আমার শহর ডেস্ক

জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না, বরং তা দেশের মানুষের কল্যাণ ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বুধবার দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি চা-বাগান কর্মীদের মাঝে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ এবং এই কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন করেন।
তিনি বলেন, ‘অনেকে নানা বিভ্রান্তি ছড়াতে চায়। তারা প্রশ্ন তোলে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে। বিগত এক যুগ ধরে জনগণের যে অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়ে গিয়েছিল, তা আর হতে দেব না। জনগণের টাকা দিয়ে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য কাজ করা হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার অঙ্গীকার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করছে। নারীরা স্বাবলম্বী না হলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব না। তাই সরকার নির্বাচিত হয়ে নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিচ্ছে। যারা বিভ্রান্তি ছড়াতে চায়, তারা বলে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে। জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেওয়া হবে ন। পাচার রোধ করতে পারলে টাকার অভাব হবে না।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই বাজেটকে একটি গোষ্ঠী গণবিরোধী বাজেট বলছে। তারা জনগণের বন্ধু নয়। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। এই গোষ্ঠিগুলো অশান্তি করার সুযোগ পেলে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন সম্ভব না। তাই তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে।’
কৃষক কার্ড প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাজেটে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের বাজেট রেখেছে সরকার। আগামী এক বছরে ৪০ লক্ষ কৃষককে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়া হবে।’

জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না, বরং তা দেশের মানুষের কল্যাণ ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বুধবার দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি চা-বাগান কর্মীদের মাঝে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ এবং এই কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন করেন।
তিনি বলেন, ‘অনেকে নানা বিভ্রান্তি ছড়াতে চায়। তারা প্রশ্ন তোলে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে। বিগত এক যুগ ধরে জনগণের যে অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়ে গিয়েছিল, তা আর হতে দেব না। জনগণের টাকা দিয়ে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য কাজ করা হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার অঙ্গীকার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করছে। নারীরা স্বাবলম্বী না হলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব না। তাই সরকার নির্বাচিত হয়ে নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিচ্ছে। যারা বিভ্রান্তি ছড়াতে চায়, তারা বলে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে। জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেওয়া হবে ন। পাচার রোধ করতে পারলে টাকার অভাব হবে না।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই বাজেটকে একটি গোষ্ঠী গণবিরোধী বাজেট বলছে। তারা জনগণের বন্ধু নয়। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। এই গোষ্ঠিগুলো অশান্তি করার সুযোগ পেলে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন সম্ভব না। তাই তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে।’
কৃষক কার্ড প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাজেটে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের বাজেট রেখেছে সরকার। আগামী এক বছরে ৪০ লক্ষ কৃষককে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়া হবে।’