইয়ার্ড থেকে বুলেটপ্রুফ সুবিধাসম্পন্ন হাই-স্পিড বোট সংগ্রহের চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় আধুনিক ডকইয়ার্ড নির্মাণ, নতুন প্যাট্রোল ভেসেল সংযোজন, হেলিকপ্টার ও মেরিটাইম সারভেইলেন্স সিস্টেম সংযোজনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, কোস্ট গার্ড সদস্যদের আবাসন সমস্যা সমাধানে মিরপুর জোয়ারসাহারা ও পূর্বাচলে জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন সরঞ্জাম সংযোজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতে আরও দক্ষ ও শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠবে এবং সামুদ্রিক সম্পদ ও উপক‚লীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।