নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরের হালিমা মঞ্জিল নামের একটি ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে গত সোমবার ( ২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে চারটার দিকে গ্যাস বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই বাসায় থাকা ৯ জন দগ্ধ হন। এর মধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিন শিশুসহ চারজন। শনিবার মারা যান আরেকজন। এ পর্যন্ত এক পরিবারের ছয়জন মারা গেছেন।
দগ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বশেষ শনিবার সন্ধ্যায় শিপন হোসেনের (৩০) মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘শিপন হোসেনের শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। পাঁচ দিন ধরে তিনি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন।’ আজ রোববার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে লাশ কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আড্ডা ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামে গেছে। রাতে জানাযা শেষে দাফন করা হবে । এ নিয়ে ছয়জন মারা গেছেন।
শিপন বাগমারা গ্রামের আবদুল মালেক ও খোদেজা বেগমের সন্তান। শিপনের স্ত্রী ও দুই বছরের এক সন্তান আছে।
এ পর্যন্ত মারা গেছেন তিন ভাই শাখাওয়াত হোসেন (৪৮), সামির আহমেদ (৪০) ও শিপন হোসেন (৩০)। শাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৪০), ছেলে শাওন (১০) ও সামিরের স্ত্রী পাখি আক্তারের (৩৫)।

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরের হালিমা মঞ্জিল নামের একটি ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে গত সোমবার ( ২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে চারটার দিকে গ্যাস বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই বাসায় থাকা ৯ জন দগ্ধ হন। এর মধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিন শিশুসহ চারজন। শনিবার মারা যান আরেকজন। এ পর্যন্ত এক পরিবারের ছয়জন মারা গেছেন।
দগ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বশেষ শনিবার সন্ধ্যায় শিপন হোসেনের (৩০) মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘শিপন হোসেনের শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। পাঁচ দিন ধরে তিনি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন।’ আজ রোববার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে লাশ কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আড্ডা ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামে গেছে। রাতে জানাযা শেষে দাফন করা হবে । এ নিয়ে ছয়জন মারা গেছেন।
শিপন বাগমারা গ্রামের আবদুল মালেক ও খোদেজা বেগমের সন্তান। শিপনের স্ত্রী ও দুই বছরের এক সন্তান আছে।
এ পর্যন্ত মারা গেছেন তিন ভাই শাখাওয়াত হোসেন (৪৮), সামির আহমেদ (৪০) ও শিপন হোসেন (৩০)। শাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৪০), ছেলে শাওন (১০) ও সামিরের স্ত্রী পাখি আক্তারের (৩৫)।