চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার জগতপুর গ্রাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের জগতপুর পূর্ব পাড়া মিয়াজি বাড়িতে দুইলাখ ও স্বর্ণ নিতে রেহানা বেগম (৪৮) নামের এক গৃহবধুকে মেরুদণ্ড, পেটে, পিঠে ও মাথায় কুপিয়ে জখম করার ১৮ দিন পর আজ মঙ্গলবার সকাল আটটায় মারা গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহে রাতে বাড়িতে আনা হয়। আগামীকাল বুধবার সকাল ১০ টায় জানাজা শেষে লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
নিহত গৃহবধুর স্বামীর নাম মো. বিল্লাল। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। স্বামী ও ছেলে বিদেশে থাকেন। মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। বাড়িতে রেহানা বেগম একাই থাকতেন।
এ ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর মধ্যে একজনকে থেলাসেমিয়া রোগী দেখিয়ে জামিন করানো হয়। অপর আসামি সম্পর্কে এলাকাবাসীর কেউ বলেছেন জামিন পেয়েছেন। কেউ বলেছেন জামিন পাননি। পুলিশও কোন তথ্য জানাতে পারেনি।
নিহত গৃহবধুর বাবার বাড়ি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আড্ডা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের সরকার বাড়ির সন্তান।
নিহত গৃহবধুর ভাই রুহুল আমিন সরকার বলেন, আমার বোনকে নির্মমভাবে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে কুপিয়ে জখম করে আধমরা করা হয়। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি । আমি এই হত্যাকান্ডের বিচার চাই।
এ ঘটনায় নিহত রেহানা বেগমের মেয়ে তামান্না আক্তার বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার দুই আসামি হলেন একই বাড়ির মো. আকতার হোসেনের ছেলে মো. আজহারুল ইসলাম সোহান (১৫) ও একই বাড়ির প্রয়াত আবু খালেদের ছেলে মো. রবিউল হাসান (১৪) । তাঁদের বিরুদ্ধে চুরির মামলা করা হয়।
এদিকে মারা যাওয়ার আগে হাসপাতালে রেহানা বেগম তাঁর ওপর হামলার ঘটনা বলে যান। ওই ঘটনার ভিডিও আমার শহরের কাছে সংরক্ষণ আছে।
এ মামলার সাক্ষী মো. সৈকত বলেন, আমি প্রথম শব্দ পেয়ে এগিয়ে যাই। এই সময়ে সোহান ও রবিউলকে দেখতে পাই। তারা পালিয়ে পশ্চিম দিক দিয়ে চলে যায়।
আরেক সাক্ষী আবুল বাসার বলেন, সোহান ও রবিউল টাকা ও স্বর্ণ নিতে রেহানা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে। তাঁর মেরুদণ্ড কুপিয়ে কেটে ফেলে। পেটে ও মাথায় অসংখ্য ছুরিকাঘাত করে। নির্যাতনে টিকতে না পেরে রেহানা বলেছিল, ‘তোরা আমারে আর মারিছ না।’ ঘটনার পর সোহান তাদের ঘরের কাঁড়ে পালিয়ে ছিল। সকালে গ্রামের লোকজন তাকে সেখান থেকে বের করে পুলিশে দেয়। রবিউলকে তাঁর পরিবারের সদস্যরা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। আমরা এর বিচার চাই।
এদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী আজ বিকেলে নিহত ব্যক্তির বাড়ির সামনের সড়কে (মসজিদের দক্ষিণ পাশে) মানববন্ধন করে।
মানববন্ধনে রেহানা বেগমের স্বামী মো. বিল্লাল বলেন, আমরা বিদেশে থাকি। ৬ ফেব্রুয়ারি রাতের ঘটনা। খবর পেয়ে পরদিন দেশে আসি। চিকিৎসা করাই। কিন্তু সব চেষ্টা করে ওকে বাঁচানো গেলো না।

মামলার এজাহার ও অন্যান্য সূত্রে জানা গেছে, ৬ ফেব্রুয়ারি রেহানা বেগম ঋণ শোধ করার জন্য তাঁর মেয়ের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা আনেন। একই বাড়ির বাসিন্দা হওয়ায় সোহান ও রবিউল লোকমুখে ওই টাকার খবর জানতে পারে। জগতপুর সড়কের পশ্চিম নতুন আলাদা বাড়িতে রেহানা বেগম টিনসেড ভবনের কাজ করছিলেন। রাতে তিনি ঘরে একাই ছিলেন। ৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় সোহান ও রবিউল ঘরে প্রবেশ করে। এই সময়ে সোহান ঘরে ঢুকে বলেন, তাঁদের ঘরে চাল নেই, দুই পট চাল দিতে বলেছে তার মা। এই সময়ে রেহানা বেগম প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে চাল তুলতে গেলে সোহান গ্লাস ভেঙে রেহানা বেগমের পিঠে পেছন থেকে আঘাত করে। রবিউল তার হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেহানা বেগমের পেটে আঘাত করে। এই সময়ে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে তাঁকে টাকা দিতে বলে। তিনি টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর মাথায় অসংখ্য আঘাত করা হয়। এই সময়ে রেহানা বেগম চিৎকার দিয়ে বলেন, তোরা কি আমাকে মেরে ফেলবি। তখন বাড়ির পাশের সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন একই বাড়ির সৈকত। তিনি পুকুরের উত্তর পাড় দিয়ে কক্ষে গিয়ে দেখেন মেঝেতে , দরজায় রক্তের ছোপ। গাছে রক্তের ছোপ। সোহান ও রবিউল পালিয়ে যায় তখন। যাওয়ার সময় তারা দুই লাখ নগদ টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে যায়। পরে মসজিদ থেকে এলাকার লোকজন এসে দেখেন রেহানা বেগম মেজেতে কাতরাচ্ছেন। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে মুদাফফরগঞ্জ এলাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে রাত একটায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁর চিকিৎসা চলে।
চিকিৎসকেরা বলেছেন, তাঁর কোন চিকিৎসা আর নেই। বাড়িতে নিয়ে যান। তিনি বেশিদিন বাঁচবেন না। আজ মঙ্গলবার সকাল আটটায় তিনি মারা যান।
এদিকে এ ঘটনায় চাঁদপুরের কচুয়া থানা পুলিশ ৭ ফেব্রুয়ারি একটি চুরির মামলা নেয়। ওই মামলায় দুই আসামি সোহান ও রবিউলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একজন আদালত থেকে জামিনে বের হন, অন্যজনের তথ্য নেই এলাকাবাসীর কাছে। জামিনে রবিউল এলাকায় ফিরে আসেন। গতকাল সকালে রেহানা বেগম মারা যান। এই খবর পেয়ে সোহানের ও রবিউলের পুরো পরিবার পালিয়ে যান।

সরেজমিনে আজ মঙ্গলবার বিকেলে বরুড়া উপজেলার খাজুরিয়া সড়ক পার হয়ে পেরুল গ্রাম দিয়ে জগতপুরে যান একদল সাংবাদিক। তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তের ছোপ দেখতে পান। দরজায় রক্তের দাগ এখনও আছে। গাছের মধ্যে রক্তের দাগ। এলাকার মানুষের মুঠোফোনে জখম রেহানার ছবি। হাসপাতালে করা ভিডিও। আসামি সোহান ও রবিউলের ছবি।
গ্রামবাসী বলেছেন, সোহান ও রবিউল খারাপ প্রকৃতির ছেলে। এলাকায় নেশা করে। টাকার জন্য রেহানা বেগমকে হত্যা করে। তাঁরা এর বিচার চান।
কচুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউল হক বলেন, এই মামলা এখন হত্যা মামলায় রূপ নেবে।
নিহত রেহানা বেগমের একমাত্র ছেলে মো. ফয়সাল হোসেন বলেন, আমি মা হত্যার বিচার চাই। আমার মাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এভাবে কোন অপরাধ ছাড়া কেউ কাউকে মারতে শুনিনি।
আশ্রাফপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য ফারুক আহমেদ বলেন, রবিউলের জামিন হয়েছে। সোহানের জামিন হয়নি। পুলিশ চুরির মামলা নিছে। আমি কি করব। এখন হত্যা মামলা হবে। আমিও এই হত্যাকান্ডের বিচার চাই।

চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের জগতপুর পূর্ব পাড়া মিয়াজি বাড়িতে দুইলাখ ও স্বর্ণ নিতে রেহানা বেগম (৪৮) নামের এক গৃহবধুকে মেরুদণ্ড, পেটে, পিঠে ও মাথায় কুপিয়ে জখম করার ১৮ দিন পর আজ মঙ্গলবার সকাল আটটায় মারা গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহে রাতে বাড়িতে আনা হয়। আগামীকাল বুধবার সকাল ১০ টায় জানাজা শেষে লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
নিহত গৃহবধুর স্বামীর নাম মো. বিল্লাল। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। স্বামী ও ছেলে বিদেশে থাকেন। মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। বাড়িতে রেহানা বেগম একাই থাকতেন।
এ ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর মধ্যে একজনকে থেলাসেমিয়া রোগী দেখিয়ে জামিন করানো হয়। অপর আসামি সম্পর্কে এলাকাবাসীর কেউ বলেছেন জামিন পেয়েছেন। কেউ বলেছেন জামিন পাননি। পুলিশও কোন তথ্য জানাতে পারেনি।
নিহত গৃহবধুর বাবার বাড়ি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আড্ডা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের সরকার বাড়ির সন্তান।
নিহত গৃহবধুর ভাই রুহুল আমিন সরকার বলেন, আমার বোনকে নির্মমভাবে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে কুপিয়ে জখম করে আধমরা করা হয়। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি । আমি এই হত্যাকান্ডের বিচার চাই।
এ ঘটনায় নিহত রেহানা বেগমের মেয়ে তামান্না আক্তার বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার দুই আসামি হলেন একই বাড়ির মো. আকতার হোসেনের ছেলে মো. আজহারুল ইসলাম সোহান (১৫) ও একই বাড়ির প্রয়াত আবু খালেদের ছেলে মো. রবিউল হাসান (১৪) । তাঁদের বিরুদ্ধে চুরির মামলা করা হয়।
এদিকে মারা যাওয়ার আগে হাসপাতালে রেহানা বেগম তাঁর ওপর হামলার ঘটনা বলে যান। ওই ঘটনার ভিডিও আমার শহরের কাছে সংরক্ষণ আছে।
এ মামলার সাক্ষী মো. সৈকত বলেন, আমি প্রথম শব্দ পেয়ে এগিয়ে যাই। এই সময়ে সোহান ও রবিউলকে দেখতে পাই। তারা পালিয়ে পশ্চিম দিক দিয়ে চলে যায়।
আরেক সাক্ষী আবুল বাসার বলেন, সোহান ও রবিউল টাকা ও স্বর্ণ নিতে রেহানা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে। তাঁর মেরুদণ্ড কুপিয়ে কেটে ফেলে। পেটে ও মাথায় অসংখ্য ছুরিকাঘাত করে। নির্যাতনে টিকতে না পেরে রেহানা বলেছিল, ‘তোরা আমারে আর মারিছ না।’ ঘটনার পর সোহান তাদের ঘরের কাঁড়ে পালিয়ে ছিল। সকালে গ্রামের লোকজন তাকে সেখান থেকে বের করে পুলিশে দেয়। রবিউলকে তাঁর পরিবারের সদস্যরা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। আমরা এর বিচার চাই।
এদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী আজ বিকেলে নিহত ব্যক্তির বাড়ির সামনের সড়কে (মসজিদের দক্ষিণ পাশে) মানববন্ধন করে।
মানববন্ধনে রেহানা বেগমের স্বামী মো. বিল্লাল বলেন, আমরা বিদেশে থাকি। ৬ ফেব্রুয়ারি রাতের ঘটনা। খবর পেয়ে পরদিন দেশে আসি। চিকিৎসা করাই। কিন্তু সব চেষ্টা করে ওকে বাঁচানো গেলো না।

মামলার এজাহার ও অন্যান্য সূত্রে জানা গেছে, ৬ ফেব্রুয়ারি রেহানা বেগম ঋণ শোধ করার জন্য তাঁর মেয়ের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা আনেন। একই বাড়ির বাসিন্দা হওয়ায় সোহান ও রবিউল লোকমুখে ওই টাকার খবর জানতে পারে। জগতপুর সড়কের পশ্চিম নতুন আলাদা বাড়িতে রেহানা বেগম টিনসেড ভবনের কাজ করছিলেন। রাতে তিনি ঘরে একাই ছিলেন। ৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় সোহান ও রবিউল ঘরে প্রবেশ করে। এই সময়ে সোহান ঘরে ঢুকে বলেন, তাঁদের ঘরে চাল নেই, দুই পট চাল দিতে বলেছে তার মা। এই সময়ে রেহানা বেগম প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে চাল তুলতে গেলে সোহান গ্লাস ভেঙে রেহানা বেগমের পিঠে পেছন থেকে আঘাত করে। রবিউল তার হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেহানা বেগমের পেটে আঘাত করে। এই সময়ে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে তাঁকে টাকা দিতে বলে। তিনি টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর মাথায় অসংখ্য আঘাত করা হয়। এই সময়ে রেহানা বেগম চিৎকার দিয়ে বলেন, তোরা কি আমাকে মেরে ফেলবি। তখন বাড়ির পাশের সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন একই বাড়ির সৈকত। তিনি পুকুরের উত্তর পাড় দিয়ে কক্ষে গিয়ে দেখেন মেঝেতে , দরজায় রক্তের ছোপ। গাছে রক্তের ছোপ। সোহান ও রবিউল পালিয়ে যায় তখন। যাওয়ার সময় তারা দুই লাখ নগদ টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে যায়। পরে মসজিদ থেকে এলাকার লোকজন এসে দেখেন রেহানা বেগম মেজেতে কাতরাচ্ছেন। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে মুদাফফরগঞ্জ এলাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে রাত একটায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁর চিকিৎসা চলে।
চিকিৎসকেরা বলেছেন, তাঁর কোন চিকিৎসা আর নেই। বাড়িতে নিয়ে যান। তিনি বেশিদিন বাঁচবেন না। আজ মঙ্গলবার সকাল আটটায় তিনি মারা যান।
এদিকে এ ঘটনায় চাঁদপুরের কচুয়া থানা পুলিশ ৭ ফেব্রুয়ারি একটি চুরির মামলা নেয়। ওই মামলায় দুই আসামি সোহান ও রবিউলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একজন আদালত থেকে জামিনে বের হন, অন্যজনের তথ্য নেই এলাকাবাসীর কাছে। জামিনে রবিউল এলাকায় ফিরে আসেন। গতকাল সকালে রেহানা বেগম মারা যান। এই খবর পেয়ে সোহানের ও রবিউলের পুরো পরিবার পালিয়ে যান।

সরেজমিনে আজ মঙ্গলবার বিকেলে বরুড়া উপজেলার খাজুরিয়া সড়ক পার হয়ে পেরুল গ্রাম দিয়ে জগতপুরে যান একদল সাংবাদিক। তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তের ছোপ দেখতে পান। দরজায় রক্তের দাগ এখনও আছে। গাছের মধ্যে রক্তের দাগ। এলাকার মানুষের মুঠোফোনে জখম রেহানার ছবি। হাসপাতালে করা ভিডিও। আসামি সোহান ও রবিউলের ছবি।
গ্রামবাসী বলেছেন, সোহান ও রবিউল খারাপ প্রকৃতির ছেলে। এলাকায় নেশা করে। টাকার জন্য রেহানা বেগমকে হত্যা করে। তাঁরা এর বিচার চান।
কচুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউল হক বলেন, এই মামলা এখন হত্যা মামলায় রূপ নেবে।
নিহত রেহানা বেগমের একমাত্র ছেলে মো. ফয়সাল হোসেন বলেন, আমি মা হত্যার বিচার চাই। আমার মাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এভাবে কোন অপরাধ ছাড়া কেউ কাউকে মারতে শুনিনি।
আশ্রাফপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য ফারুক আহমেদ বলেন, রবিউলের জামিন হয়েছে। সোহানের জামিন হয়নি। পুলিশ চুরির মামলা নিছে। আমি কি করব। এখন হত্যা মামলা হবে। আমিও এই হত্যাকান্ডের বিচার চাই।