• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বাংলাদেশ

কৃষিতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আমার শহর ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৬, ১৮: ২৩
logo

কৃষিতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আমার শহর ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৬, ১৮: ২৩
Photo

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি ও যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে দেশের কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক ও টেকসই খাতে রূপান্তরে একগুচ্ছ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে সরকার। এ লক্ষ্যে ডিজিটাল কৃষি ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনা, স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, কৃষিযন্ত্রের সম্প্রসারণ এবং জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২১তম দিন প্রশ্নোত্তর পর্বে কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিকে সনাতনী ও শ্রমনির্ভর ব্যবস্থা থেকে বের করে গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে কৃষক নিবন্ধন, কৃষক ডাটাবেজ, ডিজিটাল কৃষিসেবা, মোবাইলভিত্তিক আবহাওয়ার তথ্য, বাজারদর, কৃষি পরামর্শ, ই-এক্সটেনশন সেবা এবং কৃষিসেবার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকের ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি এবং সরকারি সেবা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে সারাদেশের প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, উৎপাদন ব্যয় কমানো, শ্রম সংকট মোকাবিলা এবং কৃষিকে লাভজনক করতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

সংসদ নেতা জানান, কৃষিতে রিমোট সেন্সিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), ড্রোন, জিপিএস, স্যাটেলাইট তথ্য ও বিগ ডাটাসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে ফসলের স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ, রোগবালাই শনাক্তকরণ, সুনির্দিষ্ট সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদন পরিকল্পনা আরও কার্যকর ও বিজ্ঞানভিত্তিক হবে। তিনি আরও বলেন, তথ্যনির্ভর প্রিসিশন অ্যাগ্রিকালচার চালুর মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কমিয়ে কৃষকের আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুষম, নিরাপদ ও পুষ্টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি খাতকে পুনর্বিন্যাস ও বিকশিত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষকদের জন্য ‘খামারি অ্যাপ’ চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের কোন এলাকায় কোন সময়ে কোন ফসল ভালো হবে, কী পরিমাণ সার প্রয়োজন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাসসহ বিভিন্ন পরামর্শ পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জৈব সার, বায়োফার্টিলাইজার এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৃষিকে জলবায়ু-স্মার্ট ও অভিযোজনক্ষম খাতে রূপান্তরের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে দেশের কৃষি আরও উৎপাদনশীল, লাভজনক, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই খাতে পরিণত হবে, যা জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগে যাচ্ছে সরকার: রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগ ও আলোচনা চালানোর কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে প্রত্যাবাসনের ভিত্তি হিসেবে রোহিঙ্গাদের তথ্য যাচাই (ভ্যারিফিকেশন) কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া, আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানো এবং বিকল্প কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের কথাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে গঠিত এই সরকার রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। বিএনপি সরকার রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক- সব ফ্রন্টেই জোরালো ক‚টনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং ১৯৯২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সফল ক‚টনৈতিক উদ্যোগে সে সময়ের রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান হয়েছিল এবং আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা দ্রুত নিজ দেশে ফিরে যেতে পেরেছিল। বর্তমান সরকারও সেই নীতির ধারাবাহিকতায় টেকসই, শান্তিপূর্ণ ও দ্রুত সমাধানের পথ অনুসন্ধান করছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গা সংকটকে বৈশ্বিক মানবিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে সরকার জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ ও দাতা সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ইউএনএইচসিআর, ইউএন উইমেন এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের (ডবিউএফপি) উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করে এবং মানবিক সহায়তা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করে।

সংসদ নেতা আরও জানান, চলতি মাসের শুরুতে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরকালে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এর ফলে রোহিঙ্গাদের জন্য তুরস্কের মানবিক সহায়তা আরও বাড়বে বলে সরকার আশা করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রæত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে একটি উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ভবিষ্যতেও জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বজনমতকে আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, সরকার রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণ বিবেচনায় নিয়ে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলার প্রতি বাংলাদেশের নৈতিক সমর্থন অব্যাহত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও কার্যকর সমাধান মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যেই নিহিত। এ কারণে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, টেকসই ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়ের চাপ বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে দ্বিপাক্ষিক ফ্রন্টে মিয়ানমারের মূল জান্তা সরকারের পাশাপাশি সব পক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগ স্থাপন ও আলোচনার বিষয়টি আমাদের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। একইসঙ্গে মূলধারার কূটনীতির পাশাপাশি কনফিডেন্স বিল্ডিংয়ের অন্যান্য প্রক্রিয়াও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রত্যাবাসনের মূল ভিত্তি হিসেবে রোহিঙ্গাদের তথ্য যাচাই বা ভ্যারিফিকেশনের কাজ নিয়মিত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের তৃতীয় কোনও দেশে পুনর্বাসন বা প্রত্যাবাসনের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে ৮৬ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা: দেশের সার্বভৌমত্ব, ভ‚খÐগত অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রায় ৮৬ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে নৌবাহিনীতে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল ও সাবমেরিন সংযোজন এবং বিমান বাহিনীতে চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমআরসিএ), অ্যাটাক হেলিকপ্টার, মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পনীতি, ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (ডিআইজেড) এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের (টিওটি) মাধ্যমে সামরিক উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত দুটি আলাদা প্রশ্নের লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, ভ‚খÐগত অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্ষমতা উন্নয়ন ও আধুনিকায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে তিন বছর ও পরবর্তী সাত বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এর আওতায় নতুন ট্যাংক ও সাঁজোয়া যুদ্ধযান যুক্ত করে স্থলযুদ্ধ সক্ষমতা বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে আধুনিক আর্টিলারি রকেট ব্যবস্থা, ট্যাংকবিধ্বংসী অস্ত্র, স্বল্প ও মধ্যম পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংযোজনের মাধ্যমে দূরপাল্লায় নির্ভুল আঘাত এবং আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হবে। লিখিত উত্তরে আরও বলা হয়, সেনাবাহিনীতে আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল (ইউএভি), কাউন্টার ইউএভি এবং আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, পর্যবেক্ষণ ও পরিস্থিতি অনুধাবনের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বিমানযোগে অভিযান পরিচালনা, আকাশপথে সৈন্য ও সরঞ্জাম স্থানান্তর এবং নদীপথে পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বাহিনীর কৌশলগত ও অপারেশনাল গতিশীলতা আরও সুসংহত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা নিশ্চিত করতে আর্টিলারি গোলাবারুদ, এমএলআরএস রকেট, ট্যাংকের গোলাবারুদ, অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইলসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদের প্রয়োজনীয় মজুত গড়ে তোলার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে ফিউজ ও প্রাইমার, আধুনিক অ্যাসল্ট রাইফেল, অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, হেলমেটসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জামের দেশীয় উৎপাদন অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা গড়ে তোলা হবে। এতে বৈদেশিক নির্ভরতা কমবে এবং দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ ঘটবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী ১০ বছরে প্রায় ৮৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে। নৌবাহিনী প্রসঙ্গে লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সমুদ্রে নজরদারি জোরদারে বর্তমানে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও আকাশযান সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তিনি জানান, নৌবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল এবং সাবমেরিন সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের মনুষ্যবিহীন প্ল্যাটফর্ম যুক্ত করা, নতুন নৌঘাঁটি নির্মাণ, বিদ্যমান ঘাঁটির উন্নয়ন, দেশীয় জাহাজ নির্মাণ সক্ষমতা বৃদ্ধি, নৌসদস্যদের উন্নত প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও যৌথ মহড়া বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

বিমান বাহিনী সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’-এর আওতায় বিমান বাহিনীতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমআরসিএ), ফাইটার এয়ারক্রাফট, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার, অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম, ইউএভি সিস্টেম, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম, প্যাসিভ ডিটেকশন সিস্টেম, মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম এবং লং রেঞ্জ রাডার ও এয়ার ট্রাফিক সার্ভেইলেন্স রাডার সংযোজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে বৃহত্তর বগুড়ায় একটি ইউএভি ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অত্যাধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি দ্রæত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অপরদিকে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে সরকার দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি জানান, ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পনীতি প্রণয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে পৃথক ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (ডিআইজেড) স্থাপনের পরিকল্পনাও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, সশস্ত্র বাহিনীর উৎপাদন, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানো, আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন, গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং দক্ষ জনবল তৈরির কাজও চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, ক্ষুদ্র অস্ত্রের উপকরণ, সামরিক যানবাহনের যন্ত্রাংশ, যোগাযোগ সরঞ্জাম, পোশাক, সুরক্ষা সামগ্রীসহ বিভিন্ন সামরিক উপকরণ উৎপাদন ও সংযোজন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিকস এবং উন্নত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। এক্ষেত্রে বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্প উন্নয়নের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাত ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়িয়ে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি গবেষণা ও উদ্ভাবনের পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষ প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদ তৈরিতে প্রশিক্ষণ ও উচ্চশিক্ষা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

রংপুর অঞ্চলের তরুণদের সামরিক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিকল্পনা কেবল পীরগাছা ও কাউনিয়া কিংবা বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দেশের সব উপজেলার যুবসমাজকে জাতীয় নিরাপত্তা ও সংকট মোকাবিলায় দক্ষ ও সুশৃঙ্খল মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে একটি সমন্বিত কর্মসূচি প্রণয়নের কাজ চলছে।

তিনি আরও জানান, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় প্রচার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দেশের সব অঞ্চলের যোগ্য, মেধাবী ও দেশপ্রেমিক তরুণ-তরুণীদের সশস্ত্র বাহিনীতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার সমান সুযোগ সৃষ্টিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Thumbnail image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি ও যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে দেশের কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক ও টেকসই খাতে রূপান্তরে একগুচ্ছ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে সরকার। এ লক্ষ্যে ডিজিটাল কৃষি ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনা, স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, কৃষিযন্ত্রের সম্প্রসারণ এবং জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২১তম দিন প্রশ্নোত্তর পর্বে কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিকে সনাতনী ও শ্রমনির্ভর ব্যবস্থা থেকে বের করে গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে কৃষক নিবন্ধন, কৃষক ডাটাবেজ, ডিজিটাল কৃষিসেবা, মোবাইলভিত্তিক আবহাওয়ার তথ্য, বাজারদর, কৃষি পরামর্শ, ই-এক্সটেনশন সেবা এবং কৃষিসেবার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকের ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি এবং সরকারি সেবা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে সারাদেশের প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, উৎপাদন ব্যয় কমানো, শ্রম সংকট মোকাবিলা এবং কৃষিকে লাভজনক করতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

সংসদ নেতা জানান, কৃষিতে রিমোট সেন্সিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), ড্রোন, জিপিএস, স্যাটেলাইট তথ্য ও বিগ ডাটাসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে ফসলের স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ, রোগবালাই শনাক্তকরণ, সুনির্দিষ্ট সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদন পরিকল্পনা আরও কার্যকর ও বিজ্ঞানভিত্তিক হবে। তিনি আরও বলেন, তথ্যনির্ভর প্রিসিশন অ্যাগ্রিকালচার চালুর মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কমিয়ে কৃষকের আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুষম, নিরাপদ ও পুষ্টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি খাতকে পুনর্বিন্যাস ও বিকশিত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষকদের জন্য ‘খামারি অ্যাপ’ চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের কোন এলাকায় কোন সময়ে কোন ফসল ভালো হবে, কী পরিমাণ সার প্রয়োজন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাসসহ বিভিন্ন পরামর্শ পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জৈব সার, বায়োফার্টিলাইজার এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৃষিকে জলবায়ু-স্মার্ট ও অভিযোজনক্ষম খাতে রূপান্তরের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে দেশের কৃষি আরও উৎপাদনশীল, লাভজনক, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই খাতে পরিণত হবে, যা জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগে যাচ্ছে সরকার: রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগ ও আলোচনা চালানোর কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে প্রত্যাবাসনের ভিত্তি হিসেবে রোহিঙ্গাদের তথ্য যাচাই (ভ্যারিফিকেশন) কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া, আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানো এবং বিকল্প কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের কথাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে গঠিত এই সরকার রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। বিএনপি সরকার রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক- সব ফ্রন্টেই জোরালো ক‚টনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং ১৯৯২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সফল ক‚টনৈতিক উদ্যোগে সে সময়ের রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান হয়েছিল এবং আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা দ্রুত নিজ দেশে ফিরে যেতে পেরেছিল। বর্তমান সরকারও সেই নীতির ধারাবাহিকতায় টেকসই, শান্তিপূর্ণ ও দ্রুত সমাধানের পথ অনুসন্ধান করছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গা সংকটকে বৈশ্বিক মানবিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে সরকার জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ ও দাতা সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ইউএনএইচসিআর, ইউএন উইমেন এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের (ডবিউএফপি) উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করে এবং মানবিক সহায়তা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করে।

সংসদ নেতা আরও জানান, চলতি মাসের শুরুতে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরকালে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এর ফলে রোহিঙ্গাদের জন্য তুরস্কের মানবিক সহায়তা আরও বাড়বে বলে সরকার আশা করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রæত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে একটি উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ভবিষ্যতেও জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বজনমতকে আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, সরকার রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণ বিবেচনায় নিয়ে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলার প্রতি বাংলাদেশের নৈতিক সমর্থন অব্যাহত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও কার্যকর সমাধান মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যেই নিহিত। এ কারণে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, টেকসই ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়ের চাপ বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে দ্বিপাক্ষিক ফ্রন্টে মিয়ানমারের মূল জান্তা সরকারের পাশাপাশি সব পক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগ স্থাপন ও আলোচনার বিষয়টি আমাদের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। একইসঙ্গে মূলধারার কূটনীতির পাশাপাশি কনফিডেন্স বিল্ডিংয়ের অন্যান্য প্রক্রিয়াও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রত্যাবাসনের মূল ভিত্তি হিসেবে রোহিঙ্গাদের তথ্য যাচাই বা ভ্যারিফিকেশনের কাজ নিয়মিত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের তৃতীয় কোনও দেশে পুনর্বাসন বা প্রত্যাবাসনের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে ৮৬ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা: দেশের সার্বভৌমত্ব, ভ‚খÐগত অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রায় ৮৬ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে নৌবাহিনীতে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল ও সাবমেরিন সংযোজন এবং বিমান বাহিনীতে চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমআরসিএ), অ্যাটাক হেলিকপ্টার, মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পনীতি, ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (ডিআইজেড) এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের (টিওটি) মাধ্যমে সামরিক উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত দুটি আলাদা প্রশ্নের লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, ভ‚খÐগত অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্ষমতা উন্নয়ন ও আধুনিকায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে তিন বছর ও পরবর্তী সাত বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এর আওতায় নতুন ট্যাংক ও সাঁজোয়া যুদ্ধযান যুক্ত করে স্থলযুদ্ধ সক্ষমতা বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে আধুনিক আর্টিলারি রকেট ব্যবস্থা, ট্যাংকবিধ্বংসী অস্ত্র, স্বল্প ও মধ্যম পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংযোজনের মাধ্যমে দূরপাল্লায় নির্ভুল আঘাত এবং আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হবে। লিখিত উত্তরে আরও বলা হয়, সেনাবাহিনীতে আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল (ইউএভি), কাউন্টার ইউএভি এবং আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, পর্যবেক্ষণ ও পরিস্থিতি অনুধাবনের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বিমানযোগে অভিযান পরিচালনা, আকাশপথে সৈন্য ও সরঞ্জাম স্থানান্তর এবং নদীপথে পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বাহিনীর কৌশলগত ও অপারেশনাল গতিশীলতা আরও সুসংহত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা নিশ্চিত করতে আর্টিলারি গোলাবারুদ, এমএলআরএস রকেট, ট্যাংকের গোলাবারুদ, অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইলসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদের প্রয়োজনীয় মজুত গড়ে তোলার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে ফিউজ ও প্রাইমার, আধুনিক অ্যাসল্ট রাইফেল, অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, হেলমেটসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জামের দেশীয় উৎপাদন অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা গড়ে তোলা হবে। এতে বৈদেশিক নির্ভরতা কমবে এবং দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ ঘটবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী ১০ বছরে প্রায় ৮৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে। নৌবাহিনী প্রসঙ্গে লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সমুদ্রে নজরদারি জোরদারে বর্তমানে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও আকাশযান সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তিনি জানান, নৌবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল এবং সাবমেরিন সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের মনুষ্যবিহীন প্ল্যাটফর্ম যুক্ত করা, নতুন নৌঘাঁটি নির্মাণ, বিদ্যমান ঘাঁটির উন্নয়ন, দেশীয় জাহাজ নির্মাণ সক্ষমতা বৃদ্ধি, নৌসদস্যদের উন্নত প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও যৌথ মহড়া বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

বিমান বাহিনী সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’-এর আওতায় বিমান বাহিনীতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমআরসিএ), ফাইটার এয়ারক্রাফট, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার, অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম, ইউএভি সিস্টেম, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম, প্যাসিভ ডিটেকশন সিস্টেম, মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম এবং লং রেঞ্জ রাডার ও এয়ার ট্রাফিক সার্ভেইলেন্স রাডার সংযোজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে বৃহত্তর বগুড়ায় একটি ইউএভি ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অত্যাধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি দ্রæত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অপরদিকে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে সরকার দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি জানান, ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পনীতি প্রণয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে পৃথক ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (ডিআইজেড) স্থাপনের পরিকল্পনাও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, সশস্ত্র বাহিনীর উৎপাদন, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানো, আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন, গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং দক্ষ জনবল তৈরির কাজও চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, ক্ষুদ্র অস্ত্রের উপকরণ, সামরিক যানবাহনের যন্ত্রাংশ, যোগাযোগ সরঞ্জাম, পোশাক, সুরক্ষা সামগ্রীসহ বিভিন্ন সামরিক উপকরণ উৎপাদন ও সংযোজন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিকস এবং উন্নত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। এক্ষেত্রে বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্প উন্নয়নের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাত ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়িয়ে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি গবেষণা ও উদ্ভাবনের পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষ প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদ তৈরিতে প্রশিক্ষণ ও উচ্চশিক্ষা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

রংপুর অঞ্চলের তরুণদের সামরিক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিকল্পনা কেবল পীরগাছা ও কাউনিয়া কিংবা বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দেশের সব উপজেলার যুবসমাজকে জাতীয় নিরাপত্তা ও সংকট মোকাবিলায় দক্ষ ও সুশৃঙ্খল মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে একটি সমন্বিত কর্মসূচি প্রণয়নের কাজ চলছে।

তিনি আরও জানান, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় প্রচার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দেশের সব অঞ্চলের যোগ্য, মেধাবী ও দেশপ্রেমিক তরুণ-তরুণীদের সশস্ত্র বাহিনীতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার সমান সুযোগ সৃষ্টিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

মোবাইল জার্নালিজমের নামে অনুমোদনহীন, অপেশাদার অনৈতিক কার্যক্রম সরকার সমর্থন করে না: সংসদে তথ্যমন্ত্রী

২

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

৩

সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৪

কৃষিতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

৫

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

সম্পর্কিত

মোবাইল জার্নালিজমের নামে অনুমোদনহীন, অপেশাদার অনৈতিক কার্যক্রম সরকার সমর্থন করে না: সংসদে তথ্যমন্ত্রী

মোবাইল জার্নালিজমের নামে অনুমোদনহীন, অপেশাদার অনৈতিক কার্যক্রম সরকার সমর্থন করে না: সংসদে তথ্যমন্ত্রী

৩০ মিনিট আগে
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে
সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৩ ঘণ্টা আগে
তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৪ ঘণ্টা আগে