আমার শহর ডেস্ক

নির্বাসন থেকে সরকারপ্রধানের চেয়ারে আসীন হলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব নেওয়ার অল্প দিনের মাথায় প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত করেছেন তিনি। নিজে দুটি আসনে জয়ী হওয়ার পাশাপাশি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দলকে নিয়ে গেলেন রাষ্ট্রক্ষমতায়। অবশেষে গ্রহণ করলেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব।
আজ মঙ্গলবার শপথ নেওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশে শুরু হলো তারেক যুগ। নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে মায়ের মৃত্যুর পর দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান তারেক রহমান। নির্বাচনে দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ভালোবাসায় বাবা-মায়ের মতো দেশের হাল ধরেন। তবে নির্বাচিত হয়েই দাম্ভিকতার পরিবর্তে দিলেন ঐক্যের ডাক। আগামীর রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তার পথচলা কেমন হবে, এটি সহজে অনুমেয় বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দীর্ঘ পথপরিক্রমায় তার চলার পথ কুসুমাস্তীর্ণ ছিলে না। বন্ধুর পথ অতিক্রম করেই তাকে এতদূর আসতে হয়েছে। মামলার বোঝা নিয়ে দেশান্তরী হওয়া, রিমান্ড, কারাগার ও নির্বাসনে থেকে দেশ পরিচালনা সব মিলিয়ে এক কঠিন পথ পাড়ি দিয়েই রাষ্ট্রক্ষমতার শীর্ষে আরোহণ করলেন তিনি। বাংলাদেশে ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতির অভিযোগে আটক হয়েছিলেন তারেক রহমান। এরপর ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পেয়ে সপরিবারে লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন তিনি। এর প্রায় ১৭ বছর পর তিনি ঢাকায় ফিরে এসেছেন গত ২৫ ডিসেম্বর। বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় সন্তান। তিনি ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। বিএনপির নিজস্ব ওয়েবসাইটেও তার এই জন্ম তারিখই রয়েছে। যদিও তার নির্বাচনি হলফনামায় বলা হয়েছে, তিনি ১৯৬৮ সালের ২০ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেছেন। ঢাকার বিএএফ শাহীন কলেজে প্রাথমিক পড়াশোনা শেষে করে আশির দশকে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হন বলে তার দলের ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে। আর নির্বাচন কমিশনে এবার যে হলফনামা তারেক রহমান জমা দিয়েছেন, তাতে শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘উচ্চ মাধ্যমিক’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএনপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মুক্তিযুদ্ধের সময় আরও অনেক সামরিক কর্মকর্তা পরিবারের সঙ্গে জিয়াউর রহমানের পরিবারকেও বন্দি করা হয়েছিল। তখন তাদের দুই ছেলে তারেক রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমানও বন্দি ছিলেন। আরও জানা যায়, সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদবিরোধী আন্দোলনে তিনি যোগ দিয়েছিলেন এবং ১৯৮৮ সালে বগুড়া জেলা বিএনপির গাবতলী উপজেলা ইউনিটের সদস্য হিসেবে তিনি আনুষ্ঠানিক বিএনপিতে সক্রিয় হন। যদিও দলের কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, তারেক রহমানের দলীয় রাজনীতির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে এবং সেই সময় খালেদা জিয়া যে পাঁচটি আসনে নির্বাচন করেছিলেন, তিনি সেগুলোর দেখভালের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশে ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতির অভিযোগে আটক হয়েছিলেন তারেক রহমান। এরপর টানা ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পেয়ে সপরিবারে লন্ডনে চলে যান তিনি। এর প্রায় ১৭ বছর পর গত ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসেন তিনি। যদিও এর কয়েক দিন আগেই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে তার ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে মায়ের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ার মধ্যেই তিনি ঢাকায় ফেরেন। বিমানবন্দর থেকেই পূর্বাচলে সংবর্ধনা স্থলে আসতে হয় লাখো জনতার ভিড় ঠেলে। সেখান থেকে মাকে দেখার পরদিন ২৬ ডিসেম্বর বাবার কবর জিয়ারত করেন। এরপরই পুরোদমে শুরু করেন রাজনৈতিক কার্যক্রম। এর কয়েক দিনের মাথায় ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার মৃত্যুর ১০ দিন পর চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে অভিষিক্ত হন তিনি। মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ২০১৮ সালে দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর লন্ডন থেকেই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তিনি। ভিডিও বার্তায় অংশগ্রহণ করেন দলীয় কার্যক্রমে। এর আগে ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন ২০০২ সালে তাকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মনোনীত হন। পরে ২০০৯ সালে দলের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে তিনি সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মনোনীত হয়েছিলেন। মূলত, ২০১৮ সালে খালেদা জিয়ার আটকের পর থেকেই দলটি আসলে তার নেতৃত্বেই পরিচালিত হয়ে আসছে। তিনি সাংগঠনিক ধারাবাহিকতায় দলের সর্বোচ্চ পদে আসীন হন। তারেক রহমানের নামে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ একাধিক মামলা ছিল। তবে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে লন্ডনে থাকতেই একে একে সব মামলা খালাস হয় তার বিরুদ্ধে। নির্বাচনি হলফনামায় তারেক রহমানের নামে মোট ৭৭টি মামলার তথ্য দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তিনি তার বিরুদ্ধে থাকা সব মামলা থেকে খালাস কিংবা অব্যাহতি পেয়েছেন। ত্রয়োদশ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই দলের প্রার্থী বাছাইসহ সার্বক্ষণিক সাংগঠনিক কাজে ব্যস্ত সময় কাটান তিনি। তবে ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকেই প্রথম নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন তিনি। তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জায়মা জারনাজ রহমানকেও নানা কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখা গেছে। ঢাকাসহ সারা দেশে দিনে একাধিক সমাবেশে যোগ দেন তারেক রহমান। অতীতের প্রধান প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকলেও এবার তার পুরোনো মিত্র জামায়াতের বিরুদ্ধে নির্বাচনি লড়াই করতে হয়েছে। নানা অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও তার দল পায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা।

নির্বাসন থেকে সরকারপ্রধানের চেয়ারে আসীন হলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব নেওয়ার অল্প দিনের মাথায় প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত করেছেন তিনি। নিজে দুটি আসনে জয়ী হওয়ার পাশাপাশি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দলকে নিয়ে গেলেন রাষ্ট্রক্ষমতায়। অবশেষে গ্রহণ করলেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব।
আজ মঙ্গলবার শপথ নেওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশে শুরু হলো তারেক যুগ। নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে মায়ের মৃত্যুর পর দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান তারেক রহমান। নির্বাচনে দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ভালোবাসায় বাবা-মায়ের মতো দেশের হাল ধরেন। তবে নির্বাচিত হয়েই দাম্ভিকতার পরিবর্তে দিলেন ঐক্যের ডাক। আগামীর রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তার পথচলা কেমন হবে, এটি সহজে অনুমেয় বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দীর্ঘ পথপরিক্রমায় তার চলার পথ কুসুমাস্তীর্ণ ছিলে না। বন্ধুর পথ অতিক্রম করেই তাকে এতদূর আসতে হয়েছে। মামলার বোঝা নিয়ে দেশান্তরী হওয়া, রিমান্ড, কারাগার ও নির্বাসনে থেকে দেশ পরিচালনা সব মিলিয়ে এক কঠিন পথ পাড়ি দিয়েই রাষ্ট্রক্ষমতার শীর্ষে আরোহণ করলেন তিনি। বাংলাদেশে ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতির অভিযোগে আটক হয়েছিলেন তারেক রহমান। এরপর ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পেয়ে সপরিবারে লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন তিনি। এর প্রায় ১৭ বছর পর তিনি ঢাকায় ফিরে এসেছেন গত ২৫ ডিসেম্বর। বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় সন্তান। তিনি ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। বিএনপির নিজস্ব ওয়েবসাইটেও তার এই জন্ম তারিখই রয়েছে। যদিও তার নির্বাচনি হলফনামায় বলা হয়েছে, তিনি ১৯৬৮ সালের ২০ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেছেন। ঢাকার বিএএফ শাহীন কলেজে প্রাথমিক পড়াশোনা শেষে করে আশির দশকে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হন বলে তার দলের ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে। আর নির্বাচন কমিশনে এবার যে হলফনামা তারেক রহমান জমা দিয়েছেন, তাতে শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘উচ্চ মাধ্যমিক’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএনপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মুক্তিযুদ্ধের সময় আরও অনেক সামরিক কর্মকর্তা পরিবারের সঙ্গে জিয়াউর রহমানের পরিবারকেও বন্দি করা হয়েছিল। তখন তাদের দুই ছেলে তারেক রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমানও বন্দি ছিলেন। আরও জানা যায়, সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদবিরোধী আন্দোলনে তিনি যোগ দিয়েছিলেন এবং ১৯৮৮ সালে বগুড়া জেলা বিএনপির গাবতলী উপজেলা ইউনিটের সদস্য হিসেবে তিনি আনুষ্ঠানিক বিএনপিতে সক্রিয় হন। যদিও দলের কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, তারেক রহমানের দলীয় রাজনীতির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে এবং সেই সময় খালেদা জিয়া যে পাঁচটি আসনে নির্বাচন করেছিলেন, তিনি সেগুলোর দেখভালের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশে ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতির অভিযোগে আটক হয়েছিলেন তারেক রহমান। এরপর টানা ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পেয়ে সপরিবারে লন্ডনে চলে যান তিনি। এর প্রায় ১৭ বছর পর গত ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসেন তিনি। যদিও এর কয়েক দিন আগেই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে তার ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে মায়ের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ার মধ্যেই তিনি ঢাকায় ফেরেন। বিমানবন্দর থেকেই পূর্বাচলে সংবর্ধনা স্থলে আসতে হয় লাখো জনতার ভিড় ঠেলে। সেখান থেকে মাকে দেখার পরদিন ২৬ ডিসেম্বর বাবার কবর জিয়ারত করেন। এরপরই পুরোদমে শুরু করেন রাজনৈতিক কার্যক্রম। এর কয়েক দিনের মাথায় ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার মৃত্যুর ১০ দিন পর চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে অভিষিক্ত হন তিনি। মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ২০১৮ সালে দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর লন্ডন থেকেই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তিনি। ভিডিও বার্তায় অংশগ্রহণ করেন দলীয় কার্যক্রমে। এর আগে ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন ২০০২ সালে তাকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মনোনীত হন। পরে ২০০৯ সালে দলের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে তিনি সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মনোনীত হয়েছিলেন। মূলত, ২০১৮ সালে খালেদা জিয়ার আটকের পর থেকেই দলটি আসলে তার নেতৃত্বেই পরিচালিত হয়ে আসছে। তিনি সাংগঠনিক ধারাবাহিকতায় দলের সর্বোচ্চ পদে আসীন হন। তারেক রহমানের নামে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ একাধিক মামলা ছিল। তবে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে লন্ডনে থাকতেই একে একে সব মামলা খালাস হয় তার বিরুদ্ধে। নির্বাচনি হলফনামায় তারেক রহমানের নামে মোট ৭৭টি মামলার তথ্য দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তিনি তার বিরুদ্ধে থাকা সব মামলা থেকে খালাস কিংবা অব্যাহতি পেয়েছেন। ত্রয়োদশ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই দলের প্রার্থী বাছাইসহ সার্বক্ষণিক সাংগঠনিক কাজে ব্যস্ত সময় কাটান তিনি। তবে ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকেই প্রথম নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন তিনি। তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জায়মা জারনাজ রহমানকেও নানা কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখা গেছে। ঢাকাসহ সারা দেশে দিনে একাধিক সমাবেশে যোগ দেন তারেক রহমান। অতীতের প্রধান প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকলেও এবার তার পুরোনো মিত্র জামায়াতের বিরুদ্ধে নির্বাচনি লড়াই করতে হয়েছে। নানা অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও তার দল পায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা।